অজুর মধ্যে এমন কিছু আবশ্যক কাজ রয়েছে, যার কোনো একটি বাদ পড়লে অজু সম্পূর্ণ হবে না এবং নামাজও শুদ্ধ হবে না। এগুলোকে ‘অজুর ফরজ’ বলা হয়। পবিত্র কোরআনের সুরা মায়িদার ৬ নম্বর আয়াত এবং হাদিসের সুনির্দিষ্ট বর্ণনা অনুযায়ী অজুর ফরজ মোট ৪টি।
পবিত্র কোরআনের নির্দেশ—‘হে মুমিনগণ, যখন তোমরা নামাজের জন্য দাঁড়াও, তখন স্বীয় মুখমণ্ডল, দুই হাত কনুই পর্যন্ত ধৌত করো, মাথা মাসেহ করো এবং টাখনুসহ দুই পা ধৌত করো।’ (সুরা মায়িদা: ০৬)
অজুর প্রথম ফরজ হলো পুরো মুখমণ্ডল একবার ধুয়ে ফেলা। কপালের চুলের রেখা (যেখান থেকে সাধারণত চুল গজায়) থেকে শুরু করে চিবুকের নিচ পর্যন্ত এবং এক কানের লতি থেকে অন্য কানের লতি পর্যন্ত পুরো অংশ ধুতে হবে। মুখের বাহ্যিক কোনো অংশ যেন শুকনো না থাকে।
হাতের তালু বা আঙুলের মাথা থেকে শুরু করে কনুইসহ দুই হাত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলা অজুর দ্বিতীয় ফরজ। ধোয়ার সময় লক্ষ রাখতে হবে যেন কনুই বা হাতের কোনো অংশ শুকনো না থাকে। হানাফি মাজহাবে কনুই পর্যন্ত ধোয়া ফরজ এবং কনুইয়ের ওপরের অংশ ধোয়া সুন্নত।
ভেজা হাত দিয়ে মাথা মোছা বা মাসেহ করা অজুর তৃতীয় ফরজ। হানাফি মাজহাব অনুযায়ী মাথার সামনের দিক থেকে অন্তত চার ভাগের এক ভাগ (এক-চতুর্থাংশ) অংশে ভেজা হাত বুলিয়ে নিলেই ফরজ আদায় হয়ে যায়। (অন্যান্য মাজহাবে, যেমন শাফিই মাজহাবে পুরো মাথা মাসেহ করা ফরজ)।
দুই পায়ের পাতা থেকে শুরু করে টাখনু বা পায়ের গিরাসহ (গিট) ভালোভাবে ধুয়ে ফেলা অজুর চতুর্থ ও শেষ ফরজ। পা ধোয়ার সময় আঙুলের ফাঁক বা গোড়ালির কোনো অংশ যেন শুকনো না থাকে। পায়ের আঙুল ধোয়ার সময় বাম হাতের কনিষ্ঠা আঙুল দিয়ে খিলাল বা পরিষ্কার করা সুন্নত।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
৯ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১০ ঘণ্টা আগে
তাহিয়্যাতুল মসজিদ বা দুখুলুল মসজিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ। তাহিয়্যা অর্থ উপহার এবং দুখুল অর্থ প্রবেশ করা। মসজিদে প্রবেশ করেই উপহার হিসেবে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা হয় বলে এর নাম তাহিয়্যাতুল মসজিদ অথবা দুখুলুল মসজিদ।
২১ ঘণ্টা আগে