
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরে বাংলাদেশের কোনো প্রাপ্তি নেই বলে মনে করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের ফলাফল অশ্বডিম্ব।’
আজ রোববার বিকেলে পুরানা পল্টনের আইএবি মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দলের প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক ও মিডিয়া সমন্বয়ক আহমদ আবদুল কাইয়ূমের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যার ব্যাপারে কোনো কথা নেই। ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির অধিকার থেকে আমরা বঞ্চিত। সীমান্তে হত্যার ব্যাপারে কোনো আলোচনা নেই। ১০টি সমঝোতা চুক্তি দেশবিরোধী নতুন দাসখত। নতজানু ডামি সরকারের পক্ষে ভালো কিছু করা সম্ভব নয়।’
ভারতের সঙ্গে হওয়া নতুন সমঝোতা চুক্তিকে কালো চুক্তি হিসেবে অভিহিত করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘চুক্তির নামে ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার ষড়যন্ত্র দেশবাসী মেনে নেবে না। ঐক্যবদ্ধভাবে দেশপ্রেমিক জনতা এটি প্রতিহত করবে।’
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী মহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ ও মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম আতিকুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ হারুন অর রশিদ প্রমুখ।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১৬ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১ দিন আগে