
ঈদ মানেই আনন্দ ও খুশি। আর এই খুশি পূর্ণতা পায় নতুন পোশাকে। ঈদের পোশাক শুধু পরিধেয় কাপড় নয়, বরং এটি আপনার আনন্দ ও সংস্কৃতির প্রতিফলন। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের বছরের সবচেয়ে বড় এই উৎসবে নিজেকে মার্জিত ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে পোশাকের কাটিংয়ের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রং নির্বাচন করা। কোনো বিশেষ রং যেমন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করে, তেমনি কিছু রং আপনার ব্যক্তিত্বকে করে তোলে আকর্ষণীয়। রুচিশীলতার কথা বিবেচনায় রেখে ঈদের পোশাকে যে রংগুলো বেছে নিতে পারেন, সেসব নিয়েই এই আয়োজন।
সজীবতার সবুজ
ইসলামিক সংস্কৃতিতে সবুজের গুরুত্ব অপরিসীম। এটি প্রকৃতি, বৃদ্ধি এবং শান্তির প্রতীক। এবারের ঈদে বেছে নিতে পারেন সবুজের গাঢ় এমারেল্ড গ্রিন বা অলিভ শেড। যাঁরা একটু আধুনিক ও ক্যাজুয়াল লুক পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য পেস্তা গ্রিন বা মিন্ট কালার হবে সেরা পছন্দ।

সাদা পবিত্রতার প্রতীক
সাদা হলো পবিত্রতার প্রতীক। ঈদের সকালে নামাজের জন্য সাদা পাঞ্জাবি বা শুভ্র সালোয়ার-কামিজের কোনো বিকল্প নেই। এটি বিশুদ্ধতা ও স্নিগ্ধতার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। এর আইভরি বা অফ হোয়াইট শেডগুলোও বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়।
প্রশান্তির নীল
নীল হলো আভিজাত্যের প্রতীক। স্কাই ব্লু থেকে শুরু করে নেভি ব্লু—সবই ঈদে দারুণভাবে মানিয়ে যায়। বিশেষ করে দুপুরের কড়া রোদে পাউডার ব্লু রঙের পোশাক আপনাকে দেবে এক স্নিগ্ধ ও শান্ত আমেজ, যা অন্যের চোখেও প্রশান্তি জোগাবে।
সাহসিকতার লাল
যাঁরা উৎসবে একটু জাঁকজমকপূর্ণ ও বোল্ড লুক পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য লাল হলো সেরা পছন্দ। লাল রং শক্তি ও আনন্দের প্রতীক। উৎসবের আমেজকে আরও গাঢ় করতে মেরুন বা বারগ্যান্ডি শেডের পোশাক বেছে নিতে পারেন। এটি আপনাকে ভিড়ের মাঝেও আলাদা এবং আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।
আভিজাত্যের কালো
ফ্যাশন দুনিয়ায় কালো মানেই ক্ল্যাসিক একটা রং। যদিও এটি ট্র্যাডিশনাল রং নয়, তবে রাতের ডিনার বা ফরমাল দাওয়াতের জন্য কালো পোশাক অত্যন্ত মানানসই। একঘেয়েমি কাটাতে কালোর ওপর সাদা সুতার কাজ বা সোনালি জরির নকশা রাখতে পারেন, যা আপনাকে আকর্ষণীয় করে তুলবে।
ধূসর ও বাদামি
বর্তমানে ‘আর্থি টোন’ বা মাটির কাছাকাছি রংগুলো ফ্যাশন দুনিয়ায় রাজত্ব করছে। বাদামি, বেইজ বা টেরাকোটা রঙের পোশাক যেমন চোখের জন্য আরামদায়ক, তেমনি আধুনিকতার পরিচয় দেয়। অন্যদিকে, ধূসর বা গ্রে কালার আপনার ধীরস্থির ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলবে, যা পারিবারিক মিলনমেলার জন্য আদর্শ।
পোশাকের রং নির্বাচনে কিছু টিপস
ঈদের পুরো দিনের জন্য পোশাকের রং নির্বাচনে কিছু বিষয় বিবেচনায় রাখা জরুরি—
ত্বকের রং ও ব্যক্তিত্ব: রং নির্বাচনের সময় নিজের ত্বকের রং এবং কোন রঙে আপনি সবচেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী বোধ করেন, তা বিবেচনায় রাখুন। তবে প্রথাগত রঙের বাইরে গিয়ে মাঝেমধ্যে নতুন কিছু পরে ব্যক্তিত্বে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারেন।
অনুষ্ঠানের সময় ও স্থান: ঈদের সকালে নামাজের জন্য হালকা ও প্যাস্টেল শেড এবং রাতের উৎসবের জন্য গাঢ় ও উজ্জ্বল রং বেছে নিন। এ বছরের ট্রেন্ড অনুযায়ী হালকা নিউট্রাল রঙের ওপর সূক্ষ্ম কারুকাজ করা পোশাক বেশ ইন-ফ্যাশন।
মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ: একরঙা পোশাকের একঘেয়েমি কাটাতে কন্ট্রাস্ট বা বিপরীত রঙের সংমিশ্রণ ব্যবহার করুন। যেমন সাদার সঙ্গে নীল কিংবা কালো ও সোনালি রঙের সংমিশ্রণ উৎসবের মেজাজকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
অনুষঙ্গ
সঠিক রঙের পোশাকের সঙ্গে অনুষঙ্গ হওয়া চাই মানানসই। যদি পোশাকের রং খুব উজ্জ্বল হয়, তবে গয়না ও জুতা হওয়া চাই ছিমছাম। নিউট্রাল রঙের পোশাকের সঙ্গে একটি রঙিন হ্যান্ডব্যাগ ও স্টেটমেন্ট ঘড়ি আপনার লুকে যোগ করবে নতুন মাত্রা। মনে রাখবেন, পোশাকের রঙের সঙ্গে মানানসই ও আরামদায়ক জুতা আপনার পুরো ব্যক্তিত্বকে বদলে দিতে পারে।
সূত্র: ভোগ অ্যারাবিয়া ও মাসারিশপ অবলম্বনে
ছবি সৌজন্য: ওয়্যারহাউস

বয়স চল্লিশের কোটা পার হতেই আয়নার সামনে দাঁড়ালে অনেকের মন খারাপ হয়ে যায়। বলিরেখা, চোখের নিচে কালো ছোপ কিংবা ত্বকের টানটান ভাব কমে যাওয়া— এসবই বার্ধক্যের স্বাভাবিক লক্ষণ। তবে বেশি যে সমস্যা ভোগায়, তা হলো ত্বকের অতিরিক্ত রুক্ষতা ও খসখসে ভাব। শুধু দামি ক্রিম মেখে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কারণ, বয়স...
১২ ঘণ্টা আগে
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের বয়স বাড়বে, এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, প্রকৃত বয়সের তুলনায় শরীরে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে যায় অনেক আগে। একেই বলা হয় অকালবার্ধক্য। শরীরের স্বাভাবিক বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াগুলো সময়ের আগে দৃশ্যমান হলে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বার্ধক্য অনিবার্য হলেও...
১৩ ঘণ্টা আগে
ইফতারে তেলে ভাজা বা বেশি মসলায় রান্না করা খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। স্বাস্থ্যকর ইফতারিতে কী রাখা যায়, তাই ভাবছেন কি? অত চিন্তা না করে রাখতে পারেন রঙিন ফলের সালাদ। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। এই রেসিপি যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনি সুস্বাদু...
১৮ ঘণ্টা আগে
সঠিক পরিকল্পনা, পুষ্টিকর খাবার এবং সহকর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণই পারে আপনার কর্মজীবনকে রমজানেও আনন্দময় ও চাপমুক্ত রাখতে। খাদ্যাভ্যাস এবং ঘুমের রুটিন বদলে যাওয়ায় অনেক সময় ক্লান্তি ও অবসাদ ভর করে। কিন্তু মনে রাখবেন, রোজা রেখে কাজ করা মানেই কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেওয়া নয়। সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক...
২০ ঘণ্টা আগে