ক্রীড়া ডেস্ক

রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো। রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
অথচ কোচ হিসেবে বায়ার লেভারকুসেনে জাভি আলোনসোর অভূতপূর্ব সাফল্যই কার্লো আনচেলত্তির যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে ভাবতে শিখিয়েছিল তাঁকে। ২০২২-২৩ মৌসুমে বুন্দেসলিগার দলটির যখন দায়িত্ব নেন আলোনসো, তখন অবনমন অঞ্চলের আশেপাশে ছিল লেভারকুসেন। সে সময় দলটির কোচ জেরার্দো সিওয়ানের অধীনে ৮ ম্যাচের মাত্র একটি জিতেছিল দলটি। আলোনসো আসার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত টেবিলের ছয় নম্বরে থেকে লিগ শেষ করে। পরের মৌসুমে সাফল্য লুটিয়ে পড়ে আলোনসোর পায়ে! লিগ শিরোপাসহ ঘরোয়া ট্রেবল জেতে লেভারকুসেন। যারা কখনো লিগ জেতেনি, সেই লেভারকুসেন জেতে বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ ও জার্মান সুপার কাপ। আর আলোনসোর দল বুন্দেসলিগা জেতে অপরাজিত থেকে। তখন আলোনসোর ছোঁয়ায় লেভারকুসেন যেন অন্যরকম এক দল।
কোচ হিসেবে আলোনসোর এই অভাবিত সাফল্যে আকৃষ্ট হন রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। সাফল্যের সেই ধারাবাহিকতা পরের মৌসুমে না থাকলেও ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়া কার্লো আনচেলত্তির জায়গায় রিয়ালে পেরেজ নিয়ে আসেন আলোনসোকে। নিজের মতো করে দল গোছানোর স্বাধীনতাও দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। মৌসুমের শুরুটা দুর্দান্তই হয়েছিল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৪ ম্যাচের ১৩টিতেই জিতেছিল রিয়াল। এখনো কি খুব খারাপ রিয়ালের পারফরম্যান্স? আলোনসোর অধীনে ৩৪ ম্যাচের ২৪টিতেই জিতেছে রিয়াল। ৪টিতে ড্র করেছে, হার ৬টিতে। কিন্তু ফ্লোরেন্তিনোর ধ্যানধারণায় যে ‘অজেয় রিয়াল’! ক্লাব কর্তাদের চাহিদা মতো রিয়ালকে অপ্রতিরোধ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারেননি আলোনসো!
কেন পারেননি, এ নিয়েও হতে পারে আলোচনা। যে ফুটবলীয় দর্শন—হাই প্রেস, গতি আর পজিশনাল ফুটবল লেভারকুসেনে তাঁকে সাফল্য পাইয়ে দিয়েছিল, সেটা তিনি বার্নাব্যুতে বাস্তবায়ন করতে পারেননি। মৌসুমের শুরু থেকেই চোটমুক্ত আদর্শ একটা দল পাননি তিনি। দলীয় খেলোয়াড়দের মধ্যেও আশানুরূপ উন্নতি দেখা যায়নি। কারও কারও আচরণ এমনও ছিল, যেন তাঁরা কোচের জন্য খেলেননি!
একটু রয়েসয়েই রিয়ালের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন আলোনসো। কিন্তু তাঁকে সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। লম্বা মৌসুমে শেষ খেলোয়াড়েরা ছিলেন বিশ্রামের মেজাজে। কেউ কেউ পরের মৌসুমে বার্নাব্যুতে থাকবেন কি না, তা নিয়েও একটা অনিশ্চয়তা ছিল। কিন্তু এসব নিয়ে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাঁর চাহিদামতো যেসব খেলোয়াড়কে দলে নিয়ে আসা হয়েছিল, তাঁরা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন। রিয়ালে যোগ দেওয়ার আগে ফ্রাস্কো মাস্তানতুয়ানোকে নিয়ে যত আলোচনা হয়েছে, সে তুলনায় মাঠে কিছুই করতে পারেননি। একমাত্র কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বাদ দিলে সেভাবে আর কেউই কোচের চাহিদামতো দলের হয়ে খেলতে পারেননি। অধারাবাহিক ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আগের এল ক্লাসিকোয় তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ায় যেভাবে ক্ষোভ দেখিয়েছিলেন, সেটাই দলের ওপর আলোনসোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আছে কি না প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। বিনি সুতোর মালা হয়ে দলকে একই সুতোয় বাঁধতে পারেননি তিনি।
একটা উল্টোভাবে বলে এটাও বলা যায়, দলকে একই সূত্রে গাঁথার স্বাধীনতা তাঁকে দেওয়া হয়নি, স্বাধীনতা দেওয়ার মতো আস্থা তাঁর ওপর ছিল না ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের।
তাই রিয়ালে কাজ শুরুর এক বছরও পূর্ণ করতে পারলেন না আলোনসো। ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের দীর্ঘ সভাপতিত্বে তিনিই দশম কোচ, যাঁকে অসম্পূর্ণ মৌসুমেই বিদায় নিতে হলো। তাঁর জায়গায় রিয়াল কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন আলভারো আরবেলোয়ার হাতে। যিনি এর আগে রিয়াল একাডেমির কোচ ছিলেন। এই হুটহাট কোচ বদলে রিয়ালের সত্যিকারের সমস্যাগুলো কি আড়ালে ঢাকা পড়ল না!
রিয়ালের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনায় কোচ হয়ে আসার পর হ্যান্সি ফ্লিকের পারফরম্যান্সও ছিল নড়বড়ে। কিন্তু ক্যাম্প ন্যুতে মানিয়ে নেওয়ার পর ঠিকই তিনি বার্সায় সফল হয়েছেন। আলোনসোকে সেই সময়টাই দিলেন না ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ।

রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো। রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
অথচ কোচ হিসেবে বায়ার লেভারকুসেনে জাভি আলোনসোর অভূতপূর্ব সাফল্যই কার্লো আনচেলত্তির যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে ভাবতে শিখিয়েছিল তাঁকে। ২০২২-২৩ মৌসুমে বুন্দেসলিগার দলটির যখন দায়িত্ব নেন আলোনসো, তখন অবনমন অঞ্চলের আশেপাশে ছিল লেভারকুসেন। সে সময় দলটির কোচ জেরার্দো সিওয়ানের অধীনে ৮ ম্যাচের মাত্র একটি জিতেছিল দলটি। আলোনসো আসার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত টেবিলের ছয় নম্বরে থেকে লিগ শেষ করে। পরের মৌসুমে সাফল্য লুটিয়ে পড়ে আলোনসোর পায়ে! লিগ শিরোপাসহ ঘরোয়া ট্রেবল জেতে লেভারকুসেন। যারা কখনো লিগ জেতেনি, সেই লেভারকুসেন জেতে বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ ও জার্মান সুপার কাপ। আর আলোনসোর দল বুন্দেসলিগা জেতে অপরাজিত থেকে। তখন আলোনসোর ছোঁয়ায় লেভারকুসেন যেন অন্যরকম এক দল।
কোচ হিসেবে আলোনসোর এই অভাবিত সাফল্যে আকৃষ্ট হন রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। সাফল্যের সেই ধারাবাহিকতা পরের মৌসুমে না থাকলেও ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়া কার্লো আনচেলত্তির জায়গায় রিয়ালে পেরেজ নিয়ে আসেন আলোনসোকে। নিজের মতো করে দল গোছানোর স্বাধীনতাও দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। মৌসুমের শুরুটা দুর্দান্তই হয়েছিল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৪ ম্যাচের ১৩টিতেই জিতেছিল রিয়াল। এখনো কি খুব খারাপ রিয়ালের পারফরম্যান্স? আলোনসোর অধীনে ৩৪ ম্যাচের ২৪টিতেই জিতেছে রিয়াল। ৪টিতে ড্র করেছে, হার ৬টিতে। কিন্তু ফ্লোরেন্তিনোর ধ্যানধারণায় যে ‘অজেয় রিয়াল’! ক্লাব কর্তাদের চাহিদা মতো রিয়ালকে অপ্রতিরোধ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারেননি আলোনসো!
কেন পারেননি, এ নিয়েও হতে পারে আলোচনা। যে ফুটবলীয় দর্শন—হাই প্রেস, গতি আর পজিশনাল ফুটবল লেভারকুসেনে তাঁকে সাফল্য পাইয়ে দিয়েছিল, সেটা তিনি বার্নাব্যুতে বাস্তবায়ন করতে পারেননি। মৌসুমের শুরু থেকেই চোটমুক্ত আদর্শ একটা দল পাননি তিনি। দলীয় খেলোয়াড়দের মধ্যেও আশানুরূপ উন্নতি দেখা যায়নি। কারও কারও আচরণ এমনও ছিল, যেন তাঁরা কোচের জন্য খেলেননি!
একটু রয়েসয়েই রিয়ালের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন আলোনসো। কিন্তু তাঁকে সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। লম্বা মৌসুমে শেষ খেলোয়াড়েরা ছিলেন বিশ্রামের মেজাজে। কেউ কেউ পরের মৌসুমে বার্নাব্যুতে থাকবেন কি না, তা নিয়েও একটা অনিশ্চয়তা ছিল। কিন্তু এসব নিয়ে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাঁর চাহিদামতো যেসব খেলোয়াড়কে দলে নিয়ে আসা হয়েছিল, তাঁরা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন। রিয়ালে যোগ দেওয়ার আগে ফ্রাস্কো মাস্তানতুয়ানোকে নিয়ে যত আলোচনা হয়েছে, সে তুলনায় মাঠে কিছুই করতে পারেননি। একমাত্র কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বাদ দিলে সেভাবে আর কেউই কোচের চাহিদামতো দলের হয়ে খেলতে পারেননি। অধারাবাহিক ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আগের এল ক্লাসিকোয় তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ায় যেভাবে ক্ষোভ দেখিয়েছিলেন, সেটাই দলের ওপর আলোনসোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আছে কি না প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। বিনি সুতোর মালা হয়ে দলকে একই সুতোয় বাঁধতে পারেননি তিনি।
একটা উল্টোভাবে বলে এটাও বলা যায়, দলকে একই সূত্রে গাঁথার স্বাধীনতা তাঁকে দেওয়া হয়নি, স্বাধীনতা দেওয়ার মতো আস্থা তাঁর ওপর ছিল না ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের।
তাই রিয়ালে কাজ শুরুর এক বছরও পূর্ণ করতে পারলেন না আলোনসো। ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের দীর্ঘ সভাপতিত্বে তিনিই দশম কোচ, যাঁকে অসম্পূর্ণ মৌসুমেই বিদায় নিতে হলো। তাঁর জায়গায় রিয়াল কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন আলভারো আরবেলোয়ার হাতে। যিনি এর আগে রিয়াল একাডেমির কোচ ছিলেন। এই হুটহাট কোচ বদলে রিয়ালের সত্যিকারের সমস্যাগুলো কি আড়ালে ঢাকা পড়ল না!
রিয়ালের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনায় কোচ হয়ে আসার পর হ্যান্সি ফ্লিকের পারফরম্যান্সও ছিল নড়বড়ে। কিন্তু ক্যাম্প ন্যুতে মানিয়ে নেওয়ার পর ঠিকই তিনি বার্সায় সফল হয়েছেন। আলোনসোকে সেই সময়টাই দিলেন না ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি জিততে চেষ্টার কমতি ছিল না পিএসজির। ক্লাব পর্যায়ে ইউরোপের সেরা হতে লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো সেরা তারকাদের দলে ভিড়িয়েছিল প্যারিসিয়ানরা। এজন্য কাতারি মালিকানাধীন দলটিকে ঢালতে হয়েছে কাড়ি কাড়ি টাকা। তবে মেসি, এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো ফুটবলারদের অধীনে চ্যাম
২১ মিনিট আগে
ভারতের দিল্লি ও গুয়াহাটিতে তিন দিনের ভ্রমণ শেষে আজ ঢাকায় পৌঁছেছে বিশ্বকাপ ট্রফি। সকালে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে স্বাগত অনুষ্ঠানে কাচঘেরা ট্রফির ওপর কালো কাপড় সরিয়ে উপস্থিত সবাইকে ট্রফি দেখার সুযোগ করে দেন ব্রাজিলের হয়ে ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। সেখানে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের
৪২ মিনিট আগে
বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি।
২ ঘণ্টা আগে
সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে পুরুষদের খেলা শুরু হচ্ছে আজ। উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামবে শ্রীলঙ্কা ও ভুটান। একই দিন বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। থাইল্যান্ডের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বিকেল ৪টায়। খেলা দেখা যাবে স্পোর্টজওয়ার্কজ ইউটিউব চ্যানেলে।
৩ ঘণ্টা আগে