
কফিপ্রেমীরা আছে বিপদে। ছোটখাটো নয়, বিপদের মাত্রা বেশ বড়ই। এমনিতে কফিপ্রেমীরা পৃথিবীর সব দেশে একই রকম দামে কফি পান করতে পারে না। দেশ ভেদে কফির দাম ভিন্ন হয়ে থাকে। হ্যাঁ, স্বাদও দেশ ভেদে ভিন্ন। বিশেষ করে গত কয়েক বছর কফি বিনের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায়, পছন্দের ক্যাফেইনের খরচও বেড়েছে বহুগুণ। কফি অ্যারাবিকা বিনের দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এখানেই বিপদ বেড়েছে কফিপ্রেমীদের। কারণ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এই দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে কয়েক বছর লাগতে পারে।
অনলাইন ডেটাবেইস ‘নাম্বিও’-এর তথ্য ব্যবহার করে নিচে নির্বাচিত ৩৫টি দেশে এক কাপ কফির গড় মূল্য দেওয়া হলো। এ তথ্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর রাজধানী বা প্রধান শহরের স্বাভাবিক খরচের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। তথ্যগুলো ইউএস ডলারে হলেও জানুন বাংলাদেশি টাকায় এর মূল্য কত হতে পারে।

সস্তা কফির ঠিকানা
এই বিভাগে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কফি উৎপাদনকারী দেশ বা যেসব দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম, সেই দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত। এই দেশগুলোতে এক কাপ কফির দাম ২ মার্কিন ডলারের নিচে। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম কফি উৎপাদনকারী দেশ ইথিওপিয়া। এই দেশে এক কাপ কাপাচিনোর দাম ১.০৯ মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৩৪ টাকা। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কফি উৎপাদনকারী দেশ ভিয়েতনাম। সেখানে এক কাপ কাপাচিনোর দাম ১.৭৬ মার্কিন ডলার বা প্রায় ২১৬ টাকা। চরম আবহাওয়া ও চাষিদের ডুরিয়ান ফলের চাষে স্থানান্তরের কারণে এখানে একটু দাম বেড়েছে। তবে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এই দাম এখনো সস্তা। ঐতিহ্যগতভাবে ইতালিতে কফি বেশ সাশ্রয়ী। রোমে একটি কাপাচিনোর গড় মূল্য ১.৮৫ মার্কিন ডলার বা ২২৭ টাকা। এক কাপ এক্সপ্রেসো শট সাধারণত ১ ইউরো বা ১.১৭ মার্কিন ডলার। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম কফি উৎপাদনকারী দেশ কলম্বিয়া। সেখানে কফির দাম ১.৮৮ মার্কিন ডলার বা ২৩১ টাকা। উৎপাদনকারী মর্যাদা এবং তুলনামূলকভাবে কম জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণে দেশটিতে কফির দাম কম।
মধ্যম পরিসরের কফির মূল্য
এই পরিসরে এমন দেশগুলো রয়েছে, যারা বৃহৎ কফি উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে খ্যাত। এই তালিকায় সেসব দেশও আছে, কফি শপের বাজারে যাদের প্রতিযোগিতা তীব্র অথবা যারা আমদানি করলেও স্থানীয় চাহিদা তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী রাখতে পেরেছে।

বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম কফি উৎপাদনকারী দেশ ইন্দোনেশিয়া। সেখানে স্থানীয় বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে ক্যাফেগুলো দাম বাড়াতে দ্বিধা করছে। দেশটিতে এক কাপ কফির দাম ২.০৯ মার্কিন ডলার বা প্রায় ২৫৬ টাকা। বিশ্বের ৩৯ শতাংশ কফি উৎপাদনকারী দেশ ব্রাজিল। সেখানে এক কাপ কফির দাম ২.১১ মার্কিন ডলার বা ২৫৯ টাকা। দেশটির ঘরোয়া বাজারে কফির দাম তুলনামূলক কম।
এই তালিকায় এশিয়ার ভারত, চীন, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, জাপান, তুরস্কের আনাতোলিয়ার কফির দামও জায়গা করে নিয়েছে। যেমন ভারতে এক কাপ কফির দাম বাংলাদেশি প্রায় ৩১৯ টাকা। চীন, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, জাপান ও আনাতোলিয়ার কফির দাম যথাক্রমে প্রায় ৩৬৫, ৩২৪, ৩৭৬, ৪২৪ ও ৪৫৬ টাকা। তবে স্টারবাকসের ক্ষেত্রে কফির দাম বিশ্বে সবচেয়ে সস্তা তুরস্কের ইস্তাম্বুলে। চিলি কফি আমদানিকারক দেশ হলেও তারা বৈশ্বিক মূল্যবৃদ্ধির শিকার। তাই সেখানে কফির দাম একটু বেশি। তবে মধ্যম মানের কফির মূল্য হিসেবে সর্বোচ্চ আসে কানাডায়। টরন্টোতে এক কাপ কফির গড় দাম ৩.৮৯ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি প্রায় ৪৭৭ টাকা। তবে টিম হর্টনসের মতো, চেইন শপগুলোতে কফি তুলনামূলকভাবে সস্তায় পাওয়া যায়।
কফি যেখানে বিলাসিতা
এই বিভাগে বিশ্বের ধনী বা উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয়যুক্ত দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত। এসব দেশে কফির দাম চার মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে আর্জেন্টিনার বুয়েনস এইরেসে কফি এখনো একটি বিলাসবহুল পানীয়। সেখানে এক কাপ কফির দাম ৪.২১ মার্কিন ডলার বা ৫১৬ টাকা। এই ক্যাটাগরিতে যা সর্বনিম্ন বলে ধরা যায়। কারণ বিলাসিতার পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্থানে আছে ডেনমার্ক। দেশটিতে এক কাপ কাপাচিনোর দাম ৬.৮১ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য দাঁড়ায় ৮৩৫ টাকার বেশি। কর্মীদের পেছনে খরচ, ভাড়া এবং করের কারণে ক্যাফেগুলোকে বেশি দাম নিতে হয় গ্রাহকের কাছ থেকে। তাদের এমন দামে কফি বিক্রি করতে হয়, যা স্থানীয় উচ্চ মজুরির সঙ্গে মানানসই।
এই তালিকায় আছে এশিয়ার সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ডেনমার্কের মতো সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে কর্মীদের উচ্চ বেতন, ভাড়া এবং শুল্কের কারণে কফির দাম অত্যন্ত বেশি। এক কাপ কাপাচিনোর দাম সেখানে ৫.৭১ মার্কিন ডলার বা প্রায় ৭০০ টাকা। আর সিঙ্গাপুরে সেই তুলনায় কিছুটা কম। সেখানে ৪.৬৯ মার্কিন ডলার বা প্রায় ৫৭৬ টাকায় কিনতে হয় এক কাপ কফি। উচ্চ দামের কারণে সিঙ্গাপুরের ৩১ শতাংশ মানুষ ক্যাফেতে কফি কম কিনছেন এবং বাড়িতে বেশি তৈরি করছেন।
সূত্র: লাভ মানি, শোবিজ ডেইলি

বয়স চল্লিশের কোটা পার হতেই আয়নার সামনে দাঁড়ালে অনেকের মন খারাপ হয়ে যায়। বলিরেখা, চোখের নিচে কালো ছোপ কিংবা ত্বকের টানটান ভাব কমে যাওয়া— এসবই বার্ধক্যের স্বাভাবিক লক্ষণ। তবে বেশি যে সমস্যা ভোগায়, তা হলো ত্বকের অতিরিক্ত রুক্ষতা ও খসখসে ভাব। শুধু দামি ক্রিম মেখে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কারণ, বয়স...
১০ ঘণ্টা আগে
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের বয়স বাড়বে, এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, প্রকৃত বয়সের তুলনায় শরীরে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে যায় অনেক আগে। একেই বলা হয় অকালবার্ধক্য। শরীরের স্বাভাবিক বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াগুলো সময়ের আগে দৃশ্যমান হলে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বার্ধক্য অনিবার্য হলেও...
১১ ঘণ্টা আগে
ইফতারে তেলে ভাজা বা বেশি মসলায় রান্না করা খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। স্বাস্থ্যকর ইফতারিতে কী রাখা যায়, তাই ভাবছেন কি? অত চিন্তা না করে রাখতে পারেন রঙিন ফলের সালাদ। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। এই রেসিপি যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনি সুস্বাদু...
১৬ ঘণ্টা আগে
সঠিক পরিকল্পনা, পুষ্টিকর খাবার এবং সহকর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণই পারে আপনার কর্মজীবনকে রমজানেও আনন্দময় ও চাপমুক্ত রাখতে। খাদ্যাভ্যাস এবং ঘুমের রুটিন বদলে যাওয়ায় অনেক সময় ক্লান্তি ও অবসাদ ভর করে। কিন্তু মনে রাখবেন, রোজা রেখে কাজ করা মানেই কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেওয়া নয়। সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক...
১৮ ঘণ্টা আগে