দলবদলের বাজারে নাটকীয়তা জমিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগিজ তারকাকে পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত ইংলিশ ক্লাবটির ভক্ত-সমর্থকেরা। দারুণ খুশি কোচ ওলে গুনে সুলশারও। পাঁচ বারের ব্যালন ডি অর জয়ী এই তারকাকে দিয়ে ম্যানইউর সুদিন ফেরানোরও স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা।
তবে খুশি নন শুধু একজন, এডিনসন কাভানি। রোনালদো ম্যানইউতে ফেরায় সবচেয়ে বেশি ‘ত্যাগ’ যে তাঁকেই স্বীকার করতে হয়েছে। নিজের প্রথম মৌসুমে ইংলিশ ক্লাবটিতে সাত নম্বর জার্সি পরেছিলেন কাভানি। রোনালদো আসায় সেই জার্সি নম্বর বুঝিয়ে দিতে হয়েছে তাঁকে।
রোনালদো আসার পর কোচ শুলশারের কাছেও নাকি কদর কমেছে কাভানির। সব মিলিয়ে উরুগুইয়ান স্ট্রাইকারের মন বেশ খারাপ। এমনই জানিয়েছেন সাবেক ম্যানইউ তারকা দিমিতার বার্বাতোভ। তাঁর দাবি, এসব ব্যাপার নিয়ে একদমই খুশি নন কাভানি।
২০০৮-২০১২ সাল পর্যন্ত ম্যানইউর জার্সিতে খেলেছেন বার্বাতোভ। রেড ডেভিলদের হয়ে ১০৮ ম্যাচে ৪৮ গোল করা এই বুলগেরিয়ান স্ট্রাইকার ‘টুটোস্পোর্টকে’ বলেছেন, ‘কাভানি নাখোশ। ইউনাইটেডে তার প্রথম মৌসুমটা দারুণ ছিল। কিন্তু সে তার জায়গা হারিয়েছে। একই সঙ্গে ৭ নম্বর জার্সিও। আমার আশা, শুলশারের তার সঙ্গে আন্তরিক আলোচনা হয়েছে।’
৪০ বছর বয়সী এই সাবেক বুলগেরিয়ান ফুটবল তারকা আরও বলেন, ‘কোচের কাজ হলো দল বাছাই করা। যখন তিনি কাউকে বাদ দেন, সেই খেলোয়াড়ের জন্য সেটা দুর্দশার।’ বার্বাতোভের ধারণা, রোনালদোকে ইউনাইটেডে আনা হয়েছে কেবল ভক্তদের খুশি করার জন্য। তাতে উপকারের চাইতে সমস্যাই বেশি বেড়েছে।

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে শুরুর একাদশ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। শেষ পর্যায়ের অনুশীলনে কোচ লিওনেল স্কালোনি দুই ধরনের ফরমেশন বানিয়ে একাদশ পরীক্ষা করেছেন। যেখানে রক্ষণভাগ নিয়েই মূল অনিশ্চয়তা দেখা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সাতবার খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেও তিউনিসিয়া কখনো গ্রুপ পর্বের বাধা পার হতে পারেনি। ২১ জুন জাপানের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মাঠে নামবে উত্তর আফ্রিকার দলটি, তবে ততক্ষণে ডাগআউটে দেখা যাবে নতুন কোনো মুখ।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকোতে চলমান বিশ্বকাপে ১০ নম্বর নয়, বরং ১৯ নম্বর জার্সিই পরবেন লামিনে ইয়ামাল। মূলত স্পেন জাতীয় দলে জার্সি নম্বর বণ্টনের নিয়মের কারণেই এই জার্সি পরে মাঠ মাতাতে দেখা যাবে বার্সেলোনার এই স্প্যানিশ উইঙ্গারকে।
৩ ঘণ্টা আগে
কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জার্মানির ৭-১ গোলের জয়ের ম্যাচ চলাকালে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) কক্ষে থাকা অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তা শন ইভান্সের একটি হাতের অঙ্গভঙ্গি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রচার ক্যামেরা হঠাৎ ভিএআর স্টুডিওতে কাট হলে তাঁর ডান হাতের একটি ভঙ্গি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়, য
৩ ঘণ্টা আগে