পূর্ণিমার রাত। চাঁদের গতর আজ আলোকোজ্জ্বল। মদিনার ধুলাবালিময় অলিগলি আজ একটু অন্য রকমই লাগছে। চাঁদের আলোয় ভরপুর। এদিকে জনমানবহীন নির্জন উপত্যকায় প্রিয় নবী (সা.)-এর সঙ্গে হেঁটে যাচ্ছিলেন উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.)। চারদিকে কেবল নীরবতা আর ধু ধু বালির রাজ্য। হঠাৎ করেই আয়েশা (রা.)-এর মনে এক অদ্ভুত ইচ্ছা জাগল। তিনি নবীজিকে বললেন, ‘প্রাণের স্বামী, একটা প্রতিযোগিতা হয়ে যাক। আসুন, আমাদের মধ্যে কে আগে দৌড়াতে পারে—দেখা যাক।’
আদরের স্ত্রীর কথা শুনে নবীজি (সা.) কিছুটা মুচকি হাসলেন। তাঁর সঙ্গে দূরের চাঁদটাও যেন হেসে উঠল। তিনি কোনো কথা বললেন না। ইশারায় বোঝালেন—তাহলে শুরু হোক।
আম্মাজান আয়েশা (রা.) দৌড় শুরু করলেন। তাঁর বয়স তখন কম। শরীরও বেশ হালকা-পাতলা। বাতাসের গতিতে তিনি ছুটে চললেন। সহজেই তিনি নবীজি (সা.)-কে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেলেন। নবীজি (সা.)-ও যেন ইচ্ছা করেই হেরে গেলেন! প্রিয়তমার কাছে মাঝে মাঝে হেরে যাওয়াও তো আনন্দের।
সময় কেটে গেল। সময়ের ব্যবধানে আম্মাজান আয়েশা (রা.) একটু স্বাস্থ্যবান হলেন। আগের মতো হালকা-পাতলা শরীর আর নেই। আবারও জনমানবহীন নির্জন উপত্যকা দিয়ে প্রিয় নবী (সা.)-এর সঙ্গে হেঁটে যাচ্ছিলেন উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.)। দুজনেরই মনে হলো সেই দৌড় প্রতিযোগিতার কথা। এবার নবীজি (সা.) নিজেই বললেন, ‘চলো, আবার প্রতিযোগিতা করি।’
বলতে না বলতেই দৌড় শুরু করলেন আয়েশা (রা.)। তাঁর মনে তো ভিন্ন এক আগ্রহ—এর আগের বার তিনি বিজয়ী হয়েছেন; কিন্তু এবার চিত্র পাল্টে গেল। নবীজি (সা.) তাঁর চেয়ে দ্রুতগতিতে দৌড়ে বিজয়ী হলেন। হাসতে হাসতে প্রিয়তমাকে বললেন, ‘এই জয় সেই জয়ের বদলা।’
তথ্যসূত্র: সুনানে আবু দাউদ: ২৫৭৮

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
জীবন চলায় বিপদ বা সমস্যা কখনো বলে আসে না। যেকোনো মুহূর্তে মানুষ কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে। অনেক সময় আমরা দিশেহারা হয়ে পড়ি, ধৈর্য হারিয়ে ফেলি। কিন্তু ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—কীভাবে বিপদে ধৈর্য ধরে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হয়।
১ দিন আগে
ব্রিটিশ ভারতের প্রখ্যাত হানাফি আলেম, হাদিস বিশারদ ও আধ্যাত্মিক সাধক মাওলানা খলিল আহমাদ সাহারানপুরি (রহ.) ছিলেন দেওবন্দি আন্দোলনের প্রথম প্রজন্মের অন্যতম প্রাণপুরুষ। তাঁর জ্ঞান ও পাণ্ডিত্যের সুবাস আজও সমগ্র মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে আছে।
১ দিন আগে
শুকনো বালির রাজ্যে দিগন্তরেখা পর্যন্ত কেবল ধু-ধু প্রান্তর। ধূসর পাহাড় আর রুক্ষ পাথুরে মাটির বুক চিরে এঁকেবেঁকে চলে গেছে পথ। সেই পথে হেঁটে চলেছে একদল মুসাফির। তাঁরা প্রিয় নবী (সা.)-এর শহর মদিনার উদ্দেশ্যে হিজরত করছে। তাঁদের গোত্রের নাম আশআরি। তাঁদের নেতৃত্বে আছেন হজরত আবু মুসা আশআরি (রা.)।
১ দিন আগে