ফারুক মেহেদী, ঢাকা
সীমা নির্ধারণ করে দেওয়ায় প্রবাসীদের তিন বন্ডে বিনিয়োগে সাড়া নেই। এখন বিনিয়োগ বাড়াতে সুদের হার কমিয়ে সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের। সুদ কমালেও এতে প্রবাসীদের আপত্তি নেই জানিয়ে অর্থমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রীর চিঠিটি অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও এনবিআরের চেয়ারম্যানের কাছে পর্যালোচনা করার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে সঞ্চয় অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, দেশে এখন বৈদেশিক মুদ্রার কোনো ঘাটতি নেই। তাই এসব বন্ডে প্রবাসীদের আগ্রহ বাড়াতে আপাতত সরকারি কোনো উদ্যোগের কথা তাঁরা জানেন না।
অর্থমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তিনি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। তখন দেশটিতে থাকা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রবাসীরা এসব বন্ডে বিনিয়োগ সীমা নিয়ে আপত্তি করেন এবং সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকার বিনিয়োগ সীমা তুলে দেওয়ার দাবি জানান। সুদের হার কমালে বা কমিয়ে অর্ধেক করলেও এতে প্রবাসীদের কোনো আপত্তি নেই বলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী চিঠিতে উল্লেখ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন, এতে প্রবাসীরা লাভবান হবেন এবং বাংলাদেশও রিজার্ভের দিক থেকে সমৃদ্ধ হবে।
এনবিআরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগের কথা এখনো জানা যায়নি। তবে সঞ্চয় অধিদপ্তরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, সিলিং নির্ধারণ করে দেওয়ার পর থেকে এসব বন্ডে বিনিয়োগে তেমন সাড়া নেই। তারপরও বাংলাদেশ ব্যাংকে যেহেতু বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহে ঘাটতি নেই, তাই সিলিং বাড়ানোর কোনো পদক্ষেপের কথা তাঁরা শোনেননি।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি মনে করি, সিলিং বাড়াতে পারে। এতে প্রবাসীরা উদ্বুদ্ধ হবে। তারা দেশে বিনিয়োগ করতে চায়। কারণ বিদেশে ব্যাংকে টাকা রাখলে তেমন লাভ নেই।
সেখানে সুদের হার অনেক কম। অনেক ক্ষেত্রে নেতিবাচক। তারা এখানে জমিয়ে ব্যাংকেই রাখে। তার চেয়ে ভালো যদি দেশে রেখে বেশি টাকা পায়, এটা তাদের জন্য লাভজনক। তবে কোনোভাবেই সুদের হার কমানো উচিত হবে না।’
দেশে প্রবাসীদের অর্থপ্রবাহ ও বিনিয়োগ বাড়াতে তিন ধরনের বন্ড চালু করে সরকার। এর মধ্যে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড ১৯৮২ সালে চালু হয়। ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড চালু হয় ২০০২ সালে। ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট মূলত প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে আর অপর দুই বন্ডে বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানোর লক্ষ্যে চালু করা হয়।
বিদায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাসেই মোট ২২০ কোটি ১৫ লাখ টাকার প্রবাসী বন্ড বিক্রি হয়েছিল। এর মধ্যে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে সবচেয়ে বেশি, ১৬৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ডে ১০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে ৪৬ কোটি ১১ লাখ টাকা বিনিয়োগ হয়। সঞ্চয় অধিদপ্তর জানায়, সিলিং নির্ধারণের পর এ হার অনেক কমে গেছে।
সীমা নির্ধারণ করে দেওয়ায় প্রবাসীদের তিন বন্ডে বিনিয়োগে সাড়া নেই। এখন বিনিয়োগ বাড়াতে সুদের হার কমিয়ে সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের। সুদ কমালেও এতে প্রবাসীদের আপত্তি নেই জানিয়ে অর্থমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রীর চিঠিটি অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও এনবিআরের চেয়ারম্যানের কাছে পর্যালোচনা করার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে সঞ্চয় অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, দেশে এখন বৈদেশিক মুদ্রার কোনো ঘাটতি নেই। তাই এসব বন্ডে প্রবাসীদের আগ্রহ বাড়াতে আপাতত সরকারি কোনো উদ্যোগের কথা তাঁরা জানেন না।
অর্থমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তিনি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। তখন দেশটিতে থাকা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রবাসীরা এসব বন্ডে বিনিয়োগ সীমা নিয়ে আপত্তি করেন এবং সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকার বিনিয়োগ সীমা তুলে দেওয়ার দাবি জানান। সুদের হার কমালে বা কমিয়ে অর্ধেক করলেও এতে প্রবাসীদের কোনো আপত্তি নেই বলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী চিঠিতে উল্লেখ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন, এতে প্রবাসীরা লাভবান হবেন এবং বাংলাদেশও রিজার্ভের দিক থেকে সমৃদ্ধ হবে।
এনবিআরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগের কথা এখনো জানা যায়নি। তবে সঞ্চয় অধিদপ্তরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, সিলিং নির্ধারণ করে দেওয়ার পর থেকে এসব বন্ডে বিনিয়োগে তেমন সাড়া নেই। তারপরও বাংলাদেশ ব্যাংকে যেহেতু বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহে ঘাটতি নেই, তাই সিলিং বাড়ানোর কোনো পদক্ষেপের কথা তাঁরা শোনেননি।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি মনে করি, সিলিং বাড়াতে পারে। এতে প্রবাসীরা উদ্বুদ্ধ হবে। তারা দেশে বিনিয়োগ করতে চায়। কারণ বিদেশে ব্যাংকে টাকা রাখলে তেমন লাভ নেই।
সেখানে সুদের হার অনেক কম। অনেক ক্ষেত্রে নেতিবাচক। তারা এখানে জমিয়ে ব্যাংকেই রাখে। তার চেয়ে ভালো যদি দেশে রেখে বেশি টাকা পায়, এটা তাদের জন্য লাভজনক। তবে কোনোভাবেই সুদের হার কমানো উচিত হবে না।’
দেশে প্রবাসীদের অর্থপ্রবাহ ও বিনিয়োগ বাড়াতে তিন ধরনের বন্ড চালু করে সরকার। এর মধ্যে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড ১৯৮২ সালে চালু হয়। ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড চালু হয় ২০০২ সালে। ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট মূলত প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে আর অপর দুই বন্ডে বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানোর লক্ষ্যে চালু করা হয়।
বিদায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাসেই মোট ২২০ কোটি ১৫ লাখ টাকার প্রবাসী বন্ড বিক্রি হয়েছিল। এর মধ্যে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে সবচেয়ে বেশি, ১৬৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ডে ১০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে ৪৬ কোটি ১১ লাখ টাকা বিনিয়োগ হয়। সঞ্চয় অধিদপ্তর জানায়, সিলিং নির্ধারণের পর এ হার অনেক কমে গেছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ‘ইতিহাসের সেরা ভোট’ উপহার দেওয়ার প্রত্যয় রাখলেও সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছে এএমএম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। এ লক্ষ্যে কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ার করে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের নৈতিকতা, পেশাদারি ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিই
১ ঘণ্টা আগেসপ্তাহের ব্যবধানে ফার্মের মুরগি ও ডিমের দাম কিছুটা কমলেও সবজির দামে এখনো নাকাল ক্রেতারা। বাজারে ১০০ টাকার নিচে সবজি পাওয়া যাচ্ছে হাতে গোনা কয়েকটি। এর মধ্যে গত এক সপ্তাহে বেশ কয়েক ধরনের সবজির দাম আরও ১০-২০ টাকা বেড়ে শতকের ঘর ছুঁই ছুঁই করছে।
১২ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রশাসন বিভাগের উপপরিচালক ও সাবেক চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব আমজাদ হোসেনকে দুর্নীতি-অসদাচরণের অভিযোগে চাকরি থেকে স্থায়ী বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগেত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মাধ্যমে ভোটের ট্রেন চালু করে দিল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে গতকাল বৃহস্পতিবার রোডম্যাপ ঘোষণা করেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
১৪ ঘণ্টা আগে