ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংস্কার প্রশ্নে গণভোটকে সামনে রেখে দেশের ২৪ জেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘নির্বাচনী পদযাত্রা’ শুরু হচ্ছে। আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলের নেতা-কর্মীরা চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হবেন।
আগামীকাল সোমবার চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় পদযাত্রা করে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট চাইবেন তাঁরা। দলের প্রধান নাহিদ ইসলাম এই পদযাত্রায় অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে এনসিপি। সোমবার বিকেল পর্যন্ত চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় পদযাত্রা শেষে তাঁরা লক্ষীপুর হয়ে রাতে হাতিয়া পৌঁছাবেন বলে জানিয়েছেন এনসিপির নেতারা।
আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই পদযাত্রা কর্মসূচি চলার কথা রয়েছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে এনসিপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা ২০ টির বেশি জেলা ঘুরে গণভোটের ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচার চালাবেন বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁরা জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রচারণাতেও অংশ নেবেন।
নির্বাচনী পদযাত্রার মুখ্য সমন্বয়ক ও জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম জানান, এটি সারা দেশে চলবে এবং ঢাকায় একটি মহাসমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে। গণভোট ‘কী’, ‘কেন’ এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রয়োজন—তা জনগণের কাছে তুলে ধরাই এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য। সংস্কার, সুশাসন ও সার্বভৌমত্ব-এই তিন বিষয়কে কেন্দ্র করে কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই সনদ বিবেচনায় রেখে বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের মৌখিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ে আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশনায় ‘সংস্কার বাস্তবায়ন বিষয়ক কমিটি’ এবং ‘জুলাই গণহত্যা ও গুমের বিচার পর্যবেক্ষণ বিষয়ক কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটির নেতারা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দস্যুতা গোটা পৃথিবীকে নতুন করে এক মহাযুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
২০ ঘণ্টা আগে
এবারের নির্বাচনে শুধু জাতীয় পার্টি বাদে সব দল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। শুধু জাতীয় পার্টিই একক দল হিসেবে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। তাই যুক্তিসংগতভাবে বলা যায়, ‘না’ ভোটের পক্ষের অধিকাংশ ভোটই জাতীয় পার্টির, তথা লাঙ্গলের...
২১ ঘণ্টা আগে