পর্বতারোহণের অনুমতি, সরকারি আয় এবং এক দিনে বেশিসংখ্যক আরোহীর চূড়ায় পৌঁছানো—এই তিন ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ড গড়েছে নেপাল।
এ বছর শুধু চূড়ায় ওঠার সংখ্যাই নয়, রেকর্ড হয়েছে আগ্রহেও। শুধু এভারেস্ট আরোহণের জন্য এ বছর ৪৯৫টি পারমিট দিয়েছে নেপাল সরকার। যেটি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ১৯৫৩ সালের প্রথম সামিটের পর একসঙ্গে এক মৌসুমে এতসংখ্যক মানুষ আগে কখনো অনুমতি নেননি। এর ফলে সরকারের আয় বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। শুধু এভারেস্ট আরোহণের অনুমতি থেকে নেপাল সরকার আয় করেছে এক বিলিয়নের বেশি নেপালি রুপি। পর্যটন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এই আয় শুধু সরকারের কোষাগারেই জমা হচ্ছে না, এর সুফল পৌঁছে যাচ্ছে পাহাড়ি অঞ্চলের হাজারো মানুষের জীবনে।
এবার এভারেস্টে আরোহণের অনুমতি পাওয়া ৪৯৫ জন পর্বত আরোহী এসেছেন ৫৫ দেশ থেকে। এভারেস্ট সামিটের জন্য আরোহীদের পরিচালনা, বিমা এবং অন্যান্য ব্যয় বাদে রয়্যালটি দিতে হয় ১৫ হাজার ডলার। অন্যদিকে নেপালি পর্বতারোহীদের দিতে হয় ১ লাখ ৫০ হাজার রুপি।
গত ২০ মে এক দিনে নেপালের দিক দিয়ে ২৭৪ জন পর্বত আরোহী এভারেস্ট সামিট করেন। বিশ্বের সর্বোচ্চ এই পর্বতের চূড়ায় এক দিনে এত মানুষ এর আগে কখনো সফলভাবে সামিট করেননি। এর আগে ২০১৯ সালের ২২ মে নেপালের দিক থেকে ২২৩ জন পর্বতারোহী এক দিনে এভারেস্ট সামিট করেছিলেন।
সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

ওজন কমানো মানেই চর্বি ছেঁটে ফেলা। এই ওজন কমানোর যাত্রায় আমরা প্রায়ই সব চর্বিকে একই নজরে দেখি। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, সব চর্বি সমান নয়। আমাদের ত্বকের ঠিক নিচে যে চর্বি জমে, তা দেখতে খারাপ লাগলেও শরীরের জন্য ততটা বিপজ্জনক নয়। আসল শত্রু হলো ‘ভিসারেল ফ্যাট’ বা পেটের গভীরে থাকা চর্বি।
৭ ঘণ্টা আগে
কতটা সুস্থ থাকবেন, তা নির্ভর করে আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপন কেমন। প্রতিদিন কী ধরনের বাসনকোসন ব্যবহার করছেন, কেমন খাবার খাচ্ছেন—এসব ব্যাপার যেমন স্বাস্থ্য়ের ওপর প্রভাব ফেলে, তেমনি এগুলোর প্রভাব পরিবেশের ওপরও পড়ে। নিজের স্বাস্থ্য ও বাড়ির পরিবেশ ভালো রাখার জন্য সব সময় বড় কোনো উদ্যোগই নিতে হবে এমন....
৮ ঘণ্টা আগে
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি কনভেনশন হলে ‘সুফি নাইটস ও ডিনার’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
৯ ঘণ্টা আগে
অনেকেই বলেন বাথরুমে বসে নাকি সবচেয়ে সৃজনশীল বুদ্ধিটা মাথায় আসে। মনে আছে ছোটবেলায় শোনা বিশ্বখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের সেই গল্প। যেখানে বিজ্ঞানী এই মনীষী গোসলের টাবে নামতে গিয়েই পদার্থবিজ্ঞানের একটি যুগান্তকারী সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন।
১২ ঘণ্টা আগে