
হারমানপ্রীত কৌরের মতো রোহিত শর্মার নামের পাশেও থাকতে পারতো বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়কের তকমা। কিন্তু খুব কাছে গিয়েও হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে তারকা ব্যাটারকে। ২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারত হারায় স্বপ্নভঙ্গ হয় রোহিতের। তাই বোধহয় মেয়েদের বিশ্বকাপ জয়ের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি।
নভি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোহিত। পরিবার নিয়ে পুরো ম্যাচ উপভোগ করেছেন তিনি। ম্যাচজুড়ে স্বাগতিক দলকে সমর্থন দিয়ে গেছেন এই ক্রিকেটার। বাকিদের মতো রোহিতকেও ভারত নারী দলের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে আত্মহারা হতে দেখা গেছে।
দীপ্তি শর্মার করা ইনিংসের ৪৬ তম ওভারের তৃতীয় বলে হারমানপ্রীতের হাতে ধরা পড়েন নাদিনে ডে ক্লার্ক। ৫২ রানের জয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের। সঙ্গে সঙ্গে গগনবিদারী আওয়াজে প্রকম্পিত হয় পুরো স্টেডিয়াম। খেলোয়াড়রা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে উদযাপনে মাতেন। ঠিক তখনই ক্যামেরায় আটকে যায় একটি দৃশ্য। দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ জয়ী দলকে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন রোহিত। এমন সময় উপরে দিকে তাকান। তখন তাঁর চোখ ছলছল করছিল। যেন আরেকটু হলেই চোখ বেয়ে নেমে আসবে আনন্দ অশ্রু। রোহিত যেন নারী দলের মাঝেই নিজের অপূর্ণতাকে খুঁজে নিতে চাইলেন।
টেস্ট ও টি–টোয়েন্টি থেকে বিদায় নিলেও ভারতের হয়ে ওয়ানডে খেলে যাচ্ছেন রোহিত। সবশেষ অস্ট্রেলিয়া সফরে দল বাজে সময় পার করলেও ব্যাট হাতে চেনা ছন্দেই ছিলেন হিটম্যান। একটি করে সেঞ্চুরি ও ফিফটির দেখা পেয়েছেন তিনি। জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। ফর্ম ধরে রাখতে পারলে ২০২৭ বিশ্বকাপ দলের সঙ্গী হওয়াটা তাঁর জন্য সময়ের ব্যাপার। অর্থাৎ এখনো ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ আছে রোহিতের সামনে।

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
২৩ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে