
ক্ষমতা বা রাজত্ব পেলে মানুষ আল্লাহ ভোলা হয়ে যায়। হয়ে ওঠে বেপরোয়া ও অহংকারী। দুর্বলের ওপর অবাধে চালায় অত্যাচার ও নিপীড়ন। আসলে ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা একটা বড় পরীক্ষা। ক্ষমতা পেয়ে বান্দা কেমন আচরণ করে, সেটাই দেখতে চান আল্লাহ তাআলা।
তবে সবাই তো এক না। পৃথিবীতে এমন মানুষও আছে যারা সুবিশাল রাজত্বের মালিক হয়েও আল্লাহকে ভুলে যাননি। ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি। এমন দু-একটি দৃষ্টান্ত নিম্নে প্রদত্ত হলো—
এক. হজরত সুলায়মান (আ.)
আল্লাহ তাআলা হজরত সুলায়মান (আ.)-কে একসঙ্গে দুটো নিয়ামত দান করেছিলেন। নবুওয়াত এবং রাজত্ব। তিনি তার সঠিক ব্যবহার করতে সক্ষমও হয়েছিলেন। তিনি আল্লাহর নিকট এমন রাজত্ব চেয়েছিলেন—যা দ্বিতীয় কাউকে দেওয়া হবে না। তাকে তা-ই দেওয়া হলো।
এমন ক্ষমতা পেয়েও তিনি ছিলেন আল্লাহর অনুগত বান্দা। জনগণের প্রতি বিন্দুমাত্র জুলুম করেননি। যার প্রশংসা করে স্বয়ং আল্লাহই বলেন, ‘আমি দাউদকে দান করলাম সুলায়মানের মতো পুত্র; সে ছিল উত্তম বান্দা। নিশ্চয়ই সে ছিল অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী।’ (সুরা সোয়াদ: ৩০)
দুই. বাদশা জুলকারনাইন
আল্লাহর অনুগত প্রতাপশালী বাদশা ছিলেন জুলকারনাইন। ইয়াজুজ-মাজুজ কর্তৃক নির্যাতিত এক দল মানুষ যখন তার কাছে সাহায্যের আবেদন করেন, তৎক্ষণাৎ তিনি তাদের ডাকে সাড়া দেন এবং তাদের উভয়ে মধ্যে এক শক্ত প্রাচীর নির্মাণ করে দেন।
তার এ জনকল্যাণমুখী কাজের প্রশংসা করে আল্লাহ বলেন, ‘সে বলল—আমার রব আমাকে যে সামৰ্থ্য দিয়েছেন, তা-ই উৎকৃষ্ট। কাজেই তোমরা আমাকে শ্রম দ্বারা সাহায্য কর, আমি তোমাদের ও তাদের মধ্যে এক মজবুত প্রাচীর গড়ে দেব। (সুরা কাহাফ: ৯৫)
এমন বহু নজির ইতিহাসের পাতায় বিদ্যমান। বিপরীতে জুলুম ও জালেমের ভয়াবহ পরিণতও দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট। আল্লাহ জালেম বাদশা থেকে আমাদের হেফাজত করুন।

ঘর হলো মানুষের ক্লান্তি দূর করার ও মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান আশ্রয়স্থল। নিজের ঘর হোক কিংবা অন্যের; সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসলামের সুন্দর কিছু নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন...
২৭ মিনিট আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১৪ ঘণ্টা আগে