সামাজিক জীব হিসেবে মানুষকে কথা বলতেই হয়। নিজের প্রয়োজন যেমন তাকে অন্যের কাছে ব্যক্ত করতে হয়, তেমনি অন্যের প্রয়োজনেও তাকে এগিয়ে আসতে হয়। এ ক্ষেত্রে কথা বলার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু কথা বলার ক্ষেত্রেও মুমিনকে কিছু আদব-কায়দা বা শিষ্টাচার মেনে চলার নির্দেশনা পবিত্র কোরআনে দেওয়া রয়েছে।
১. কথা বলার আগে সালাম দেওয়া। পরস্পর কথা বলার সময় অভিবাদনস্বরূপ সালাম দিয়ে শুরু করা কোরআনের নির্দেশ, যা আমাদের জন্য কল্যাণময় ও পবিত্র। (সুরা নুর: ৬১)
২. সতর্কতার সঙ্গে কথা বলা। কেননা প্রতিটি কথা ফেরেশতারা সংরক্ষণ করে রাখেন।
(সুরা কাফ: ১৮)
৩. সুন্দরভাবে ও উত্তমরূপে কথা বলা। কোরআনে মানুষের সঙ্গে সদালাপ করার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। (সুরা বাকারা: ৮৩)
৪. অনর্থক ও বাজে কথা পরিহার করা। এটি পরিহার করা মুমিনের অনন্য গুণ। (সুরা নুর: ৩)
৫. সংযত স্বরে কথা বলা। ক্ষীণ স্বরে কথা বলা অর্থাৎ প্রয়োজনের অতিরিক্ত উচ্চ আওয়াজ না করা। হইচই, চিৎকার, চেঁচামেচি ও শ্রুতিকটু স্বর গাধার সুরের মতোই অপ্রীতিকর। (সুরা লুকমান: ১৯)
৬. যাচাই করে কথা বলা। কেননা শোনা কথা যাচাই না করে বলে বেড়ানো ঠিক নয়। এর মাধ্যমে সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টি হয়। (সুরা হুজুরাত: ৬)
৭. সঠিক কথা বলা। কেননা কোরআনে তাকওয়া অবলম্বন করার সঙ্গে সঙ্গে সঠিক কথা বলার আদেশও এসেছে। (সুরা আহজাব: ৭০-৭১)
৮. নরম স্বরে কথা বলা। কাউকে আঘাত দিয়ে কথা না বলা। নম্র ও দরদি ভাষায় কথা বলা। (সুরা তোহা: ১৯)
৯. গায়রে মাহরামের সঙ্গে মধুর ও আকর্ষণীয় ভাষায় কথা না বলা। তবে তিক্ত ও রুক্ষ ভাষাও নয়; বরং সাদামাটাভাবে প্রয়োজনীয় কথাটুকু বলা। (সুরা আহজাব: ৩২)
১০. মূর্খ ও অজ্ঞদের সাধ্যমতো এড়িয়ে চলা। মূর্খ লোকেরা সাধারণত অশালীন ভাষায় সম্বোধন করে। এমন পরিস্থিতিতে ‘সালাম’ বলে এড়িয়ে যাওয়া। (সুরা ফুরকান: ৬৩)

ঘর হলো মানুষের ক্লান্তি দূর করার ও মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান আশ্রয়স্থল। নিজের ঘর হোক কিংবা অন্যের; সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসলামের সুন্দর কিছু নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন...
২ মিনিট আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১৪ ঘণ্টা আগে