বাংলাদেশে এখনো নিরাপদ ও জনবান্ধব সড়ক, রেল ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির কারণে টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বাড়ছে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবার। একই সঙ্গে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক গতিও ব্যাহত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতির জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবকে দায়ী করে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন নিরাপদ ও জনবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে নির্বাচনী অঙ্গীকার প্রত্যাশা করেছে।
আজ মঙ্গলবার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল পুনর্গঠন করে এর অধীনে বিআরটিএ, বিআরটিসি ও ডিটিসিএ পরিচালনা করতে হবে এবং কাউন্সিলকে আইন ও বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের পাশাপাশি শীর্ষ পদে প্রশাসন ক্যাডারের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু, যানজট কমাতে স্কুল-কলেজের নিজস্ব বাস সার্ভিস বাধ্যতামূলক করা এবং প্রয়োজনে সহজ শর্তে ঋণ ও শুল্ক সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন এবং যানবাহনে আইটিএস, জিপিএস ও আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার দাবি জানানো হয়েছে।
মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার করতে হবে এবং দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া দাবি জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সড়ক থেকে সব ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার এবং দক্ষ চালক তৈরিতে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিয়ে তাদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। মহাসড়কের দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকায় ট্রমা কেয়ার সেন্টার স্থাপন, থ্রি-হুইলার ও ছোট যানবাহনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করে নিরাপদ রোড ডিজাইন নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত রোড সেফটি অডিটের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সড়ক, রেল ও নৌ পরিবহন একীভূত করে একটি অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠন, প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ, সড়ক ব্যবহারকারীদের সচেতনতা বাড়াতে জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ এবং সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তায় বছরে ৭০০ কোটি টাকার ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের দাবি জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

কমিশন নয়, গুমের অভিযোগ তদন্ত করবে পুলিশ তথা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কোনো বাহিনীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের তদন্তও করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়ায় এমন বিধান রাখা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় এই খসড়া করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন গুম-খুনের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সদস্যরা। আজ রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষের বাইরে সাক্ষাৎ করেন তাঁরা।
৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পৃথক দুটি জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। আজ রোববার বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদে অর্থ মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত ১০ জন করে সদস্য নিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন বিজেপির চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪...
৯ ঘণ্টা আগে