গরমের দিনগুলো বারান্দা বা ছাদবাগানের গাছপালাগুলোকে সুস্থ, সতেজ এবং সবল রাখা তুলনামূলক কঠিন। এই কাঠফাটা গরমে গাছপালাকে আরামে এবং সঠিকভাবে সতেজ রাখার বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। যখন সূর্যের তীব্র তাপ থাকে, তখন পর্যাপ্ত আর্দ্রতা এবং ছায়ার ব্যবস্থা করে আপনার বাগানকে রক্ষা করতে হবে। গ্রীষ্মকালে আপনার গাছপালাকে সুরক্ষিত রাখতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হবে। সেগুলো জানতে পড়ুন পুরো ফিচারটি।
সকালে গাছে পানি দিন
এখন যেমন গরম পড়েছে, তাতে সূর্য প্রচণ্ডভাবে তাপ ছড়ানোর আগেই খুব সকালে আপনার বাগানে পানি দিতে পারলে সবচেয়ে ভালো। কারণ, যদি দুপুর বা বিকেলের দিকে পানি দেওয়া হয়, তাহলে বেশির ভাগ পানি গাছের শিকড়ে পৌঁছানোর আগেই বাষ্পীভূত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আপনি যদি সকালে গাছে পানি দিতে না পারেন, তবে সন্ধ্যার দিকে পানি দিন।
মাটিকে কড়া রোদ থেকে বাঁচাতে
শুকনো খড়কুটো গাছের গোড়ায় ছড়িয়ে রাখতে পারেন। কারণ, এটি সূর্যের আলো সরাসরি মাটিতে ফেলতে দেবে না। এ ছাড়াও গাছের বাকল, কাঠের গুঁড়াও টবের মাটির ওপর ছড়িয়ে দিতে পারেন। এগুলো মাটিকে সূর্যের আলো থেকে ছায়া দেবে, মাটিকে আর্দ্র রাখবে ও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পচে সার হয়ে যাবে।

ছায়ার ব্যবস্থা রাখুন
আপনি স্থানীয় নার্সারি থেকে ছায়া দেওয়ার আচ্ছাদন বা কাপড় কিনতে পারেন অথবা নিজেই তৈরি করতে পারেন। পুরোনো চাদর, পুরোনো জানালার পর্দা ইত্যাদি আপনার বাগানের গাছপালাকে কার্যকরভাবে ঠান্ডা রাখতে সক্ষম। ছাদে যেসব গাছের ওপর অতিরিক্ত সূর্যালোক পড়ে, সেগুলোর ওপরে ছায়া দেওয়ার জন্য এসব কাপড় টাঙিয়ে দেওয়া যেতে পারে। আর বারান্দায় হলে গ্রিলের নিচের অর্ধেকটা এসব কাপড় দিয়ে আড়াল করে দিন। আচ্ছাদনগুলো যেন প্রায় ৫০ শতাংশ কড়া রোদ প্রতিহত করতে সক্ষম হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।
গাছে অতিরিক্ত পানি দেওয়া থেকে বিরত থাকুন
গরম বলে সব গাছেই দুবেলা করে পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এতে করে পাতা নেতিয়ে পড়তে পারে। এ ছাড়াও গাছে অতিরিক্ত পানি দিলে মাটিতে থাকা অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হতে পারে, অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে এবং অবশেষে ছত্রাকজনিত রোগ সৃষ্টি হতে পারে। গাছে কেবল তখনই পানি দেওয়ার প্রয়োজন হয় যখন মাটি শুকনো থাকে। অতিরিক্ত পানি দেওয়া এড়াতে আগে টবের মাটি স্পর্শ করে নিশ্চিত হয়ে নিন যে তা শুকনো আছে কি না। থাকলে তবেই পানি দিন।
নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করুন
আগাছা সমস্ত পানি শুষে নিতে পারে। ফলে আপনার বাগানের গাছগুলো খুব কম পানি পায়। ভালো ফলাফলের জন্য সপ্তাহে একবার অথবা অন্ততপক্ষে মাসে দুবার আপনার বাগান থেকে আগাছা পরিষ্কার করুন।
তাপপ্রবাহের সময় সার দেবেন না
গ্রীষ্মকালে গাছ কেবল ভালোভাবে টিকে থাকার লড়াইটি করে। নিয়মিত পানিই যথেষ্ট এ সময়ে। তাপপ্রবাহের সময় গাছ অতিরিক্ত পুষ্টি খোঁজে না এবং সেগুলো ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুত থাকে না। তাই গরমের দিনগুলোয় মাটিতে এগুলো প্রবেশ করালে হিতে বিপরীত হতে পারে।

গাছের স্ট্রেস বা পীড়ন চিনতে শিখুন
ঋতুকালীন সমস্যাগুলো জেঁকে বসার আগেই সমস্যাগুলোকে নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে প্রস্তুত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রীষ্মকালে গাছের স্ট্রেসের যে সাধারণ লক্ষণগুলো থাকে, সেগুলো সাধারণত অতিরিক্ত তাপ এবং অপর্যাপ্ত পানির সঙ্গে সম্পর্কিত। যেসব গাছের পাতা নরম, সেগুলো অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে এলে সাধারণত নেতিয়ে পড়ে। যে পাতাগুলো একসময় উজ্জ্বল সবুজ ছিল, স্ট্রেসের কারণে সেগুলো ফ্যাকাশে দেখাতে পারে। গাছ স্ট্রেসের শিকার হলে ফুল এবং পাতা প্রায়ই ঝরে যায় বা হলুদ হয়ে যায়। তাই এই ঋতুতে গাছের দিকে প্রতিদিনই খেয়াল রাখতে হবে। পাতা হলুদ হয়ে গেলে তা ছেঁটে ফেলতে হবে। গাছের টবটি স্থানান্তর করতে হলে তা করতে হবে। ছায়ার প্রয়োজন হলে তা ছায়ায় নিয়ে রাখতে হবে।
সূত্র: দ্য লিটল বোটানিক্যাল ও প্যাচপ্ল্যান্টস

ওজন কমানো মানেই চর্বি ছেঁটে ফেলা। এই ওজন কমানোর যাত্রায় আমরা প্রায়ই সব চর্বিকে একই নজরে দেখি। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, সব চর্বি সমান নয়। আমাদের ত্বকের ঠিক নিচে যে চর্বি জমে, তা দেখতে খারাপ লাগলেও শরীরের জন্য ততটা বিপজ্জনক নয়। আসল শত্রু হলো ‘ভিসারেল ফ্যাট’ বা পেটের গভীরে থাকা চর্বি।
৭ ঘণ্টা আগে
কতটা সুস্থ থাকবেন, তা নির্ভর করে আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপন কেমন। প্রতিদিন কী ধরনের বাসনকোসন ব্যবহার করছেন, কেমন খাবার খাচ্ছেন—এসব ব্যাপার যেমন স্বাস্থ্য়ের ওপর প্রভাব ফেলে, তেমনি এগুলোর প্রভাব পরিবেশের ওপরও পড়ে। নিজের স্বাস্থ্য ও বাড়ির পরিবেশ ভালো রাখার জন্য সব সময় বড় কোনো উদ্যোগই নিতে হবে এমন....
৯ ঘণ্টা আগে
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি কনভেনশন হলে ‘সুফি নাইটস ও ডিনার’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
৯ ঘণ্টা আগে
অনেকেই বলেন বাথরুমে বসে নাকি সবচেয়ে সৃজনশীল বুদ্ধিটা মাথায় আসে। মনে আছে ছোটবেলায় শোনা বিশ্বখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের সেই গল্প। যেখানে বিজ্ঞানী এই মনীষী গোসলের টাবে নামতে গিয়েই পদার্থবিজ্ঞানের একটি যুগান্তকারী সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন।
১২ ঘণ্টা আগে