বিশ্বে ঝাঁক জমকের সঙ্গে পালন হচ্ছে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব ক্রিসমাস বা বড়দিন। বিশ্বের এক পাশে যখন আনন্দ-উদ্যাপনে ব্যস্ত মানুষ তখন ফিলিস্তিনবাসী কাঁদছে স্বজন হারানোর বেদনায়। অনেক দিন ধরে দেশটির গাজা উপত্যকা থেকে বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি আগ্রাসনের ফলে ঘরছাড়া মানুষজন। আপনজন হারিয়ে শোকার্ত। ক্রিসমাসে তাদের মনে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন লিভারপুলের মিসরীয় ফরোয়ার্ড মোহামেদ সালাহ।
নিজে সব সময় অসহায় মানুষদের পাশে থাকতে চেষ্টা করেন সালাহ। বিভিন্ন সময় কষ্টে দিনাতিপাত করা মানুষদের সহায়তা করে সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন। গাজাবাসীর কষ্টে তাঁর যে মন কাঁদবে সেটিই স্বাভাবিক। এর আগেও সালাহ ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়েছিলেন।
আজ বড়দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে একটি পোস্ট লিখেছেন লিভারপুল তারকা। নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে ক্রিসমাস ট্রির একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন দিয়েছেন, ‘ক্রিসমাস এমন একটি সময় যখন পরিবারগুলো একত্রিত হয় এবং উদ্যাপন করে। কিন্তু নিষ্ঠুর যুদ্ধ চলছে মধ্যপ্রাচ্যে। বিশেষ করে, মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞ চলছে গাজায়। এ বছর আমরা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে বড়দিন পালন করছি এবং সেসব পরিবারগুলোর সঙ্গে এই ব্যথা ভাগাভাগি করছি যারা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকাহত। দয়া করে তাদের কষ্টের কথা ভুলে যাবেন না। শুভ বড়দিন।’

গত ১৪ বছর ধরে জাতীয় দলের গোলপোস্ট সামলানো ভোজিনিয়ার জন্য স্পেনের বিপক্ষের ম্যাচটি ছিল ৯০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগেই ক্লাবহীন হয়ে পড়েন তিনি; শেষ হয়ে যায় পর্তুগিজ ক্লাব জিদি চাভেসের সঙ্গে তাঁর চুক্তির মেয়াদ। তবে সম্পূর্ণ ক্লাবহীন থাকার এই মানসিক চাপ মাঠের পারফরম্যান্সে বিন্দুম
২ ঘণ্টা আগে
ফুটবলের আসল সৌন্দর্য সম্ভবত এখানেই লুকিয়ে থাকে, যেখানে খাতা-কলমের পরিসংখ্যান আর ফিফা র্যাঙ্কিং মাঠের ৯০ মিনিটের কাছে এসে একেবারে অর্থহীন হয়ে পড়ে। তা নয়তো কী! একদিকে র্যাঙ্কিংয়ের ৩ নম্বরে থাকা শিরোপার অন্যতম দাবিদার স্পেন, যাদের স্কোয়াড ঠাসা ইউরোপ সেরাদের নিয়ে। অন্যদিকে ৬৪ নম্বরে থাকা আফ্রিকার ছোট
২ ঘণ্টা আগে
মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর আজ ছিল ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের জন্য বিশ্রামের দিন। সকালে রিকভারি সেশনের পর টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে পুরো দলকে ছুটি দেওয়া হয়। সেই সুযোগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে।
৩ ঘণ্টা আগে
২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া এক দুর্দান্ত হাফ ভলি জড়াল জালে। গ্যালারিতে তখন বুনো উল্লাস। এমন একটা নান্দনিক গোলের পর জার্সি খুলে ভোঁ-দৌড় দেওয়া কিংবা দর্শকদের মাঝে ঝাঁপিয়ে পড়াই তো স্বাভাবিক। কিন্তু গোলদাতা ইয়াসিন আয়ারি কেবল হাত দুটো জোড় করলেন, এরপর নতজানু হয়ে চুম্বন করলেন সবুজ ঘাসকে।
৪ ঘণ্টা আগে