
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে অসংগতির অভিযোগ তুলে জামায়াতের আমির বলেছেন, ‘কোটি-কোটি মানুষ যা শুনল এবং সেদিন তিনি যা বললেন, আর এখন যা বলছেন, তার হিসাব রাষ্ট্রপতি মিলিয়ে দেবেন কি?’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ নিয়ে পোস্ট করেন তিনি।
পোস্টে বলা হয়, ‘৫ই আগস্ট ২০২৪ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অনেক কিছুই চেপে গিয়েছেন। পতিত পলাতক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে উনি উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে যা বলেছিলেন এবং পরবর্তীতে জাতিকে যা জানিয়েছিলেন তাঁর বর্তমান বক্তব্যে তিনি তা স্বীকার করেননি। আর এখন যা বলছেন, সেদিন তার কিছুই তিনি বলেননি।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘কোটি কোটি মানুষ যা শুনল এবং সেদিন তিনি যা বললেন আর এখন যা বলছেন, তার হিসাব রাষ্ট্রপতি মিলিয়ে দেবেন কি?’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘জাতি অবুঝ নয়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ জায়গা থেকে এ রকম আচরণ অগ্রহণযোগ্য।’

উল্লেখ্য, একটি গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার দুই পর্বে প্রকাশিত হয়েছে। ওই সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে তিনি ক্ষোভও প্রকাশ করেন। সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতির অপসারণের আন্দোলন, তাঁকে বিদেশ যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটির নেতারা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দস্যুতা গোটা পৃথিবীকে নতুন করে এক মহাযুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
এবারের নির্বাচনে শুধু জাতীয় পার্টি বাদে সব দল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। শুধু জাতীয় পার্টিই একক দল হিসেবে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। তাই যুক্তিসংগতভাবে বলা যায়, ‘না’ ভোটের পক্ষের অধিকাংশ ভোটই জাতীয় পার্টির, তথা লাঙ্গলের...
১০ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন ও স্বীকৃত আইনি কাঠামোর তোয়াক্কা না করে জাতীয় নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধানদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে হত্যার যে প্রবণতা ক্রমেই...
১০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘ইসরায়েল ইরানকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে কেন? তাদের শক্তির উৎস কোথায়? কোথা থেকে তারা মদদ পায়? সারা বিশ্বের মানুষ জানে। তাদের আক্রমণের মাধ্যমে মনে হয় সেই আদিম যুগের সেই কথা—‘জোর যার মুল্লুক তার’। এখন এটা আদিম যুগ না। জোর যার মুল্লুক বলে আপনি
১২ ঘণ্টা আগে