
সুস্থতা মহান আল্লাহর দেওয়া অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। তবে মানুষের জীবনে অসুস্থতা আসা অস্বাভাবিক নয়; এটি কখনো গুনাহ মাফের মাধ্যম, আবার কখনো ধৈর্যের পরীক্ষা। ইসলাম অসুস্থ হলে যেমন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ওষুধ সেবনের তাগিদ দিয়েছে, তেমনি শিখিয়েছে মহান শাফি বা আরোগ্যদাতার দরবারে দোয়া করার পদ্ধতি। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে অসুস্থ হলে কিংবা কেউ অসুস্থ থাকলে বিশেষ কিছু দোয়া পাঠ করতেন, যা দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।
১. দ্রুত আরোগ্য লাভের বিশেষ দোয়া
আনাস বিন মালিক (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) অসুস্থ ব্যক্তিদের ঝাড়ফুঁক করার সময় এই দোয়াটি পাঠ করতেন—‘আল্লাহুম্মা রাব্বান নাসি মুজহিবাল বাসি, ইশফি আনতাশ-শাফি। লা শাফিয়া ইল্লা আনতা। শিফাআন লা ইউগাদিরু সাকামা।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, তুমি মানুষের রব, রোগ নিরাময়কারী। আমাকে আরোগ্য দান করো, তুমি আরোগ্য দানকারী। তুমি ছাড়া আর কেউ আরোগ্য দানকারী নেই। এমন আরোগ্য দাও; যেন কোনো রোগ অবশিষ্ট না থাকে।’ (সহিহ বুখারি: ৫৭৪২)
২. সব ধরনের রোগ থেকে মুক্তির দোয়া
একবার এক সাহাবি মারাত্মক পুষ্টিহীনতায় ভুগছিলেন। নবীজি (সা.) তাঁকে নিচের দোয়াটি করতে বললেন, যার বরকতে তিনি সুস্থ হয়ে উঠলেন। এটি সব ধরনের বিপদ ও অসুস্থতা থেকে মুক্তির জন্য এক অনন্য দোয়া। দোয়াটি হলো—‘রাব্বানা আতিনা ফিদ দুনইয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়া কিনা আজাবান নার।
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দান করুন এবং আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদের জাহান্নামের শাস্তি থেকে রেহাই দিন। (সহিহ মুসলিম: ২৬৬৮)
৩. সুস্থ জীবন লাভের দোয়া
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) এই দোয়াটি খুব বেশি পাঠ করতেন—‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাস সিহহাতা, ওয়াল ইফফাতা, ওয়াল আমানাতা, ওয়া হুসনাল খুলুকি ওয়ার রিজা বিল কাদরি।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে সুস্থতা, পবিত্রতা, আমানতদারি, চরিত্রমাধুর্য এবং তাকদিরের প্রতি সন্তুষ্টি কামনা করি।’ (কানজুল উম্মাল)

একজন সচেতন অভিভাবক হিসেবে সন্তানের শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি আত্মিক সুরক্ষার জন্য মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করা একান্ত প্রয়োজন। নবী করিম (সা.) আমাদের এমন কিছু শক্তিশালী দোয়া শিখিয়েছেন, যা নিয়মিত পাঠ করলে মহান আল্লাহ সন্তানকে যাবতীয় রোগবালাই, মহামারি এবং আকস্মিক বিপদ থেকে নিরাপদ রাখেন।
৯ ঘণ্টা আগে
ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ একটি ইবাদত কিয়ামুল লাইল। নফল ইবাদতের ক্ষেত্রে মৌলিক বিধান হলো, এগুলো একাকী আদায় করা। নবীজি (সা.), সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেইনদের যুগে নিয়মিতভাবে নফল নামাজ জামাতে আদায় করার কোনো প্রচলন ছিল না।
১১ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি ও বিশ্বখ্যাত আলেম শায়খ সালেহ আল-ফাওজান রহস্যজনকভাবে ইন্টারনেট থেকে তাঁর সমস্ত কর্মকাণ্ড ও উপস্থিতি সরিয়ে নিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে তাঁর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, প্রায় ১০ লাখ ফলোয়ারবিশিষ্ট টুইটার (এক্স) অ্যাকাউন্ট এবং ১০ লক্ষাধিক সাবস্ক্রাইবারসম্পন্ন ইউটিউব চ্যানেল।
১ দিন আগে