
কখনো বিপজ্জনক আক্রমণ, কখনো ফ্রি কিক। সবকিছু নিজের বিশ্বস্ত হাত দিয়েই দমন করছেন গোলরক্ষক মিলি আক্তার। অনূর্ধ্ব–২০ নারী এশিয়ান কাপে তাঁর দৃঢ়তায় চীনের মতো শক্তিশালী দলকে প্রথমার্ধে গোলশূন্য ব্যবধানে আটকে রাখে বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আর পারেনি। আজ মাঠ ছাড়তে হয় ২-০ গোলের হার নিয়ে।
সিনিয়র এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ছিল চীনের বিপক্ষে। সেই ম্যাচেও বাংলাদেশ হেরেছিল ২-০ গোলে। তবে রুপনা চাকমার পরিবর্তে মিলিকে শুরুর একাদশে খেলিয়ে চমক দেখান কোচ পিটার বাটলার। মিলি আস্থার প্রতিদান দিতে শুরু করেন দারুণ সব সেভ দিয়ে।
সিনিয়র এশিয়ান কাপ দিয়ে নজর কাড়া মিলি তাঁর পারফরম্যান্স ধরে রাখেন অনূর্ধ্ব–২০ এশিয়ান কাপেও। থাইল্যান্ডের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে পাঁচটি অনটার্গেট শট ছিল চীনের একটিও গোলে পরিণত হতে দেননি মিলি। একটি ফ্রি কিক আঙুলের ছোঁয়ায় গোল হওয়া থেকে বাঁচান তিনি। শেষ দিকে চীনের ফুটবলার একা পেয়েছিলেন মিলিকে। তবে দমে যাননি এই গোলরক্ষক। সাহসী সেভে ম্যাচে রাখেন বাংলাদেশকে।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে বাংলাদেশ প্রথমবার আক্রমণে ওঠার সুযোগ পায়। কিন্তু মোসাম্মৎ সাগরিকার শট সহজেই ঠেকান চীন গোলরক্ষক।
প্রথমার্ধের এই প্রতিরোধ আর দ্বিতীয়ার্ধে টেকেনি। বিরতির পরই এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ৪৭ মিনিটে জেং ইউজুইয়ার কাটব্যাক থেকে উঁচু কোনা দিয়ে বল জালে পাঠান ৬ গজের বক্সে থাকা ইউ শিনগি।
মিলি একের পর এক সেভ দিয়ে ব্যবধান বাড়তে না দেওয়ার পণ করেন। ৬৩ মিনিটে ওয়াং আইফাংয়ের ৩৫ গজ দূর থেকে নেওয়া এক বুলেট গতির শট তিনি টিপ-সেভে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন।
ম্যাচের শেষ দিকে ক্লান্তি আর চোটের ধাক্কায় বাংলাদেশ আরও দুর্বল হয়ে পড়লে সুযোগ লুফে নেয় চীন। ৮২ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে পাওয়া এক ফ্রি-কিকে সরাসরি গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ওয়াং আইফাং। ডান পায়ের নিচু শটে বল পোস্টের বাঁ কোণ দিয়ে জালে জড়ালে বাংলাদেশের ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায়।
সেই গোলই নিশ্চিত করে বাংলাদেশের হার। সবমিলিয়ে ম্যাচে আটটি সেভ দিয়েছেন মিলি। যেভাবে লম্বা সময় চীনের মতো দলকে আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ তা কুর্নিশ পাওয়ারই যোগ্য। সিনিয়র এশিয়ান কাপের মতো তাই এখানেও দেখা গেল একই দৃশ্য।
এর আগে প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক থাইল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ১–০ গোলে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু পরে মাঠ ছাড়তে হয় ৩–২ গোলের হার নিয়ে।

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
১ ঘণ্টা আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে