জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য পেতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
| নামাজ | ওয়াক্ত শুরু | ওয়াক্ত শেষ |
|---|---|---|
| ফজর | ০৪: ৫২ মিনিট | ০৬: ০৬ মিনিট |
| জোহর | ১২: ০৮ মিনিট | ০৪: ২৬ মিনিট |
| আসর | ০৪: ২৭ মিনিট | ০৬: ০৮ মিনিট |
| মাগরিব | ০৬: ১১ মিনিট | ০৭: ২২ মিনিট |
| এশা | ০৭: ২৩ মিনিট | ০৪: ৪৭ মিনিট |
ঢাকার সময়ের সাথে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের সাথে নিচের সময়গুলো যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিন:
বিয়োগ করতে হবে
যোগ করতে হবে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে প্রতি বছর ফিরে আসে পবিত্র মাহে রমজান। সিয়াম সাধনার এই মাসটি যখন তার শেষ দশকে এসে দাঁড়ায়, তখন মুমিনের হৃদয়ে এক অদ্ভুত ব্যাকুলতা জাগে এক মহিমান্বিত রজনীকে পাওয়ার জন্য; যার নাম লাইলাতুল কদর বা মহিমান্বিত ভাগ্য রজনী। এটি আত্মশুদ্ধি এবং পরম করুণাময়ের সান্নিধ্য লাভের এক মাহেন্দ্রক্ষণ।
১৬ ঘণ্টা আগে
মদিনার রাত তখন শান্ত, নিস্তব্ধ। কিন্তু আবু হুরায়রা (রা.)-এর চোখে ঘুম নেই। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে জাকাত-ফিতরার কিছু জিনিস দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়েছেন। এই মহান দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি সারা রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। হঠাৎ তিনি দেখতে পান, এক রহস্যময় ছায়ামূর্তি গুদামের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
উম্মতে মুহাম্মদির স্বল্প হায়াতের ইবাদতের ঘাটতি পূরণে মহান আল্লাহর এক বিশেষ উপহার হলো লাইলাতুল কদর। হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ এই রাতে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে বান্দা তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়। এই তাৎপর্যপূর্ণ রাতের ফজিলত পূর্ণমাত্রায় পেতে হলে আমাদের কিছু সুনির্দিষ্ট করণীয়...
১৭ ঘণ্টা আগে
রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক অনন্য সময়। এই ইবাদতের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সেহরি ও ইফতার—দিনের শুরু ও সমাপ্তির দুই বরকতময় মুহূর্ত। সেহরি কেবল খাবারের নাম নয়, বরং এটি সুন্নাহর অনুসরণ; আর ইফতার হলো আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের বিশেষ সময়।
২ দিন আগে