
নাহিদ রানা বলটা ফেললেন শর্ট অব লেংথে। শাহিন শাহ আফ্রিদি খেলার চেয়ে বরং গা বাঁচানোকেই গুরুত্ব দিলেন। এমন গতিময় বাউন্সারে গা বাঁচাতে পারলেও উইকেট আর বাঁচাতে পারলেন না শাহিন। বল তাঁর গ্লাভস ছুঁয়ে সোজা চলে যায় শর্ট লেগে থাকা মাহমুদুল জয়ের হাতে। বাংলাদেশও নিশ্চিত করে ১০৪ রানের এক ঐতিহাসিক জয়।
মিরপুর টেস্ট শুরুর আগে এই নাহিদ রানাকে ঘিরেই ছিল যত আলোচনা। শাহিন শাহ আফ্রিদি তো বলেই ওঠেন এবার খুব বেশি সুবিধা করতে পারবেন না বাংলাদেশের গতিতারকা। এর জন্যই হয়তো নাহিদ রানা ব্যাটিংয়ে আসেন, তখন তাঁকে বাউন্সার দিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টা করেন শাহিন। একটি বাউন্সার হেলমেটেও মারেন বাঁহাতি এই পেসার। কিন্তু শাহিন জানতেন না এর জবাব তাঁকে পেতে হবে অচিরেই। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও মনে করিয়ে দিলেন সেই কথা।
শুধু শাহিন কেন পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপই আরও একবার ধসে পড়েছে নাহিদ রানার সামনে। শেষ দিনে আজ ২৬৮ রানের লক্ষ্যে ১৬৩ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। ৪০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে নাহিদ রানা উপহার দিলেন তাঁর ক্যারিয়ারসেরা বোলিং।
জয়ের পর শাহিনের সঙ্গে নাহিদ রানার লড়াই নিয়ে শান্ত বলেন, ‘ওরাও জানে যে আসলে রানাকে বাউন্সার মারলে, আবার বাউন্সার খেতে হবে। আমি হলে রানাকে বাউন্সার মারতাম না। কারণ আমার শখ নেই অত জোরে বাউন্সার খেলার। বাংলা ভাষায় যদি বলি যে জবাবটা দিতে পারাটা একটা ভালো দিক। আমাদের ওরকম বোলিং স্ট্রেংথ এখন আছে।’
বোলিংয়ের সময় নাহিদকে খুব একটা পরামর্শ দেওয়া লাগেনি শান্তর, ‘আগে হয়তো একটু বেশি প্রয়োজন হতো এখন ধীরে ধীরে শিখছে, ধীরে ধীরে করছে। কারণ নিজের সঙ্গে নিজের বোঝাপড়া থেকে বল করা গুরুত্বপূর্ণ। যেটা ভবিষ্যতে কাজে দেবে এবং সে নিজে থেকে শিখবে।’

এক দল বিশ্বকাপের চারবারের চ্যাম্পিয়ন। অপর দল এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলছে। প্রথম দুই লাইন পড়ে অনেকেই হয়তো অনুমান করতে পেরেছেন এখানে গত রাতের জার্মানি-কুরাসাও ম্যাচের কথা বলা হচ্ছে। হিউস্টনে গত রাতে নবাগত কুরাসাওকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে জার্মানি। গোলবন্যার এই ম্যাচ মনে করাল তিন বছর আগে আর্জেন্টিন
১৮ মিনিট আগে
ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসে একবারই ফাইনালে উঠেছিল সুইডেন। ১৯৫৮ সালে ঘরের মাঠে আয়োজিত বিশ্বকাপে সুইডিশরা রানার্সআপ হয়েছিল ব্রাজিলের কাছে হেরে। তবে ফুটবল বিশ্বকাপে তারা খুব একটা নিয়মিত নয়। এবার তারা ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ ফিরল ৮ বছর পর।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই নানা ইস্যুতে চলছে সমালোচনা। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা, সেটা না বললেও চলে। গতকাল মেক্সিকোর তিহুয়ানা বেস ক্যাম্প থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছানোর পর থেকে ইরানের ফুটবলার ও কোচ করে চলেছেন একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে শেষ পর্যন্ত যেতেই হলো ইরান ফুটবল দলকে। বেস ক্যাম্প মেক্সিকোতে হলেও ইরানের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। মার্কিন মুলুকে পৌঁছে খোদ আয়োজকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ইরান দলের প্রধান কোচ আমির ঘালেনি। সরাসরি না বললেও দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে