
আপনার বাড়িতে কি এক থেকে দেড় বা ২ বছর বয়সী শিশু রয়েছে? তাহলে সম্ভবত আপনি সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছেন। শিশু সদ্যই স্বাভাবিক খাবার খেতে শুরু করেছে। সকাল, দুপুর কিংবা বিকেলে নানা ধরনের খাবারের সঙ্গে তো তাকে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে, পাশাপাশি এসব খাবারের পুষ্টিগুণও যাচাই করতে হবে। আবার সুস্বাদু না হলে সবকিছুই বরবাদ। এ সবই পূরণ হবে এক প্যান কেকে। শিশুকে তৈরি করে দিন বিভিন্ন স্বাদের এই প্যান কেক। কীভাবে তৈরি করবেন? দেখে নিন—
বিটরুট প্যান কেক
উপকরণ
বিটরুট মাঝারি আকারের ১টি, ওটস ১ কাপ, ডিম ২টি, দেশি পাকা কলা ২টি, দুধ ২ টেবিল চামচ, মাখন সামান্য।
প্রণালি
ওটস প্রথমে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এ ফাঁকে বিটরুট গ্রেট করে নিন। এবার মাখন ছাড়া সব উপকরণ ও ভিজিয়ে রাখা ওটস ব্লেন্ডারে হালকা ব্লেন্ড করে নিন। এরপর প্যানে মাখন গলিয়ে তাতে ছোট ছোট গোল গোল প্যান কেক বানিয়ে ফেলুন।

কেন এই প্যান কেক শিশুকে খাওয়াবেন?
বিটরুট ভিটামিন, খনিজ, আঁশ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ একটি সবজি। এটি হজমশক্তি বাড়ায় ও হাড় ভালো রাখতে সহায়তা করে। অন্যান্য উপকরণ ও বিটরুট মেশানো প্যান কেক শিশুর শক্তি বৃদ্ধি করে। আয়রন ও ফোলেটের মতো পুষ্টি উপাদান থাকে বলে তাদের রক্তস্বল্পতা এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। মস্তিষ্ক ও হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য এটি খুবই উপকারী একটি খাবার।
গাজরের প্যান কেক
উপকরণ
১টি মাঝারি আকারের গাজর, দেশি কলা ২টি, ডিম ১টি, ময়দা আধা কাপ, কোকো পাউডার আধা চা-চামচ, মাখন সামান্য।
প্রণালি
গাজর গ্রেট করে নিন। এবার এর সঙ্গে কলা ভালোভাবে চটকে নিন। যোগ করুন ডিম, ময়দা ও কোকো পাউডার। এবার ভালোভাবে মিশিয়ে নিন সব উপকরণ। চুলায় প্যান গরম করে মাখন গলিয়ে ছোট ছোট প্যান কেক তৈরি করুন।

কেন এই প্যান কেক শিশুকে খাওয়াবেন?
গাজরে বিটা-ক্যারোটিন ও অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা কোষের ক্ষতি রোধ করে। এতে প্রচুর ভিটামিন এ, সি, ই, কে এবং বি-ভিটামিন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন থাকায় দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে, ত্বক সুন্দর হয়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং হাড় গঠনে সহায়তা করে। শিশুর সকালের নাশতায় এই গাজরের প্যান কেক রাখতে পারেন।
পালং ও মটরশুঁটির প্যান কেক
উপকরণ
পালংশাকের পাতা ৫টি, মটরশুঁটি আধা কাপের অর্ধেক, ময়দা আধা কাপ, ডিম ১টি, দেশি পাকা কলা ২টি, মাখন সামান্য।
প্রণালি
পালংশাক ভাপিয়ে এবং মটরশুঁটি সেদ্ধ করে নিন। এবার এ দুটি উপকরণ ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। একটি পাত্রে কলা চটকে নিন। পালং ও মটরশুঁটির মিশ্রণ ও মাখন ছাড়া অন্যান্য সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। চুলায় প্যান গরম করে মাখন গলিয়ে ছোট ছোট করে প্যান কেক তৈরি করুন।

কেন এই প্যান কেক শিশুকে খাওয়াবেন?
আয়রন, প্রোটিন, আঁশ, ভিটামিন এ, সি ও কে এবং খনিজ উপাদানে ভরপুর এই প্যান কেক। এটি শিশুর রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করে, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া এটি হজমশক্তি উন্নত করে এবং মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করে। শিশুর সকাল বা বিকেলের নাশতায় এই প্যান কেক রাখতে পারেন।
আপেলের প্যান কেক
উপকরণ
মাঝারি আকারের আপেল ১টি, দেশি কলা ২টি, ডিম ১টি, টক দই আধা কাপ, মাখন সামান্য।
প্রণালি
আপেল গ্রেট করে নিন। এবার বাটিতে গ্রেট করা আপেলের সঙ্গে মাখন ছাড়া বাকি সব উপকরণ মিশিয়ে নিন। চুলায় প্যান রেখে মাখন গলিয়ে ছোট ছোট করে প্যান কেক তৈরি করুন।

কেন এই প্যান কেক শিশুকে খাওয়াবেন?
এই প্যান কেক ভিটামিন সি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং প্রোটিনের ভালো উৎস। এটি শিশুর খাদ্যতালিকায় রাখলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে, খেলার শক্তি পাবে। পেটের স্বাস্থ্যের জন্যও এ প্যান কেক বেশ উপকারী।
কুমড়া ও কলার প্যান কেক
উপকরণ
দেশি কলা ২টি, চটকানো সেদ্ধ মিষ্টিকুমড়া আধা কাপ, টক দই ১ টেবিল চামচ, ময়দা আধা কাপ, খেজুর পেস্ট ১ চা-চামচ, মাখন সামান্য।
প্রণালি
একটি বাটিতে কলা চটকে নিন। এবার এতে চটকে রাখা মিষ্টিকুমড়া যোগ করুন। মাখন ছাড়া বাকি উপকরণগুলোও যোগ করে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। চুলায় প্যান রেখে মাখন গলিয়ে ছোট ছোট করে প্যান কেক তৈরি করুন।

কেন এই প্যানকেক শিশুকে খাওয়াবেন?
কলা ও কুমড়া ভিটামিন এ, সি, পটাশিয়াম এবং বিটা-ক্যারোটিনের দারুণ উৎস। এটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আঁশসমৃদ্ধ এই প্যান কেক হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং দীর্ঘক্ষণ শিশুর পেট ভরা রাখে।
সূত্র: বেবিফুডি ও অন্যান্য

ওজন কমানো মানেই চর্বি ছেঁটে ফেলা। এই ওজন কমানোর যাত্রায় আমরা প্রায়ই সব চর্বিকে একই নজরে দেখি। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, সব চর্বি সমান নয়। আমাদের ত্বকের ঠিক নিচে যে চর্বি জমে, তা দেখতে খারাপ লাগলেও শরীরের জন্য ততটা বিপজ্জনক নয়। আসল শত্রু হলো ‘ভিসারেল ফ্যাট’ বা পেটের গভীরে থাকা চর্বি।
১২ ঘণ্টা আগে
কতটা সুস্থ থাকবেন, তা নির্ভর করে আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপন কেমন। প্রতিদিন কী ধরনের বাসনকোসন ব্যবহার করছেন, কেমন খাবার খাচ্ছেন—এসব ব্যাপার যেমন স্বাস্থ্য়ের ওপর প্রভাব ফেলে, তেমনি এগুলোর প্রভাব পরিবেশের ওপরও পড়ে। নিজের স্বাস্থ্য ও বাড়ির পরিবেশ ভালো রাখার জন্য সব সময় বড় কোনো উদ্যোগই নিতে হবে এমন....
১৪ ঘণ্টা আগে
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি কনভেনশন হলে ‘সুফি নাইটস ও ডিনার’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
১৫ ঘণ্টা আগে
অনেকেই বলেন বাথরুমে বসে নাকি সবচেয়ে সৃজনশীল বুদ্ধিটা মাথায় আসে। মনে আছে ছোটবেলায় শোনা বিশ্বখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের সেই গল্প। যেখানে বিজ্ঞানী এই মনীষী গোসলের টাবে নামতে গিয়েই পদার্থবিজ্ঞানের একটি যুগান্তকারী সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন।
১৮ ঘণ্টা আগে