সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত ও ঠিক মধ্যাহ্নে সব ধরনের নামাজ আদায় করা নিষিদ্ধ ও হারাম। এ ছাড়া কিছু কিছু সময়ে নামাজ আদায় করা মাকরুহ তথা অপছন্দনীয়। এখানে তেমন কিছু সময়ের কথা তুলে ধরা হলো—
» নামাজের নিষিদ্ধ সময়ে জানাজা এলে তা আদায় করতে পারবে। কিন্তু মাকরুহ হবে। (বুখারি: ১২৩১; মুসলিম: ১৩৭৩)
» কোনো ব্যক্তি ওই সময়ে আয়াতে সিজদা তিলাওয়াত করলে সিজদা আদায় করতে পারবে। কিন্তু মাকরুহ হবে। (তিরমিজি: ১৫৬)
» ফজরের নামাজের সময় হওয়ার পর দুই রাকাত সুন্নত নামাজ ছাড়া অন্য কোনো নফল নামাজ আদায় করা মাকরুহ। (মুসলিম: ১১৮৫)
» ফজরের নামাজের পর সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত নফল নামাজ আদায় করা মাকরুহ। (বুখারি: ৫৫১)
» আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত নামাজ আদায় করা মাকরুহ। (বুখারি: ৫৫১)
» ইকামতের সময় নামাজ পড়া মাকরুহ। (মুসলিম: ১১৬০)
» ঈদের নামাজের আগে ঈদগাহে কোনো নামাজ পড়া মাকরুহ।
» ঈদের নামাজের পরে ঘরেও কোনো নফল নামাজ নেই, ঈদগাহেও নেই। (ইবনে মাজাহ: ১২৮৩)
» সময় যদি এত কম হয় যে সুন্নত পড়তে গেলে ফরজ নামাজের সময় শেষ হয়ে যাবে, এমন সময় সুন্নত নামাজ পড়া মাকরুহ।
» খুব ক্ষুধা থাকলে এবং খাওয়ার তীব্র চাহিদা থাকলে নামাজ পড়া মাকরুহ। (মুসলিম: ৮৬৯) এমন সময়ে খাবার আগে খেয়ে পরে নামাজ আদায় করতে হবে।
» প্রস্রাব-পায়খানার বেগ নিয়ে নামাজ পড়া মাকরুহ। (মুসলিম: ৮৬৯)

মানুষ হিসেবে আমাদের জীবনে ছোট-বড় অনেক গুনাহ হতে পারে। তবে পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা তওবাকারী বান্দাকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। গুনাহমুক্ত জীবন আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত। আপনি যদি আপনার পাপ মোচন করতে চান এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চান, তবে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত এই দোয়াগুলো নিয়মিত পাঠ করতে পারেন।
৭ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামের ইতিহাসে মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধি (রহ.) এক কিংবদন্তি পুরুষ। একটি শিখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও সত্যের সন্ধানে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের ভিত কাঁপিয়ে দেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজানে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও কামাচার থেকে বিরত থাকা ফরজ। তবে অনেক সময় আমরা ধূমপান বা কয়েল-আগরবাতির ধোঁয়ার মতো বিষয়গুলো নিয়ে সংশয়ে থাকি। ইসলামি শরিয়তের আলোকে ধূমপান এবং রোজা ভঙ্গের বিভিন্ন কারণ নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
৮ ঘণ্টা আগে
খন্দকের ময়দানে তখন চলছে এক মহাকাব্যিক ব্যাকরণ। মুসলমানেরা দিনরাত পরিখা খনন করছেন। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) তাঁর কোদাল নিয়ে গভীর পরিখা খুঁড়ছেন। কিন্তু আজ তাঁর মনটা ভারী। কারণ তিনি দেখলেন, প্রিয় নবীজি (সা.) ক্ষুধার্ত অবস্থায় পেটে পাথর বেঁধে কাজ করছেন। জাবির (রা.)-এর হৃদয় কেঁপে উঠলো।
৮ ঘণ্টা আগে