
কম তেলে দ্রুত রান্নার জন্য এখন অনেক ঘরে এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে তেল কম লাগলেও রান্নার সময় ভেতরে চর্বি, তেলের আস্তরণ ও খাবারের কণা জমে যায়। নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এয়ার ফ্রায়ার থেকে দুর্গন্ধ বের হতে পারে এবং রান্নার মানও নষ্ট হয়। ভালো খবর হলো, ওভেনের তুলনায় এটি পরিষ্কার করা অনেক সহজ। একটু নিয়ম মেনে চললেই এটি নতুনের মতো রাখা যায়।
পরিষ্কার শুরুর আগে যা মনে রাখবেন
এয়ার ফ্রায়ার পরিষ্কার করার আগে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখা জরুরি। প্রথমে যন্ত্রটি বন্ধ করে বিদ্যুৎ-সংযোগ থেকে প্লাগ খুলে ফেলতে হবে এবং সম্পূর্ণ ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। গরম অবস্থায় পরিষ্কার করতে গেলে হাত পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, একই সঙ্গে ভেতরের সংবেদনশীল অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ ছাড়া অনেক এয়ার ফ্রায়ারে বিশেষ ধরনের নন-স্টিক আবরণ ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ থাকে, যা গরম অবস্থায় বা ভুল উপায়ে পরিষ্কার করলে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তাই পরিষ্কার শুরু করার আগে যন্ত্রটির ব্যবহার নির্দেশিকা একবার দেখে নেওয়া ভালো। সেখানে কোন ধরনের পরিষ্কার সামগ্রী ব্যবহার করা যাবে বা কোনটা যাবে না, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া থাকে। এসব নির্দেশনা মেনে চললে এয়ার ফ্রায়ার দীর্ঘদিন ভালো থাকবে এবং নিরাপদে ব্যবহার করা যাবে।
বাইরে থেকে পরিষ্কার
পরিষ্কার করার সময় প্রথমে এয়ার ফ্রায়ারের বাইরের অংশে মনোযোগ দিন। কুসুম গরম পানিতে অল্প পরিমাণ সাবান মিশিয়ে একটি নরম কাপড় ভিজিয়ে ভালো করে নিংড়ে নিন। যেন কাপড় থেকে পানি না ঝরে। এরপর খুব হালকা করে যন্ত্রটির বাইরের অংশ মুছুন। বেশি শক্তিশালী ক্লিনার, জীবাণুনাশক স্প্রে বা খসখসে স্ক্রাবার ব্যবহার করা উচিত নয় এটি পরিষ্কার করতে। কারণ, এতে এয়ার ফ্রায়ারের বাইরের আবরণ উঠে যেতে পারে বা নষ্ট হতে পারে।
এতে যদি কাচের জানালা থাকে, তাহলে কাচ পরিষ্কারের স্প্রে ব্যবহার না করাই নিরাপদ। যন্ত্রটি গরম হলে এসব রাসায়নিকের অবশিষ্ট অংশ থেকে দুর্গন্ধ বা ক্ষতিকর গ্যাস বের হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বাইরের অংশ পরিষ্কারের কাজ শেষে একটি শুকনো ও পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নেওয়াই যথেষ্ট।
ভেতরের অংশ পরিষ্কার
এয়ার ফ্রায়ারের ঝুড়ি ও ট্রে সাধারণত খুলে নেওয়া যায় এবং অনেক সময় ডিশওয়াশারেও ধোয়া যায়। ঝুড়ির ভেতর নন-স্টিক আবরণ থাকে। তাই এটি পরিষ্কারে শক্ত স্ক্রাবার কিংবা এ থেকে খাবার তুলতে ধাতব চামচ ব্যবহার করবেন না। যদি খাবার লেগে শুকিয়ে যায়, তাহলে কুসুম গরম পানি ও সাবানে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। এরপর কাঠের বা প্লাস্টিকের স্প্যাচুলা দিয়ে আস্তে করে পরিষ্কার করুন। ভেতরের অন্যান্য অংশ কুসুম গরম পানিতে ভেজানো কাপড় দিয়ে মুছুন। যদি ফ্যান বা হিটিং এলিমেন্টে ময়লা আটকে থাকে, তাহলে একটি পরিষ্কার ও শুকনো টুথব্রাশ দিয়ে আলতো করে পরিষ্কার করা যায়।
মনে রাখবেন, কখনোই পুরো এয়ার ফ্রায়ার পানিতে ডুবিয়ে পরিষ্কার করবেন না।
দুর্গন্ধ হলে কী করবেন
নতুন এয়ার ফ্রায়ার থেকে প্লাস্টিকের গন্ধ এলে কয়েক মিনিট খালি অবস্থায় চালিয়ে নিলেই সাধারণত গন্ধ চলে যায়। পোড়া বা ধোঁয়ার মতো গন্ধ এলে বুঝতে হবে, ভেতরে খাবারের কণা রয়ে গেছে। সে ক্ষেত্রে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। তবু গন্ধ না গেলে, লেবুর টুকরো দিয়ে ভেতরের অংশ মুছে আবার পরিষ্কার পানি দিয়ে মুছে নিন।
বাড়তি টিপস
এয়ার ফ্রায়ারে সিলিকন বা কাগজের লাইনার ব্যবহার করলে পরিষ্কার রাখা সহজ হয়। তবে এগুলো যেন বাতাস চলাচলে বাধা না দেয় এবং হিটিং এলিমেন্টে না লাগে, সে বিষয়ে খেয়াল রাখুন।
সবশেষে, সংরক্ষণের আগে নিশ্চিত করুন, এয়ার ফ্রায়ারের ভেতর-বাইরে—সব অংশ পুরোপুরি শুকনো থাকে। ভেজা অবস্থায় ঢাকনা বন্ধ করলে দুর্গন্ধ হতে পারে এবং জীবাণু জমার ঝুঁকি থাকে।
নিয়মিত একটু যত্ন নিলেই আপনার এয়ার ফ্রায়ার থাকবে ঝকঝকে। রান্নাও হবে স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু।
সূত্র: টেক রাডার

ওজন কমানো মানেই চর্বি ছেঁটে ফেলা। এই ওজন কমানোর যাত্রায় আমরা প্রায়ই সব চর্বিকে একই নজরে দেখি। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, সব চর্বি সমান নয়। আমাদের ত্বকের ঠিক নিচে যে চর্বি জমে, তা দেখতে খারাপ লাগলেও শরীরের জন্য ততটা বিপজ্জনক নয়। আসল শত্রু হলো ‘ভিসারেল ফ্যাট’ বা পেটের গভীরে থাকা চর্বি।
৯ ঘণ্টা আগে
কতটা সুস্থ থাকবেন, তা নির্ভর করে আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপন কেমন। প্রতিদিন কী ধরনের বাসনকোসন ব্যবহার করছেন, কেমন খাবার খাচ্ছেন—এসব ব্যাপার যেমন স্বাস্থ্য়ের ওপর প্রভাব ফেলে, তেমনি এগুলোর প্রভাব পরিবেশের ওপরও পড়ে। নিজের স্বাস্থ্য ও বাড়ির পরিবেশ ভালো রাখার জন্য সব সময় বড় কোনো উদ্যোগই নিতে হবে এমন....
১০ ঘণ্টা আগে
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি কনভেনশন হলে ‘সুফি নাইটস ও ডিনার’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
১১ ঘণ্টা আগে
অনেকেই বলেন বাথরুমে বসে নাকি সবচেয়ে সৃজনশীল বুদ্ধিটা মাথায় আসে। মনে আছে ছোটবেলায় শোনা বিশ্বখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের সেই গল্প। যেখানে বিজ্ঞানী এই মনীষী গোসলের টাবে নামতে গিয়েই পদার্থবিজ্ঞানের একটি যুগান্তকারী সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন।
১৪ ঘণ্টা আগে