
জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ২৬টি বিষয়কে অগ্রাধিকার ও ১০টি প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কথা বলেছে। জাতীয় স্বার্থে আপসহীনতা, যুবকদের ক্ষমতায়ন, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত কাঠামো নির্মাণসহ বেশ কয়েকটি বিষয় এতে উঠে এসেছে। আজ বুধবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে এসব বিষয় জানায় জামায়াত।
জামায়াতের ঘোষিত ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং একটি বৈষম্যহীন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক মানবিক রাষ্ট্র গঠনই দলটির মূল লক্ষ্য। এই রূপরেখায় রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের ক্ষমতায়ন ও প্রাধান্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারীদের জন্য নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরির অঙ্গীকার করা হয়েছে।
ইশতেহারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত করা এবং সকল পর্যায়ে সৎ নেতৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে একটি দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
জামায়াত জানিয়েছে, প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক স্মার্ট সমাজ বিনির্মাণে ম্যানুফ্যাকচারিং, কৃষি ও শিল্পসহ নানা সেক্টরে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতি নিশ্চিত করা হবে।
এ ছাড়াও রাজনৈতিক সংস্কার হিসেবে আনুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন ও কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিগত সময়ের রাষ্ট্রীয় গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস সংরক্ষণ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে বলেও জানায় দলটি।
জামায়াত আরও জানায়, কৃষি বিপ্লব ও শিল্পায়নের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি প্রদান এবং প্রবাসীদের ভোটাধিকারসহ সকল অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু ভেদাভেদহীন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতি গঠন, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার এবং পর্যায়ক্রমে বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আধুনিক যাতায়াত ব্যবস্থা, স্বল্পমূল্যে আবাসন এবং সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক একটি আধুনিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করাই এই কর্মসূচির চূড়ান্ত লক্ষ্য বলে জানিয়েছে তারা।
জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্যে বলেছেন, ‘আমরা রাজনীতিতে বলি, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। কিন্তু ৫৪ বছরে সেই স্লোগানের স্বাক্ষর দিতে পেরেছি? এই বৈষম্য ৫৪ বছর আগেও ছিল। ৪৭ থেকে জাতির স্বাধীনতার সূচনা, এরপর বঞ্চনার শিকার হয়ে ৭১। তারপর দফায় দফায় গণ-অভ্যুত্থান। শেষ পর্যন্ত এসে ঠেকেছে চব্বিশে। ২৪-এ খুব সামান্য দাবি ছিল।’
তিনি বলেন, ‘৪৭ না হলে ৭১ হতো না,৭১ না হলে ২৪ পেতাম না। একটি অপরটির সঙ্গে সম্পর্কিত। ইশতেহার কেবল দলীয় কর্মসূচি না, বরং জাতির প্রতি দলের পরিকল্পপনা; এটি একটি জীবন্ত দলিল।’

ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটির নেতারা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দস্যুতা গোটা পৃথিবীকে নতুন করে এক মহাযুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
এবারের নির্বাচনে শুধু জাতীয় পার্টি বাদে সব দল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। শুধু জাতীয় পার্টিই একক দল হিসেবে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। তাই যুক্তিসংগতভাবে বলা যায়, ‘না’ ভোটের পক্ষের অধিকাংশ ভোটই জাতীয় পার্টির, তথা লাঙ্গলের...
১৩ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন ও স্বীকৃত আইনি কাঠামোর তোয়াক্কা না করে জাতীয় নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধানদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে হত্যার যে প্রবণতা ক্রমেই...
১৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘ইসরায়েল ইরানকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে কেন? তাদের শক্তির উৎস কোথায়? কোথা থেকে তারা মদদ পায়? সারা বিশ্বের মানুষ জানে। তাদের আক্রমণের মাধ্যমে মনে হয় সেই আদিম যুগের সেই কথা—‘জোর যার মুল্লুক তার’। এখন এটা আদিম যুগ না। জোর যার মুল্লুক বলে আপনি
১৫ ঘণ্টা আগে