ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে রোজা অন্যতম। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাকাই হলো রোজা। তবে রোজা অবস্থায় অনিচ্ছাকৃত বা অসতর্কতাবশত বীর্যপাত হলে রোজার কী বিধান, তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে।
নিচে বীর্যপাতের বিভিন্ন ধরন ও রোজার ওপর তার প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
স্বপ্নদোষ: ঘুমের মধ্যে যদি স্বপ্নদোষ হয়, তবে এতে রোজা ভাঙবে না। রোজা অবস্থায় কেউ ঘুমালে এবং তার বীর্যপাত হলে রোজা নষ্ট হয় না। এ ক্ষেত্রে গোসল ফরজ হলে দ্রুত গোসল করে পবিত্র হয়ে নিতে হবে।
হস্তমৈথুন: রোজা অবস্থায় হস্তমৈথুন করা বা নিজ হাতে বীর্যপাত ঘটানো একটি জঘন্যতম গুনাহ। এতে রোজা ভেঙে যায়। তবে রোজা ভেঙে গেলেও দিনের অবশিষ্ট সময় সম্মানার্থে পানাহার থেকে বিরত থাকা জরুরি এবং তওবা করা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে এই রোজার পরিবর্তে পরে একটি কাজা আদায় করতে হবে। তবে কাফফারা (৬০টি রোজা) ওয়াজিব হবে না।
সহবাস: রোজা অবস্থায় দিনের বেলা স্বামী-স্ত্রী সহবাস করলে উভয়ের রোজা ভেঙে যাবে। এটি রোজার সবচেয়ে বড় লঙ্ঘন। এই রোজার কাজা করার পাশাপাশি কাফফারা আদায় করা ওয়াজিব। একটি রোজার কাফফারা হলো একটানা বা লাগাতার ৬০টি রোজা রাখা।
জাবের ইবনে জায়েদ (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ‘কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীর দিকে কামভাবের সঙ্গে তাকিয়ে বীর্যপাত ঘটালে কি রোজা ভেঙে যাবে?’ তিনি বললেন, ‘না, সে রোজা পূর্ণ করবে।’ (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা: ৬২৫৯)
যদিও এতে রোজা ভাঙে না, তবে রোজা রেখে অশ্লীল চিন্তা বা দৃশ্য দেখা গুরুতর পাপ এবং এতে রোজার আধ্যাত্মিক সওয়াব বা নুর নষ্ট হয়ে যায়।

ঘর হলো মানুষের ক্লান্তি দূর করার ও মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান আশ্রয়স্থল। নিজের ঘর হোক কিংবা অন্যের; সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসলামের সুন্দর কিছু নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন...
১২ মিনিট আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১৪ ঘণ্টা আগে