
ধুলো জমা প্রকৃতির ক্লান্ত ভাব কাটার সময় এসে গেছে। ভোরের হালকা শীতল বাতাসে ভর করেছে সোনারোদের একটুখানি উষ্ণতা। নরম উষ্ণতা গায়ে মেখে গলা সাধবে কোকিল। গাছে গাছে ফুটবে ফুল উড়বে রঙিন প্রজাপতি আর মৌমাছি। বলবে, ‘কে কোথায় আছ, বসন্ত যে এসে গেছে!’
ভালোবাসার ঋতু বসন্ত। নতুন কুঁড়ি, নতুন চাঁদ, নতুন প্রেম, নতুন ভাবনা, নতুন উন্মাদনা আর নতুন উচ্ছ্বাস। পুরোনোকে নতুন করে রাঙিয়ে দিতে ফাল্গুনি রথে চড়ে আসেন বসন্ত দেব। আর এই বসন্তেই প্রেমের সম্পর্কগুলো যেন আরও রঙিন হয়ে ওঠে, সে জন্য কিছু কসরত করা চাই–ই চাই।
একে অপরের তারিফ করুন
সাধারণত আমরা তারই হিসেব করি, যা আমাদের কাছে নেই বা কখনো পাব না। আর এই ভাবনার ঢেউয়েই তলিয়ে যায় মনের সব সুখ–শান্তি। আরেকটু খোলাসা করে বলতে গেলে, জীবনের ছোট ছোট সুখগুলোকে তৈরি করতে হয় নিজের মন দিয়ে। যুগল হিসেবে নিজেদের দক্ষতা ও ভালো দিকগুলো গ্রহণ করুন, সময় বুঝে তারিফ করুন। পাশাপাশি আর কী কী করলে সম্পর্কটি আরও সহজ ও সুন্দর হতে পারে তা নিয়ে কথা বলুন এবং সে অনুযায়ী কাজ করুন।
যোগাযোগ অটুট থাকুক
গবেষণা বলে, হাজারো দম্পতির ঘর ভাঙে কেবল কথা না বলার কারণে। কেবল এক ঘরে থাকি, সেটাই যেন মুখ্য বিষয় না হয়ে ওঠে। সে ঘরে ও সম্পর্কে যেন থাকে প্রাণ। দিনের যেকোনো একটা সময় একান্তে কাটান, সেটা হতে পারে গল্প করা, সিনেমা দেখা, কফি খেতে যাওয়া বা একসঙ্গে রান্না করা। দুজনই কর্মজীবী হয়ে থাকলে দিনের যেকোনো এক বেলার খাবার একসঙ্গে খান। ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুজন দুজনের সঙ্গে কথা বলুন। এ সময়টায় টিভি থাকুক বন্ধ আর স্মার্টফোন থাকুক বেড সাইড টেবিলে।

জীবনের মানে খুঁজে নিন
দুজনের একসঙ্গে পথচলার যেন একটা মানে থাকে। থাকে যেন একটা আনন্দের গন্তব্য। এটা না হলে কেবল দিন অতিবাহিত হবে, আনন্দ নিয়ে বাঁচা আর হয়ে উঠবে না। আর জীবনকে আনন্দময় করে তোলার দায়িত্ব দুজনেরই। ভালো চাকরি, ভালো বেতন, আয়–রোজগার, রান্নাবান্না জরুরি। তবে জীবন যেহেতু এক জীবন্ত ব্যাপার তাই সেটাকেও যত্ন করা প্রয়োজন। বছরে অন্তত দুবার দুজনে মিলে কিছুদিনের জন্য ঘুরতে বের হোন। ছুটির দিনটায় বিচ্ছিন্ন না থেকে একে অপরকে সময় দিন। দুজন দুজনের কাছে কী চান সেটা নিজেরা ভাবুন এবং একে অপরকে জানান।
সম্পর্কের চ্যালেঞ্জগুলোকে শক্তভাবে মোকাবিলা করুন
কথায় বলে নীতিগতভাবে ঠিক থাকলে সম্পর্কে তেমন ভাটা পড়ে না। কিন্তু ভুল যদি হয়েই যায়, তাহলে তা স্বীকার করুন। কী করে সংকটের সময়টা হাত ধরে পাড়ি দেওয়া যায় সেটা ভাবুন। আর সহজ পথ বেছে নিন। সে পথ হলো, সঙ্গীর প্রতি সৎ থাকা।

স্পর্শ যেন পরশপাথর
প্রিয় মানুষকে নিয়মিত স্পর্শ করাটা জরুরি ব্যাপার। সকালে কাজে বের হওয়ার আগে একটু হাত ধরুন, ছোট্ট করে আলিঙ্গন করুন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্যাপারগুলোকে আমরা অনেকে আমলে নিই না। তবে যুগল জীবনে এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ছোট ছোট স্পর্শ জীবনে সঙ্গীর গুরুত্ব বারবার মনে করিয়ে দেয় এবং ভালোবাসা বাড়ায়।
সম্পর্কের ইতিবাচক দিকগুলোকে প্রাধান্য দিন
সঙ্গীর মধ্য়ে কোন ব্যাপারটি নেই সেটার দিকে নজর না দিয়ে দুজনে মিলে একাগ্রতার সঙ্গে, সমান চাহিদা নিয়ে প্রতিনিয়ত সম্পর্কটিকে সুন্দর করে তোলার চেষ্টা করুন। নিজেদের ইতিবাচক দিকগুলোকে অরও দৃঢ় করে তুলুন। আর তার শুরুটা হোক বসন্তের প্রথম দিনেই।

জমে উঠেছে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর। পথে-ঘাটে গাড়ি থামিয়ে বড় স্ক্রিনে খেলা দেখতেও ভুল হচ্ছে না এতটুকু। আর রাত জেগে প্রিয় দলের খেলা দেখার ব্যাপারটি তো আছেই। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। এই উন্মাদনা জার্সি ছাড়িয়ে উঠে এসেছে রোজকার পরিধেয়তেও।
২ ঘণ্টা আগে
আমাদের মুখমণ্ডলের অন্যান্য অংশের ত্বকের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি পাতলা হয় চোখের চারপাশের ত্বক। তাই রোজ যে ক্লিনজার স্ক্রাব বা ময়শ্চারাইজার আমরা মুখে ব্যবহার করি, তা চোখের চারপাশের ত্বকের জন্য সমান কার্যকর নয়।
৩ ঘণ্টা আগে
ভ্যাপসা গরমে যাঁরা রোজ অফিস করছেন বা যাঁরা বাড়িতে রয়েছেন, তাঁদের সবারই নাজেহাল অবস্থা। কখন বৃষ্টি নামবে, এই ক্ষণ গুনতে গুনতেই চলে এল বর্ষা। তপ্ত রোদ থেকে এবার একটু রেহাই পাওয়ার আশা করা যায়। বর্ষার প্রথম দিনেই আলমারিতে নীল শাড়ির খোঁজ পড়ে।
৪ ঘণ্টা আগে
আষাঢ় মানে বাহারি স্বাদের খিচুড়ির আয়োজন। ঝুম বৃষ্টিতে গরম-গরম সুস্বাদু খিচুড়ি বাঙালির রসনাবিলাসের দারুণ এক উপকরণ। আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন, খিচুড়িপ্রেমীদের জন্য আজ থাকছে মুখরোচক মুগ ডালের খিচুড়ির রেসিপি। সবজি, আচার এবং মাংস কষা দিয়ে খাওয়ার জন্য এই খিচুড়ির রেসিপি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
৪ ঘণ্টা আগে