
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও ঈদ মোবারক জানিয়ে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন। তিনি রাজনীতিবিদ ও দেশবাসীর উদ্দেশে বলেছেন, ‘আসুন আমরা সবাই সব মতভেদ ভুলে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কল্যাণময় রাজনীতি এগিয়ে নিয়ে যাই।’
শুভেচ্ছা বার্তায় জি এম কাদের বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বসবাসরত এবং কর্মরত বাঙালি ভাই ও বোন এবং বিশ্বের অন্য যেকোনো স্থানের মুসলমান ভাইবোনদের জন্য সংহতি, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
জি এম কাদের বলেন, ‘ঈদ অর্থ উৎসব। ঈদুল ফিতরের শিক্ষা ধনী-দরিদ্র সবাই আমরা একসঙ্গে এই উৎসব পালন করব। তাই সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিরাও যাতে এই উৎসবে সমানভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেন, সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।’
দেশের সচ্ছল ব্যক্তিদের আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, ‘আসুন আমরা যারা সচ্ছল ও অবস্থাপন্ন, তারা সবাই সকল অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াই। তাদেরও এই আনন্দময় দিনটিকে সমানভাবে উপভোগ করার সুযোগ করে দিই। ঈদুল ফিতর এক মহামিলনের দিন। এই দিনে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ এক কাতারে শামিল হয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
৮ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে