
প্রতিদিন একটু একটু করে গরম বাড়ছে। খারাপ খবর হলো, তাপমাত্রা যত বাড়বে, ততই ত্বকের জেল্লা কমবে। তা ছাড়া গরমে ত্বকে ব্রণ ও র্যাশের সমস্যা দেখা দেয় বেশি। রোদের প্রকোপে ত্বকের প্রদাহ বেড়ে যায়। ফলে ঘাম জমে ব্রণ-ফুসকুড়ি বা হিট র্যাশের সমস্যা বাড়ে। এর থেকে রেহাই পেতে নামীদামি যত পণ্যই ব্যবহার করুন না কেন, লাভ নেই। কারণ, শরীর ভেতর থেকে ঠান্ডা না থাকলে কোনো প্রসাধনীই কাজে দেবে না।
সামনেই নতুন বছর বরণ করার তোড়জোড় শুরু হবে। এ সময় গরমে ত্বকে ব্রণ বা র্যাশ উঠলে বৈশাখের সাজ হয়ে যাবে মাটি! ত্বকে ব্রণ ও র্যাশ ওঠা প্রতিরোধে এবং শরীর ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে বেশ কয়েকটি উপকারী পানীয় পান করে দেখতে পারেন এখন থেকে। এসব পানীয় শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে ত্বক সতেজ করে তোলে এবং ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
লেবুর রস ও গোলমরিচের গুঁড়া মেশানো পানি
গরমে ঠান্ডা এক গ্লাস লেবুর শরবত হলে আর কী লাগে! এই শরবত যে শুধু পানেই সুস্বাদু, তা নয়। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের নানান উপকারে আসে। বিশেষ করে ত্বক উজ্জ্বল করতে এর জুড়ি নেই। লেবুর রস ও গোলমরিচের গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে পান করলেও ব্রণমুক্ত ত্বক পাওয়া সম্ভব।
কাঁচা হলুদ ও লেবুর রস মেশানো ডিটক্স ওয়াটার
বহুকাল আগে থেকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান সমৃদ্ধ হলুদ ত্বকের যত্ন নিতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। র্যাশ কিংবা ব্রণের হাত থেকে ত্বক সুরক্ষিত রাখতে এর জুড়ি মেলা ভার। অন্যদিকে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবু ত্বক সুস্থ রাখার অন্যতম উপাদান। মাঝে মাঝে সকালে খালি পেটে আধ কাপ পানিতে দুই চামচ পাতিলেবুর রস এবং এক চিমটে কাঁচা হলুদবাটা মিশিয়ে পান করতে পারেন। এতে ত্বক ব্রণমুক্ত থাকবে, রং হবে সুন্দর।
ডাবের পানি ও চিয়া বীজের পানীয়
ডাবের পানিতে থাকা ইলেকট্রোলাইট গরমে ক্লান্তি দূর করে। আর চিয়া বীজ পেট ঠান্ডা রাখে। চিয়া বীজ হজমে সহায়ক এবং এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করবে। এই পানীয় তৈরি করতে এক গ্লাস ডাবের পানিতে এক চা-চামচ চিয়া বীজ মিশিয়ে রেখে দিতে হবে কিছুক্ষণ। তারপর পান করতে হবে। নিয়মিত এই পানীয় পান করলে ত্বকের দাগ কমে যাবে ধীরে ধীরে।
শসা, লেবু ও পুদিনার ডিটক্স পানীয়
শসা শরীর ঠান্ডা রাখে আর পুদিনাপাতা হজমে সাহায্য করে। অন্যদিকে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবু ত্বকের হারানো লাবণ্য ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে। এ পানীয় তৈরিতে একটি মাঝারি মাপের শসা টুকরো করে কেটে নিতে হবে। সঙ্গে লাগবে ১০ থেকে ১২টি পুদিনাপাতা, গোল গোল কেটে নেওয়া ১টি গোটা পাতিলেবু এবং এক লিটার পানি। একটি কাচের বড় বোতলে বা জারে পানি ভরে তাতে শসা, লেবু ও পুদিনাপাতা ছেড়ে সারা রাত রেখে দিন। পরের পুরো দিন অল্প অল্প করে এই পানি পান করুন।
বেদানার জুস
এক কাপ বেদানা এবং এক কাপ শসাকুচি ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার তাতে পানি ও কয়েক ফোঁটা গোলাপজল মিশিয়ে ছেঁকে নিন। চাইলে সামান্য পুদিনাপাতা মেশাতে পারেন। এই পানীয় কাচের জারে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এই পানীয় পানে ত্বকে ব্রণ ও র্যাশ হবে না। পাশাপাশি ত্বকও মসৃণ থাকবে।
পুদিনা-দারুচিনির ডিটক্স
পুদিনাপাতা, ধনেপাতা, আদা, দারুচিনি, গোটা হলুদ, লবঙ্গ ইত্যাদি ভিজিয়ে ডিটক্স পানীয় তৈরি করা যায়। এই পানীয়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা অকালবার্ধক্য রোধ করতে পারে। এই পানীয় ত্বক নরম ও মসৃণ রাখতে সহায়ক। এ ছাড়া বলিরেখাও দূর হয়।
এসব পানীয়র পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। তাতে শরীর ও ত্বক—দুই-ই শীতল থাকবে। পুরো গরমকাল কাটানো যাবে ব্রণ ও র্যাশ টেক্কা দিয়ে।
সূত্র: কালারস হেলথ কেয়ার ও স্কিনক্র্যাফট

ডিজিটাল ট্রাভেল প্ল্যাটফর্ম অ্যাগোডা তাদের ‘২০২৬ ট্রাভেল আউটলুক রিপোর্ট’-এ এশিয়ার ভোজনরসিক পর্যটকদের পছন্দের গন্তব্যের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এশিয়ার ভোজনরসিক পর্যটকদের কাছে ভ্রমণের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠছে স্থানীয় খাবার ও খাদ্যসংস্কৃতি।
১১ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে আঁশ বা ফাইবার বলতেই আমাদের মাথায় প্রথমে আসে ওটমিলের নাম। প্রতি কাপ ওটমিলে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে। তবে ওটমিলই একমাত্র আঁশের উৎস নয়। এমন অনেক সাধারণ খাবার আছে, যা ফাইবার বা আঁশের দিক থেকে ওটমিলকেও ছাড়িয়ে যায়। তাই যাঁরা ওটমিল খেতে পারেন না, তাঁদের জন্য এ খাবারগুলো সম্পর্কে জানা বেশি জরুরি।
১২ ঘণ্টা আগে
সচরাচর আমরা ভদ্রতার সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘দয়ালু’ বা ‘উদার’ শব্দ দুটি ব্যবহার করি। সমাজ আমাদের অনেক কিছুই শেখায়। অনেক নিয়মের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমরা মনে করি, কাউকে ‘ধন্যবাদ’ বলা বা কেউ বিপদ পড়লে তাকে ‘শুনে খুব খারাপ লাগল’ বলাটাই ভালো মানুষের লক্ষণ।
১৩ ঘণ্টা আগে
পথে আসতে-যেতে পেয়ারা চোখে পড়ছে এখন। প্রায়ই হয়তো ফেরার পথে কিনে নিয়ে আসেন বাড়িতে। এবার তৈরি করে ফেলুন পেয়ারার টক-মিষ্টি চাটনি। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন আলিফ’স ডেলিকেট ডিশেজের শেফ আলিফ রিফাত...
১৭ ঘণ্টা আগে