
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়, চায় সংস্কার ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ। ৫ আগস্টের পর তারা নতুন কোনো জালিমের আবির্ভাব দেখতে চায় না। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সাভার পৌর এলাকার মাতৃবাগান মসজিদসংলগ্ন মাঠে ঢাকা-১৯ আসনে ১১ দলীয় জোট-সমর্থিত প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
এনসিপির সাভার উপজেলা আহ্বায়ক জুলকারনাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন ঢাকা-১৯ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী দিলশানা পারুল, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা জেলার আমির দেলোয়ার হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসাইন, রাজনৈতিক সেক্রেটারি হাসান মাহবুব মাস্টার, সাংস্কৃতিক-বিষয়ক সম্পাদক লুৎফর রহমান মোল্লা, সাভার পৌরসভার আমির আজিজুর রহমান, সাভার থানার আমির আব্দুল কাদের ও আশুলিয়া থানার আমির বশির উদ্দিনসহ দলটির স্থানীয় নেতারা।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের পর যারা নতুন করে চাঁদাবাজি, জমি দখল ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত, তারা আইনত জালিম। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সেই জালিমদের প্রতিহত করার দিন। তিনি বলেন, ‘আবার যদি ঋণখেলাপি, ভূমিদস্যু কিংবা বিদেশি নাগরিকত্বধারীরা সংসদে যান, তাহলে দেশে প্রকৃত কোনো পরিবর্তন হবে না। শুধু একটি দলের জায়গায় আরেকটি দল প্রতিস্থাপিত হবে। এ জন্যই মানুষ গণ-অভ্যুত্থান করেনি কিংবা জীবন ও রক্ত দেয়নি।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, দুর্নীতিমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়তে ১১টি দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তাঁরা এবারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন সরকার গঠনের নির্বাচন এবং এর জন্য ৩০০ আসনকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে। এর মধ্যে ঢাকা-১৯ একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সাভার ও আশপাশের এলাকার মানুষ, বিশেষ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছেন। সাভার ছিল ওই আন্দোলনের অন্যতম হটস্পট।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সারা দেশে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের আশা, ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের রায় ১১ দলের পক্ষেই আসবে। সরকার গঠনের মাধ্যমে সংস্কার প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন এবং দেশকে আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদমুক্ত করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ চলবে ঢাকা থেকে। যারা দিল্লির তাঁবেদারি করেছে কিংবা নতুন করে করতে চায়, তাদের রাজনীতি এ দেশে আর প্রতিষ্ঠিত হবে না। দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সারা দেশে ১১ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। শেরপুরে একজন কর্মী নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, লাশের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার পুরোনো রাজনীতি আর চলতে দেওয়া হবে না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি একটি দল বহুদলীয় গণতন্ত্রকে নষ্ট করে দিয়েছে। সেই দলের নেতা যখন দেশে এসে বললেন তাদের একটি প্ল্যান রয়েছে। আমরা সাধুবাদ জানিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম প্ল্যান থাকলে শেয়ার করুন। আমরা চাই বাংলাদেশ পরিবর্তন হোক। আমরা সম্প্রীতির রাজনীতি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখন দেখছি সেই নেতা কোথায় চিনিকল আছে, কোথায় নেই, কোথায় ইপিজেড আছে, কোথায় নেই, কোনটা বাণিজ্যিক রাজধানী, কোথায় ভুট্টা চাষ বেশি হয় তিনি তা কিছুই জানেন না। যার দেশ সম্পর্কে কোনো ধারণ নেই, যিনি ১৭ বছর বিদেশে ছিলেন, জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন, তাঁর দেশ নিয়ে কী প্ল্যান আছে জনগণ ইতিমধ্যেই বুঝে গেছেন।’
ওই নেতার উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, এমন কোনো পরিকল্পনা করা যাবে না, যা দেশকে আরও পিছিয়ে দেবে, ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন করবে কিংবা আধিপত্যবাদের রাজনীতি ফিরিয়ে আনবে। এমন কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না।

ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটির নেতারা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দস্যুতা গোটা পৃথিবীকে নতুন করে এক মহাযুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
এবারের নির্বাচনে শুধু জাতীয় পার্টি বাদে সব দল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। শুধু জাতীয় পার্টিই একক দল হিসেবে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। তাই যুক্তিসংগতভাবে বলা যায়, ‘না’ ভোটের পক্ষের অধিকাংশ ভোটই জাতীয় পার্টির, তথা লাঙ্গলের...
১১ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন ও স্বীকৃত আইনি কাঠামোর তোয়াক্কা না করে জাতীয় নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধানদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে হত্যার যে প্রবণতা ক্রমেই...
১২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘ইসরায়েল ইরানকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে কেন? তাদের শক্তির উৎস কোথায়? কোথা থেকে তারা মদদ পায়? সারা বিশ্বের মানুষ জানে। তাদের আক্রমণের মাধ্যমে মনে হয় সেই আদিম যুগের সেই কথা—‘জোর যার মুল্লুক তার’। এখন এটা আদিম যুগ না। জোর যার মুল্লুক বলে আপনি
১৪ ঘণ্টা আগে