
বর্তমান সময়ে খেললে মৌসুমে হাজার গোল করতেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা—এমনটাই মনে করেন ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ইতালির রানার্সআপ দলের সদস্য দিনো বাজ্জিও। এখনকার সময়ের ফুটবলারদের বাড়তি সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করেই এই মন্তব্য করেছেন তিনি।
তোরিনো, ইন্টার মিলান, পারমা, লাজিওর মতো ইতালিয়ান ক্লাবে খেলেছেন বাজ্জিও। অন্যদিকে ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত নাপোলির হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন ম্যারাডোনা। ক্লাবটির কিংবদন্তি মানা হয় তাঁকে। ইতালিয়ান লিগে খেলার সুবাদে আর্জেন্টিনার ফুটবল জাদুকরকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন বাজ্জিও। ম্যারাডোনা সম্পর্কে ভালো ধারণাই আছে তাঁর। পার্থক্য টেনে মেসির চেয়ে প্রয়াত ম্যারাডোনাকেই এগিয়ে রাখলেন সাবেক এই মিডফিল্ডার।
এএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাজ্জিও বলেন, ‘দিয়েগো ম্যারাডোনা বর্তমান সময়ে খেললে মৌসুমে হাজার গোল করতে পারতেন। তিনি নাপোলি হয়ে খেলার সময় কতটা বাজেভাবে ফাউলের শিকার হতেন সেটা কেউ কল্পনাও করতে পারবে না। সে সময় মেসি খেললে, সে-ও হয়তো সমানভাবে নিজেকে রাঙাত। তবে তাঁকে শেষ করে দেওয়া হতো (ফাউল প্রসঙ্গে)। মূলত এই কারণেই আমার মনে হয় ম্যারাডোনাই বিশ্বের সের ফুটবলার।’
সে সময় ফুটবলাররা কতটা ঝুঁকি নিয়ে খেলতেন, সে প্রসঙ্গে বাজ্জিও বলেন, ‘আমাদের সময়ে খেলোয়াড়রা এত সুরক্ষায় থাকত না। সে সময় রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা ইচ্ছা করেই বুটের নিচের কাঁটা দিয়ে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে পায়ের পেছনে আঘাত করত। তখন সেটা বিনা বাধায় করা যেত। খেলোয়াড়দের জন্য সময়টা খুবই কঠিন ছিল। আঘাতটা বলে লাগল নাকি প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের গোড়ালিতে—সেটা নিয়ে কেউ ভাবত না। সেদিক থেকে বর্তমান সময়ের ফুটবল অনেক সহজ।’

আটলান্টিক মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। মানচিত্রে খুঁজলে সহজে চোখেই পড়ে না। জনসংখ্যা মোটে পৌনে ছয় লাখ। কিন্তু আজ ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে এই দেশটিতেই চোখ রাখবে বিশ্ব। রাত ১০টায় আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মুখোমুখি হবে তারা।
২৮ মিনিট আগে
এক দল বিশ্বকাপের চারবারের চ্যাম্পিয়ন। অপর দল এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলছে। প্রথম দুই লাইন পড়ে অনেকেই হয়তো অনুমান করতে পেরেছেন এখানে গত রাতের জার্মানি-কুরাসাও ম্যাচের কথা বলা হচ্ছে। হিউস্টনে গত রাতে নবাগত কুরাসাওকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে জার্মানি। গোলবন্যার এই ম্যাচ মনে করাল তিন বছর আগে আর্জেন্টিন
১ ঘণ্টা আগে
ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসে একবারই ফাইনালে উঠেছিল সুইডেন। ১৯৫৮ সালে ঘরের মাঠে আয়োজিত বিশ্বকাপে সুইডিশরা রানার্সআপ হয়েছিল ব্রাজিলের কাছে হেরে। তবে ফুটবল বিশ্বকাপে তারা খুব একটা নিয়মিত নয়। এবার তারা ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ ফিরল ৮ বছর পর।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই নানা ইস্যুতে চলছে সমালোচনা। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা, সেটা না বললেও চলে। গতকাল মেক্সিকোর তিহুয়ানা বেস ক্যাম্প থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছানোর পর থেকে ইরানের ফুটবলার ও কোচ করে চলেছেন একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য।
৩ ঘণ্টা আগে