
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পর্যটক ইয়াসির আরাফাত থাকেন লন্ডন শহরে। থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানিয়েছেন, কোন দেশটি কোন ধরনের পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য আদর্শ।
আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভ্রমণ বিষয়ে আগ্রহ জন্মেছে বেশ অনেক দিন হলো। তরুণেরা এখন দেশ তো বটেই, বিদেশে ভ্রমণও পছন্দ করছেন। ফলে তাঁদের মধ্যে ভ্রমণ গন্তব্যের তুলনা ও প্রতিতুলনার একটা সংস্কৃতি জারি আছে।
বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া—দুটি দেশই বেশ জনপ্রিয় গন্তব্য। ২০২৩ সালে থাইল্যান্ড এবং এই বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে মালয়েশিয়া ভ্রমণ করেছি। অনেকে জানতে চান, এই দুটি দেশের মধ্যে ভ্রমণ করার জন্য যেকোনো একটি দেশ বাছাই করতে বলা হয়, তাহলে কোনটি করা উচিত?
ভ্রমণের জন্য দুটি দেশই চমৎকার দুটি গন্তব্য। ভালো না লাগার কোনো উপায় নেই। কিন্তু কোনটি বেশি ভালো, সেটি নির্ভর করবে আপনার ব্যক্তিগত পরিস্থিতির ওপর। যদি ব্যাচেলর অথবা সোলো ট্যুর করতে চান, তাহলে থাইল্যান্ড সেরা। আর যদি পরিবার নিয়ে রিল্যাক্সিং ট্যুর করতে চান, তাহলে কোনো সন্দেহ ছাড়া মালয়েশিয়া সেরা।
থাইল্যান্ড
ব্যাকপ্যাকার্সদের জন্য থাইল্যান্ড সেই ষাট-সত্তরের দশক থেকে জনপ্রিয় একটি ভ্রমণ গন্তব্য। বিশেষ করে পশ্চিমা পর্যটকদের কাছে। পশ্চিম থেকে অসংখ্য তরুণ ব্যাকপ্যাকার্স থাইল্যান্ড ভ্রমণে যান মূলত দেশটিতে জীবনযাপন ব্যয় কম হওয়ার কারণে। এ ছাড়া থাইল্যান্ডে অনেক ধরনের ফান অ্যাকটিভিটি করা সহজ। এর বাইরে মনোরম প্রাকৃতিক এবং কালচারাল হেরিটেজ তো রয়েছেই। এ জন্যই বলছি, আপনি ব্যাচেলর কিংবা সোলো ট্রাভেলার হলে থাইল্যান্ড গিয়ে খুব সহজে দেশি-বিদেশি অনেক নতুন বন্ধু বানাতে পারবেন।

তরুণেরা সাধারণত যে ধরনের ফান অ্যাকটিভিটি পছন্দ করেন, তার প্রায় সবকিছুই খুব সহজে পাওয়া সম্ভব থাইল্যান্ডে। তা ছাড়া দেশটির বিভিন্ন দ্বীপ থেকে যদি আপনারা কোনো ডে ট্যুর করেন, তাহলে দেখতে পাবেন সেসব ডে ট্যুরে অংশ নেওয়া প্রায় ৯০ শতাংশ সদস্য সোলো পর্যটক অথবা কাপল। শিশুসহ পরিবার খুব কম পাওয়া যায়। এসব কারণে বলব, কেউ একা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে ভ্রমণে যেতে চাইলে থাইল্যান্ড বেশি ভালো লাগবে।
মালয়েশিয়া
অন্যদিকে মালয়েশিয়ার ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রি পুরোপুরি ভিন্নভাবে গঠিত হয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিক থেকে থাইল্যান্ডের সঙ্গে অনেক মিল থাকলেও মালয়েশিয়া হচ্ছে পারিবারিক ভ্রমণের জন্য আদর্শ। মালয়েশিয়ার সাবাহ এবং লাংকাউইতে যত ডে ট্যুর করেছি, প্রতিটি ট্যুরেই দেখেছি, যাঁরা আমার সঙ্গে ছিলেন, তাঁদের প্রায় সবাই পরিবারসহ ভ্রমণে গিয়েছিলেন। প্রায় সবার সঙ্গে ছিল বিভিন্ন বয়সের শিশু। ব্যাচেলরও ছিলেন, কিন্তু তাঁদের সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। সবাই নিজ নিজ পরিবার নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তাই অপরিচিত কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করাও অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। তা ছাড়া থাইল্যান্ডের মতো মালয়েশিয়ার রাস্তাঘাটে অস্বস্তিদায়ক কোনো পরিবেশ নেই, তাই শিশুদের নিয়ে ঘোরাঘুরি করা খুব আরামদায়ক। সোলো পর্যটকদের কাছে বিষয়টি বোরিং লাগতে পারে। কিন্তু সন্তানসহ পরিবার নিয়ে ভ্রমণের জন্য আইডিয়াল পরিবেশ পাওয়া যাবে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে শুরু করে দেশটির বিভিন্ন ছোট-বড় দ্বীপেও।
আসলে সেরা বলতে কিছু নেই। সেটি নির্ভর করবে আপনার ব্যক্তিগত পরিস্থিতির ওপর। পরিবার নিয়ে গেলে মালয়েশিয়া এবং একা গেলে হয়তো থাইল্যান্ড বেশি ভালো লাগবে।

ওজন কমানো মানেই চর্বি ছেঁটে ফেলা। এই ওজন কমানোর যাত্রায় আমরা প্রায়ই সব চর্বিকে একই নজরে দেখি। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, সব চর্বি সমান নয়। আমাদের ত্বকের ঠিক নিচে যে চর্বি জমে, তা দেখতে খারাপ লাগলেও শরীরের জন্য ততটা বিপজ্জনক নয়। আসল শত্রু হলো ‘ভিসারেল ফ্যাট’ বা পেটের গভীরে থাকা চর্বি।
১০ ঘণ্টা আগে
কতটা সুস্থ থাকবেন, তা নির্ভর করে আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপন কেমন। প্রতিদিন কী ধরনের বাসনকোসন ব্যবহার করছেন, কেমন খাবার খাচ্ছেন—এসব ব্যাপার যেমন স্বাস্থ্য়ের ওপর প্রভাব ফেলে, তেমনি এগুলোর প্রভাব পরিবেশের ওপরও পড়ে। নিজের স্বাস্থ্য ও বাড়ির পরিবেশ ভালো রাখার জন্য সব সময় বড় কোনো উদ্যোগই নিতে হবে এমন....
১২ ঘণ্টা আগে
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি কনভেনশন হলে ‘সুফি নাইটস ও ডিনার’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
১৩ ঘণ্টা আগে
অনেকেই বলেন বাথরুমে বসে নাকি সবচেয়ে সৃজনশীল বুদ্ধিটা মাথায় আসে। মনে আছে ছোটবেলায় শোনা বিশ্বখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের সেই গল্প। যেখানে বিজ্ঞানী এই মনীষী গোসলের টাবে নামতে গিয়েই পদার্থবিজ্ঞানের একটি যুগান্তকারী সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে