
করাচিতে ২৩২ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়েছে পাকিস্তান টেলিভিশন (পিটিভি)। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ২৫৩ বছরের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের পুঁজি নিয়ে জয়ের নতুন বিশ্ব রেকর্ড লিখেছে তারা।
পাকিস্তানের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট প্রেসিডেন্টস ট্রফির ম্যাচে সুই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইন্স লিমিটেডের (এসএনজিপিএল) বিপক্ষে মাত্র ৪০ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় পিটিভি। তাড়া করতে নেমে মাত্র ৩৭ রানেই অলআউট হয়ে যায় সুই নর্দার্ন। তাতে ২ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিটিভি।
পিটিভির হয়ে এই অসাধ্য সাধন করেন বাঁহাতি স্পিনার আলী উসমান। এবারের কায়েদ-ই-আজম ট্রফির সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি উসমান মাত্র ৯ রান খরচায় ৬টি উইকেট নেন। বাকি ৪টি উইকেট শিকার করেন পেসার আমাদ বাট।
এবারের প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে লো-স্কোরিং এবং দ্রুত ম্যাচ শেষ হওয়া নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তবে এই ম্যাচের প্রথম দুই ইনিংস ছিল তুলনামূলক স্বাভাবিক। প্রথম ইনিংসে পিটিভি ১৬৬ রানে অলআউট হওয়ার পর ২৩৮ রান করে ৭২ রানের লিড নেয় এসএনজিপিএল। করাচি স্টেডিয়ামের উইকেট দ্রুত রং বদলাতে থাকায় দ্বিতীয় ইনিংসে পিটিভি মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায়। তখন মনে হচ্ছিল এসএনজিপিএল সহজেই জিততে যাচ্ছে, কিন্তু এরপরই ঘটে সেই অবিশ্বাস্য ঘটনা।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এর আগে এত কম রানের পুঁজি নিয়েও জেতার নজির আর নেই। আগের রেকর্ডটি ছিল ১৭৯৪ সালে; সেবার লর্ডস ওল্ড গ্রাউন্ডে এমসিসিকে ৪১ রানের লক্ষ্য দিয়েও ৬ রানের জয় পেয়েছিল ওল্ডফিল্ড।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠতে পারবে না ভারত–এমন মন্তব্য করেছিলেন মোহাম্মদ আমির। পাকিস্তানের সাবেক পেসারের এই ভবিষ্যদ্বাণী সঠিক হয়নি। সুপার এইটের বাধা অতিক্রম করে শেষ চারে পা রেখেছে সূর্যকুমার যাদবের দল। এরপর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন আমির।
২৯ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থা নাড়িয়ে দিয়েছে পুরো বিশ্বকে। যার প্রভাব পড়ছে ক্রীড়াঙ্গনের ওপরও। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজ হওয়ার কথা থাকলেও সেটা এখন অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের (১১২) চেয়ে র্যাঙ্কিংয়ে ৯৫ ধাপ এগিয়ে থাকা দল চীন (১৭)। কালকের ম্যাচটি তারা হেসেখেলে জিতবে, এমন ধারণা করার লোকও হয়তো বেশি। তবে অঘটনের শঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না চীন কোচ আন্তে মিলিচিচ। হালকা করে দেখার চেয়ে বাংলাদেশকে বরং সমীহই করছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
‘আনপ্রেডিক্টেবল’ পাকিস্তানকে নিয়ে আগেভাগে কিছু অনুমান করা কঠিন। ম্যাচ তো বটেই, কখনো কখনো পুরো টুর্নামেন্টকেই বদলে দেয় তারা। তবে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটেই থেমে গেছে ক্রিকেটারদের পথচলা। বাজে পারফরম্যান্সের খেসারত দিতে হবে ক্রিকেটারদের।
৪ ঘণ্টা আগে