
গরমের ছুটি মানেই যেন একটু স্বস্তির নিশ্বাস। একঘেয়েমি আর গরম আবহাওয়া থেকে বাঁচতে পাহাড় অথবা সবুজে ঘেরা নিরিবিলি কোনো জায়গা হতে পারে আপনার গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণের সেরা গন্তব্য। এ জন্য গরমে আরামদায়ক ভ্রমণের জরুরি টিপস জেনে রাখা জরুরি।
ছুটিতে শহর থেকে কেউ হয়তো পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। কেউ হয়তো বন্ধুদের সঙ্গে সমুদ্র দেখতে যেতে চাইছেন। আবার কেউ হয়তো স্বপ্নের কোনো দেশে ঘুরতে যাওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ভ্রমণ হোক দেশে কিংবা বিদেশে, একটু সতর্ক থাকলে আপনার পুরো সফরটি হয়ে উঠতে পারে আরও সুন্দর, নিশ্চিন্ত ও আনন্দময়। রওনা হওয়ার আগে তাই জেনে নিন গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণের কিছু জরুরি টিপস।
ভ্রমণে রওনা হওয়ার আগে যাতায়াতের খবর নিয়ে নিন। পরিবার নিয়ে ভ্রমণে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে গন্তব্যে পৌঁছানোর যানবাহন বিষয়ে খোঁজ নিন বিশেষভাবে। যেকোনো বাহনে এসি বা নন-এসি থাকে। পছন্দমতো টিকিট কেটে নিন। আর যদি নিজের গাড়ি থাকে কিংবা রেন্ট-এ-কারে যেতে চান, তাহলে সেগুলোর অবস্থা জেনে নিন।

ভ্রমণের সময় আপনার কখন, কোথায়, কী প্রয়োজন হতে পারে, তা বলা যায় না। তাই ভ্রমণ ব্যাগে ফার্স্ট এইড বক্স, টর্চ লাইট, রেইনকোট বা ছাতা, ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ, মোবাইলের চার্জার, পাওয়ার ব্যাংক, বাড়তি পানি, চার্জার ফ্যান ইত্যাদি। এগুলো নিজের গাড়িতেও রাখতে পারেন।
ঘুরতে যাওয়ার ব্যস্ততায় অনেক সময় খুব জরুরি জিনিসও ব্যাগে রাখা হয় না। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সানস্ক্রিন। রোদে বাইরে বের হলে, এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি এসপিএফযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত।
চোখের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজন হবে সানগ্লাস। রোদ থেকে বাঁচতে হ্যাট বা ক্যাপ ব্যবহার করুন। কড়া রোদ থেকে বাঁচার জন্য সাদা বা হালকা রঙের হ্যান্ড স্লিভ বা হাতমোজা ব্যবহার করুন। এ ছাড়া রোদ থেকে চুল বাঁচানোর জন্য স্কার্ফ ব্যবহার করতে পারেন।
গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণে, শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং গরম থেকে বাঁচতে হালকা কাপড় ও হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক পরতে পারেন। এতে প্রচণ্ড গরমেও ভ্রমণের দিনগুলোতে আপনি স্বচ্ছন্দবোধ করবেন।
হঠাৎ রাস্তায় যদি কোথাও আটকে যান, আপনার প্রয়োজন হতে পারে শুকনো খাবার ও পানি। প্রয়োজন হলে দ্রুত পাওয়ার জন্য পানির বোতল সঙ্গে রাখুন। শুকনো খাবারের মধ্যে রাখতে পারেন মুড়ি, বিস্কুট, বাদামসহ এ ধরনের খাবার।
পরিবারের কারও নিয়মিত ওষুধ সেবন করার নিয়ম থাকলে সেটা অবশ্যই ব্যাগে রাখুন। সঙ্গে আপনার পোষা প্রাণী থাকলে তাদের ওষুধও ব্যাগে রাখুন। এ ছাড়া মাথাব্যথা, অ্যালার্জি এবং ব্যথানাশক ওষুধ, গ্যাস্ট্রিক ও ডায়রিয়ার ওষুধ সঙ্গে রাখা নিরাপদ।
মশা ও পোকামাকড় থেকে সাবধান থাকতে হবে। বিশেষ করে, পাহাড়, বন বা ক্যাম্পিংয়ে মশা ও টিক পোকার উপদ্রব হতে পারে। তাই ব্যবহার করতে পারেন ইনসেক্ট রিপেলেন্ট। বাইরে থেকে ফিরে শরীর ভালোভাবে পরীক্ষা করে নিন, কোথাও কোনো পোকামাকড় আছে কি না। কোনো সমস্যা মনে হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
পাহাড়ে বা জঙ্গলে হাঁটলে গাছপালা চিনে চলুন। কারণ, কিছু গাছ আছে, যাদের ছুঁলেই ত্বকে চুলকানি বা র্যাশ হতে পারে। তাই অচেনা গাছ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। আর ভুলবশত ছুঁয়ে ফেললে, দ্রুত সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন।
সমুদ্র বা সুইমিংপুলে নামলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। সমুদ্রে গেলে সতর্কতামূলক সাইনগুলো মেনে চলুন। শিশুরা সমুদ্রে বা পুলে নামলে সতর্ক থাকুন। কারণ, ছোট্ট কোনো অসাবধানতাও বড় দুর্ঘটনা ডেকে আনতে পারে।
ভ্রমণ মানে শুধু কোনো জায়গা ঘুরে দেখা নয়, স্মৃতিতে সুন্দর কিছু মুহূর্ত আর নতুন সব অভিজ্ঞতা জমানোর নাম ভ্রমণ। আপনার একটুখানি সচেতনতা ভ্রমণকে করে তুলতে পারে আরও উপভোগ্য। তাই সচেতন থেকে নিরাপদে পরিবার-পরিজন কিংবা বন্ধুদের নিয়ে উপভোগ করুন আপনার গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ।
সূত্র: ওয়াকার ফ্যামিলি কেয়ার

ওজন কমানো মানেই চর্বি ছেঁটে ফেলা। এই ওজন কমানোর যাত্রায় আমরা প্রায়ই সব চর্বিকে একই নজরে দেখি। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, সব চর্বি সমান নয়। আমাদের ত্বকের ঠিক নিচে যে চর্বি জমে, তা দেখতে খারাপ লাগলেও শরীরের জন্য ততটা বিপজ্জনক নয়। আসল শত্রু হলো ‘ভিসারেল ফ্যাট’ বা পেটের গভীরে থাকা চর্বি।
১০ ঘণ্টা আগে
কতটা সুস্থ থাকবেন, তা নির্ভর করে আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপন কেমন। প্রতিদিন কী ধরনের বাসনকোসন ব্যবহার করছেন, কেমন খাবার খাচ্ছেন—এসব ব্যাপার যেমন স্বাস্থ্য়ের ওপর প্রভাব ফেলে, তেমনি এগুলোর প্রভাব পরিবেশের ওপরও পড়ে। নিজের স্বাস্থ্য ও বাড়ির পরিবেশ ভালো রাখার জন্য সব সময় বড় কোনো উদ্যোগই নিতে হবে এমন....
১২ ঘণ্টা আগে
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি কনভেনশন হলে ‘সুফি নাইটস ও ডিনার’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
১৩ ঘণ্টা আগে
অনেকেই বলেন বাথরুমে বসে নাকি সবচেয়ে সৃজনশীল বুদ্ধিটা মাথায় আসে। মনে আছে ছোটবেলায় শোনা বিশ্বখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের সেই গল্প। যেখানে বিজ্ঞানী এই মনীষী গোসলের টাবে নামতে গিয়েই পদার্থবিজ্ঞানের একটি যুগান্তকারী সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে