নির্বাচনী ইশতেহার
আব্দুল্লাহ আল গালিব, ঢাকা

সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহার চূড়ান্তের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শিগগির তা ঘোষণা করার কথা জানিয়েছে দলটি। নেতারা জানিয়েছেন, জামায়াতে ইসলামীর পরিকল্পিত নির্বাচনী ইশতেহারে অগ্রাধিকার পাচ্ছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান। পাশাপাশি নারী ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার এবং শিক্ষা, চিকিৎসা খাত সংস্কারসহ কিছু বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে ইশতেহারে।
দলীয় সূত্র বলছে, ভোটারদের আকৃষ্ট করতে এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ভিত্তিতে দুর্নীতির মূলোৎপাটনের কথা বলবে জামায়াত। এ ছাড়া শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং জাতীয় সরকার গঠনের মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে তারা। সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণে মিতব্যয়িতার ‘নজিরবিহীন উদাহরণ’ তৈরির পরিকল্পনা করছে দলটি। দলের একাধিক নেতার ভাষ্যমতে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে ঘোষণা থাকছে যে ক্ষমতায় গেলে জামায়াতের কোনো সংসদ সদস্য সরকারি প্লট কিংবা করমুক্ত গাড়ির সুবিধা গ্রহণ করবেন না।
ইশতেহারে কী কী বিষয় থাকতে পারে, অভ্যুত্থান-পরবর্তী বছর দেড়েকের সভা-সেমিনারে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা অনেকবার তার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা প্রায়ই এসেছে। সর্বশেষ গত সোমবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির লেজ নয়, বরং কান ধরে টান দেব। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হবে না।’
শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামায়াতের পরিকল্পনায় ‘আমূল পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে ‘ভঙ্গুর’ আখ্যা দিয়ে এক সভায় জামায়াতের আমির বলেছেন, যে শিক্ষা মানুষের মধ্যে অনৈতিকতা ও দুর্নীতির জন্ম দেয়, তেমন শিক্ষাব্যবস্থা তাঁরা রাখবেন না। পরিবর্তে বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার প্রসারে জোর দেওয়া হবে। জামায়াতের নেতারা বেকারত্ব নিরসনে শিক্ষিত তরুণদের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা কিংবা উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করছেন। দলটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, বেকার ভাতা নয়, শিক্ষাজীবন শেষ করে কোনো তরুণ যেন বেকার না থাকে; সেটা নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য।
ক্ষমতায় গেলে সংখ্যালঘু ও নারীদের অধিকার নিশ্চিতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বার্তা দিচ্ছে জামায়াত। দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন মঙ্গলবার এক সংলাপে বলেন, কর্মক্ষেত্রে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়াও ‘সংখ্যাগুরু’ ও ‘সংখ্যালঘু’ ইত্যাদি শব্দ সমাজ থেকে মুছে ফেলা হবে। সাইফুল আলম খান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই কেবলই নাগরিক হিসেবে পরিচয় পাবেন এবং সম্পত্তি, শিক্ষা ও রাজনীতিতে সমান অধিকার ভোগ করবেন।’
দলের নির্বাচনী ইশতেহার তৈরিতে অনলাইনে জনমত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেছেন, ‘জনতার ইশতেহার’ নামের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জনগণের মতামত সংগ্রহ করা হবে।

সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহার চূড়ান্তের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শিগগির তা ঘোষণা করার কথা জানিয়েছে দলটি। নেতারা জানিয়েছেন, জামায়াতে ইসলামীর পরিকল্পিত নির্বাচনী ইশতেহারে অগ্রাধিকার পাচ্ছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান। পাশাপাশি নারী ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার এবং শিক্ষা, চিকিৎসা খাত সংস্কারসহ কিছু বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে ইশতেহারে।
দলীয় সূত্র বলছে, ভোটারদের আকৃষ্ট করতে এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ভিত্তিতে দুর্নীতির মূলোৎপাটনের কথা বলবে জামায়াত। এ ছাড়া শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং জাতীয় সরকার গঠনের মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে তারা। সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণে মিতব্যয়িতার ‘নজিরবিহীন উদাহরণ’ তৈরির পরিকল্পনা করছে দলটি। দলের একাধিক নেতার ভাষ্যমতে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে ঘোষণা থাকছে যে ক্ষমতায় গেলে জামায়াতের কোনো সংসদ সদস্য সরকারি প্লট কিংবা করমুক্ত গাড়ির সুবিধা গ্রহণ করবেন না।
ইশতেহারে কী কী বিষয় থাকতে পারে, অভ্যুত্থান-পরবর্তী বছর দেড়েকের সভা-সেমিনারে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা অনেকবার তার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা প্রায়ই এসেছে। সর্বশেষ গত সোমবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির লেজ নয়, বরং কান ধরে টান দেব। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হবে না।’
শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামায়াতের পরিকল্পনায় ‘আমূল পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে ‘ভঙ্গুর’ আখ্যা দিয়ে এক সভায় জামায়াতের আমির বলেছেন, যে শিক্ষা মানুষের মধ্যে অনৈতিকতা ও দুর্নীতির জন্ম দেয়, তেমন শিক্ষাব্যবস্থা তাঁরা রাখবেন না। পরিবর্তে বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার প্রসারে জোর দেওয়া হবে। জামায়াতের নেতারা বেকারত্ব নিরসনে শিক্ষিত তরুণদের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা কিংবা উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করছেন। দলটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, বেকার ভাতা নয়, শিক্ষাজীবন শেষ করে কোনো তরুণ যেন বেকার না থাকে; সেটা নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য।
ক্ষমতায় গেলে সংখ্যালঘু ও নারীদের অধিকার নিশ্চিতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বার্তা দিচ্ছে জামায়াত। দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন মঙ্গলবার এক সংলাপে বলেন, কর্মক্ষেত্রে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়াও ‘সংখ্যাগুরু’ ও ‘সংখ্যালঘু’ ইত্যাদি শব্দ সমাজ থেকে মুছে ফেলা হবে। সাইফুল আলম খান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই কেবলই নাগরিক হিসেবে পরিচয় পাবেন এবং সম্পত্তি, শিক্ষা ও রাজনীতিতে সমান অধিকার ভোগ করবেন।’
দলের নির্বাচনী ইশতেহার তৈরিতে অনলাইনে জনমত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেছেন, ‘জনতার ইশতেহার’ নামের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জনগণের মতামত সংগ্রহ করা হবে।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৫ ঘণ্টা আগে