ফিচার ডেস্ক

ভিয়েতনামের সংস্কৃতির প্রধান ভিত্তি তেত কিংবা চান্দ্র নববর্ষ। এটি শুধু একটি ক্যালেন্ডার পরিবর্তন নয়, বরং ভিয়েতনামের মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য এবং পারিবারিক পুনর্মিলনের এক মহোৎসব। ভিয়েতনামের প্রতিটি প্রান্তে এ সময়ে এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। পরিবারগুলো একত্র হয় এবং তাদের পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। সবাই মিলে আসন্ন বছরে সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা করে। সরকারিভাবে এই ছুটির মেয়াদ মাত্র এক সপ্তাহ। কিন্তু বাস্তবে তেতের প্রস্তুতি এবং এর রেশ থাকে অনেক দিন ধরে।
এ সময় প্যাগোডাগুলোয় থাকে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ঘরবাড়ি পরিষ্কার করে ফুল দিয়ে সাজানো এবং বিশেষ ঐতিহ্যবাহী খাবারের ঘ্রাণে পুরো দেশ এক মায়াবী রূপ ধারণ করে। ভিয়েতনাম ভ্রমণের ভালো সময় এটি। চলতি বছর তেত উৎসব শুরু হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। এর আগের সপ্তাহে আপনি বাজারের জাঁকজমক এবং উৎসবের প্রস্তুতিও উপভোগ করতে পারবেন।
কোথায় যেতে পারেন
হ্যানয়
ঐতিহ্যবাহী আমেজ পেতে চাইলে হ্যানয় শহর ভালো গন্তব্য। উত্তরের এই শহরে তেত উদ্যাপিত হয় অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে। হ্যানয়ের ওল্ড কোয়ার্টার এলাকায় উৎসবের আসল রূপ দেখা যায়। পুরো
শহর ফুলে ফুলে সাজানো থাকে, বিশেষ করে পিচ ব্লসম বা গোলাপি আভার ফুলে। এই সময় হোয়ান কিম লেকের চারপাশে আতশবাজি, প্যাগোডাগুলোয় মানুষের উপচে পড়া ভিড় এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি করে।
হো চি মিন সিটি
আধুনিকতা ও জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশ পেতে চাইলে যেতে হবে দক্ষিণের এই শহরে। তেতের সময় আলো ও ফুলের নগরীতে পরিণত হয় এটি। এখানকার গুয়েন হুয়ে ফ্লাওয়ার স্ট্রিট পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। ১৩ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করা যায়। মাইলের পর মাইল রাস্তা জুড়ে হয় ফুলের প্রদর্শনী। শহরের প্রধান পয়েন্টগুলোয় বিশাল সব ড্রাগনের নাচ এবং চোখধাঁধানো আতশবাজির প্রদর্শনী হয়। উৎসবের ১ সপ্তাহ আগে থেকে প্রতিটি শহরে ফুলের বাজার বসে, যা ছবি তোলার জন্য সেরা জায়গা।
হোই আন
লণ্ঠনের এক মায়াবী শহর হোই আন। ইউনেসকো স্বীকৃত এই প্রাচীন শহর এমনিতেই লণ্ঠনের জন্য বিখ্যাত। কিন্তু নববর্ষে এটি রূপকথার মতো হয়ে যায়। থু বোন নদীর ওপর হাজার হাজার রঙিন লণ্ঠন ভাসিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তার দুই পাশের প্রাচীন বাড়িগুলো প্রদীপের আলোয় সেজে ওঠে। এখানে প্রথাগত লোকসংগীতের আসর বসে এবং পর্যটকেরা স্থানীয়দের সঙ্গে রান্নায় অংশ নিতে পারে।
হুয়ে
রাজকীয় উৎসব দেখতে চাইলে ভিয়েতনামের সাবেক এই রাজধানী শহরে যেতে হবে; যেখানে রাজকীয় ঐতিহ্যে নববর্ষ উদ্যাপন করা হয়। সেখানকার ইম্পেরিয়াল সিটির ভেতরে প্রাচীন রাজকীয় কায়দায় পতাকা উত্তোলন এবং বিভিন্ন উৎসব উদ্যাপিত হয়, যা আপনাকে ইতিহাসের স্বাদ দেবে।
যাওয়ার আগের প্রস্তুতি
তেত উৎসবের সময় ভিয়েতনাম ভ্রমণ যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। এই সময়ে যাতায়াতব্যবস্থা কঠিন হয়ে পড়ে, দোকানপাট বন্ধ থাকে এবং চারপাশের পরিবেশ অন্য সময়ের চেয়ে আলাদা থাকে। তবে ফুলেল রাস্তা, আতশবাজি আর উৎসবের আমেজ এই কষ্টকে সার্থক করে তোলে। পর্যটকদের জন্য অবশ্য ভিন্ন ব্যবস্থাও থাকে। যেহেতু এটি ভিয়েতনামের প্রধান ছুটির সময়, তাই এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ফ্লাইট এবং হোটেলের খোঁজ রাখা জরুরি। বিমান, ট্রেন কিংবা বাসের টিকিট কয়েক সপ্তাহ আগে বুক না করলে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। তাই আগে থেকে খোঁজ নিন, যদি তেত উৎসব দেখতে চান।
পরামর্শ
সূত্র: ভিয়েতনাম ট্যুরিজম, ওয়াইড আইড ট্যুরস

ভিয়েতনামের সংস্কৃতির প্রধান ভিত্তি তেত কিংবা চান্দ্র নববর্ষ। এটি শুধু একটি ক্যালেন্ডার পরিবর্তন নয়, বরং ভিয়েতনামের মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য এবং পারিবারিক পুনর্মিলনের এক মহোৎসব। ভিয়েতনামের প্রতিটি প্রান্তে এ সময়ে এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। পরিবারগুলো একত্র হয় এবং তাদের পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। সবাই মিলে আসন্ন বছরে সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা করে। সরকারিভাবে এই ছুটির মেয়াদ মাত্র এক সপ্তাহ। কিন্তু বাস্তবে তেতের প্রস্তুতি এবং এর রেশ থাকে অনেক দিন ধরে।
এ সময় প্যাগোডাগুলোয় থাকে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ঘরবাড়ি পরিষ্কার করে ফুল দিয়ে সাজানো এবং বিশেষ ঐতিহ্যবাহী খাবারের ঘ্রাণে পুরো দেশ এক মায়াবী রূপ ধারণ করে। ভিয়েতনাম ভ্রমণের ভালো সময় এটি। চলতি বছর তেত উৎসব শুরু হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। এর আগের সপ্তাহে আপনি বাজারের জাঁকজমক এবং উৎসবের প্রস্তুতিও উপভোগ করতে পারবেন।
কোথায় যেতে পারেন
হ্যানয়
ঐতিহ্যবাহী আমেজ পেতে চাইলে হ্যানয় শহর ভালো গন্তব্য। উত্তরের এই শহরে তেত উদ্যাপিত হয় অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে। হ্যানয়ের ওল্ড কোয়ার্টার এলাকায় উৎসবের আসল রূপ দেখা যায়। পুরো
শহর ফুলে ফুলে সাজানো থাকে, বিশেষ করে পিচ ব্লসম বা গোলাপি আভার ফুলে। এই সময় হোয়ান কিম লেকের চারপাশে আতশবাজি, প্যাগোডাগুলোয় মানুষের উপচে পড়া ভিড় এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি করে।
হো চি মিন সিটি
আধুনিকতা ও জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশ পেতে চাইলে যেতে হবে দক্ষিণের এই শহরে। তেতের সময় আলো ও ফুলের নগরীতে পরিণত হয় এটি। এখানকার গুয়েন হুয়ে ফ্লাওয়ার স্ট্রিট পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। ১৩ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করা যায়। মাইলের পর মাইল রাস্তা জুড়ে হয় ফুলের প্রদর্শনী। শহরের প্রধান পয়েন্টগুলোয় বিশাল সব ড্রাগনের নাচ এবং চোখধাঁধানো আতশবাজির প্রদর্শনী হয়। উৎসবের ১ সপ্তাহ আগে থেকে প্রতিটি শহরে ফুলের বাজার বসে, যা ছবি তোলার জন্য সেরা জায়গা।
হোই আন
লণ্ঠনের এক মায়াবী শহর হোই আন। ইউনেসকো স্বীকৃত এই প্রাচীন শহর এমনিতেই লণ্ঠনের জন্য বিখ্যাত। কিন্তু নববর্ষে এটি রূপকথার মতো হয়ে যায়। থু বোন নদীর ওপর হাজার হাজার রঙিন লণ্ঠন ভাসিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তার দুই পাশের প্রাচীন বাড়িগুলো প্রদীপের আলোয় সেজে ওঠে। এখানে প্রথাগত লোকসংগীতের আসর বসে এবং পর্যটকেরা স্থানীয়দের সঙ্গে রান্নায় অংশ নিতে পারে।
হুয়ে
রাজকীয় উৎসব দেখতে চাইলে ভিয়েতনামের সাবেক এই রাজধানী শহরে যেতে হবে; যেখানে রাজকীয় ঐতিহ্যে নববর্ষ উদ্যাপন করা হয়। সেখানকার ইম্পেরিয়াল সিটির ভেতরে প্রাচীন রাজকীয় কায়দায় পতাকা উত্তোলন এবং বিভিন্ন উৎসব উদ্যাপিত হয়, যা আপনাকে ইতিহাসের স্বাদ দেবে।
যাওয়ার আগের প্রস্তুতি
তেত উৎসবের সময় ভিয়েতনাম ভ্রমণ যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। এই সময়ে যাতায়াতব্যবস্থা কঠিন হয়ে পড়ে, দোকানপাট বন্ধ থাকে এবং চারপাশের পরিবেশ অন্য সময়ের চেয়ে আলাদা থাকে। তবে ফুলেল রাস্তা, আতশবাজি আর উৎসবের আমেজ এই কষ্টকে সার্থক করে তোলে। পর্যটকদের জন্য অবশ্য ভিন্ন ব্যবস্থাও থাকে। যেহেতু এটি ভিয়েতনামের প্রধান ছুটির সময়, তাই এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ফ্লাইট এবং হোটেলের খোঁজ রাখা জরুরি। বিমান, ট্রেন কিংবা বাসের টিকিট কয়েক সপ্তাহ আগে বুক না করলে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। তাই আগে থেকে খোঁজ নিন, যদি তেত উৎসব দেখতে চান।
পরামর্শ
সূত্র: ভিয়েতনাম ট্যুরিজম, ওয়াইড আইড ট্যুরস

কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের রূপ দেখে মুগ্ধ হলেন দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের ২১ ব্যাচের সি সেকশনের নেপালি শিক্ষার্থীরা। অনুষদ আয়োজিত এই দেশ ভ্রমণের সুযোগ পেয়ে তাঁরা অনেক খুশি। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর!
৬ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার জেদ বুর্জ খলিফার চেয়েও উঁচুতে থাকবে। পুরোনো কোনো চাচা বা খালু হুট করে এসে হাজির হতে পারেন। সাবধান, আজকের দিনে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে লোন বা টাকা নিয়ে কথা বলতে যাবেন না, ইজ্জত এবং মানিব্যাগ দুটোই পাংচার হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণের জন্য বিপুল অর্থ দরকার—এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন ব্রিটিশ নাগরিক তিয়েরা সেন্ট ক্লেয়ার। মাসে মাত্র ৪০০ ডলার পেনশন পান তিনি। এই সামান্য আয়ের ওপর ভর করেই ২০ বছর ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পৃথিবীর নানা প্রান্তে। বয়স এখন ৬৯। ঠিকানা নেই, স্থায়ী ঘর নেই, তাই পৃথিবীটাই তাঁর ঘর!
৬ ঘণ্টা আগে