নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিন দফা দাবি মানা না হলে পরদিন থেকে আমরণ অনশনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা।
রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আজ শনিবার দিনভর অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশ শেষে তাঁরা এই ঘোষণা দেন। সহকারী শিক্ষকদের ছয়টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’ এই মহাসমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘সহকারী শিক্ষকদের ইতিহাস খুব পুরোনো না হলেও একেবারে কম নয়। ২০১৩ সাল থেকে এটা শুরু হয়। আমাদের অর্জন নেহায়েত কম নয়। তবে বেতনবৈষম্য আজও দূর হয়নি। বিগত সরকারের সময়ে রাতের অন্ধকারে আমাকে “জঙ্গি” তকমা দিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বর্তমানেও আমাদের রাজনৈতিক ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। আমরা কোনো দলের নই। আমরা শুধু আমাদের দাবি আদায়ে এখানে এসেছি।’
জাতীয় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের সভাপতি শাহিনুর আক্তার বলেন, ‘বাংলাদেশে শিক্ষকেরা শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানই করেন না, বরং তাঁরা আরও অনেক কাজ করে থাকেন। কিন্তু তাঁরা অবহেলিত। সারা বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশে শিক্ষকদের বেতন অত্যন্ত কম। আমরা এই বৈষম্যের অবসান চাই। আমাদের দাবি না মানলে কঠোর থেকে কঠোরতর কর্মসূচি আসবে।’
শিক্ষকদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—সহকারী শিক্ষকদের এন্ট্রিপদে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ ১০০ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ এবং ১০ বছর ও ১৬ বছরের উচ্চতর গ্রেড প্রদানে উন্নীত স্কেলকে উচ্চতর গ্রেড হিসেবে বিবেচনা না করা।
এই তিন দফা দাবিতে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকেরা গত মে মাসের শেষ দিকে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন।
সে সময় শিক্ষক নেতাদের ডেকে বৈঠক করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। বৈঠকে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। কিন্তু গত কয়েক মাসে দাবিদাওয়া পূরণের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের।
তাঁরা বলেন, প্রাথমিকের একজন সহকারী শিক্ষক তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর সমমানের বেতন পান। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রথম শ্রেণির নাগরিক আশা করা যায় না। তাই উন্নত জাতি গড়তে হলে এই শিক্ষকদের সম্মান দিতে হবে। তাঁদের প্রতি হয়ে আসা সব বৈষম্য দূর করতে হবে।
তিন দফা দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি মো. আনিসুর রহমান বলেন, মামলা জটিলতায় সহকারী শিক্ষকেরা দীর্ঘদিন পদোন্নতি বঞ্চিত। তাই তাঁরা প্রধান শিক্ষকের শতভাগ পদে পদোন্নতির সুযোগ চাচ্ছেন। উচ্চতর গ্রেড একজন সরকারি চাকরিজীবীর প্রাপ্য হলেও সেটি নিয়েও জটিলতা রয়েছে। আর সহকারী শিক্ষকদের প্রাণের দাবি একাদশ গ্রেডে বেতন। বর্তমান আর্থসামাজিক বাস্তবতায় সহকারী শিক্ষকদের ন্যায্য বেতন না দিলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব হবে না।
মহাসমাবেশ থেকে বেলা ২টার দিকে সহকারী শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে যান।
সেখান থেকে ফিরে শিক্ষক নেতা মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দাবি পূরণে পদক্ষেপ নেওয়ার সময় দিয়েছি। এ সময়ের মধ্যে আমরা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাক্ষাৎ চাই। না হলে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে আমরা আমরণ অনশনে বসব।’
মহাসমাবেশে যোগ দিয়ে শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল এ বি এম ফজলুল করিমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিন দফা দাবি মানা না হলে পরদিন থেকে আমরণ অনশনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা।
রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আজ শনিবার দিনভর অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশ শেষে তাঁরা এই ঘোষণা দেন। সহকারী শিক্ষকদের ছয়টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’ এই মহাসমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘সহকারী শিক্ষকদের ইতিহাস খুব পুরোনো না হলেও একেবারে কম নয়। ২০১৩ সাল থেকে এটা শুরু হয়। আমাদের অর্জন নেহায়েত কম নয়। তবে বেতনবৈষম্য আজও দূর হয়নি। বিগত সরকারের সময়ে রাতের অন্ধকারে আমাকে “জঙ্গি” তকমা দিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বর্তমানেও আমাদের রাজনৈতিক ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। আমরা কোনো দলের নই। আমরা শুধু আমাদের দাবি আদায়ে এখানে এসেছি।’
জাতীয় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের সভাপতি শাহিনুর আক্তার বলেন, ‘বাংলাদেশে শিক্ষকেরা শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানই করেন না, বরং তাঁরা আরও অনেক কাজ করে থাকেন। কিন্তু তাঁরা অবহেলিত। সারা বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশে শিক্ষকদের বেতন অত্যন্ত কম। আমরা এই বৈষম্যের অবসান চাই। আমাদের দাবি না মানলে কঠোর থেকে কঠোরতর কর্মসূচি আসবে।’
শিক্ষকদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—সহকারী শিক্ষকদের এন্ট্রিপদে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ ১০০ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ এবং ১০ বছর ও ১৬ বছরের উচ্চতর গ্রেড প্রদানে উন্নীত স্কেলকে উচ্চতর গ্রেড হিসেবে বিবেচনা না করা।
এই তিন দফা দাবিতে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকেরা গত মে মাসের শেষ দিকে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন।
সে সময় শিক্ষক নেতাদের ডেকে বৈঠক করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। বৈঠকে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। কিন্তু গত কয়েক মাসে দাবিদাওয়া পূরণের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের।
তাঁরা বলেন, প্রাথমিকের একজন সহকারী শিক্ষক তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর সমমানের বেতন পান। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রথম শ্রেণির নাগরিক আশা করা যায় না। তাই উন্নত জাতি গড়তে হলে এই শিক্ষকদের সম্মান দিতে হবে। তাঁদের প্রতি হয়ে আসা সব বৈষম্য দূর করতে হবে।
তিন দফা দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি মো. আনিসুর রহমান বলেন, মামলা জটিলতায় সহকারী শিক্ষকেরা দীর্ঘদিন পদোন্নতি বঞ্চিত। তাই তাঁরা প্রধান শিক্ষকের শতভাগ পদে পদোন্নতির সুযোগ চাচ্ছেন। উচ্চতর গ্রেড একজন সরকারি চাকরিজীবীর প্রাপ্য হলেও সেটি নিয়েও জটিলতা রয়েছে। আর সহকারী শিক্ষকদের প্রাণের দাবি একাদশ গ্রেডে বেতন। বর্তমান আর্থসামাজিক বাস্তবতায় সহকারী শিক্ষকদের ন্যায্য বেতন না দিলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব হবে না।
মহাসমাবেশ থেকে বেলা ২টার দিকে সহকারী শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে যান।
সেখান থেকে ফিরে শিক্ষক নেতা মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দাবি পূরণে পদক্ষেপ নেওয়ার সময় দিয়েছি। এ সময়ের মধ্যে আমরা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাক্ষাৎ চাই। না হলে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে আমরা আমরণ অনশনে বসব।’
মহাসমাবেশে যোগ দিয়ে শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল এ বি এম ফজলুল করিমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
প্রথিতযশা সাংবাদিক, দৈনিক আজকের পত্রিকার জ্যেষ্ঠ সহকারী সম্পাদক বিভুরঞ্জন সরকারকে স্মরণ করলেন তাঁর সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা। রাজধানীর বনশ্রীতে পত্রিকার কার্যালয়ে গতকাল শনিবার বিকেলে এক শোকসভায় সহকর্মীরা তাঁর কর্মময় জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন।
৪ ঘণ্টা আগে৯২৭ কোটি টাকায় ২০০টি মিটারগেজ যাত্রীবাহী কোচ কেনার একটি প্রকল্প ৯ বছর পর বাতিল করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। চীনের একটি কোম্পানি থেকে কোচগুলো কেনার এই প্রকল্প বাতিল হয়েছে ঋণের শর্ত অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায়।
৫ ঘণ্টা আগেদেশের বতর্মান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা করতে আগামীকাল রোববার বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক করবেন।
১১ ঘণ্টা আগেত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, ‘কোনো শক্তি তা প্রতিহত করতে পারবে না।’
১২ ঘণ্টা আগে