আমাদের বলা হয় মাছে-ভাতে বাঙালি। এ দেশের এক সময়ের চিত্র ছিল—গোলা ভরা ধান আর পুকুর ভরা মাছ। নদীতে জাল ফেললেই ধরা পড়তো বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। আধুনিকতার ছোঁয়ায় সেই জীবন এখন আর নেই বললেই চলে। সময়ের পরিক্রমায় হারিয়ে গেছে গোলা। আর পুকুর ভরে হয়ে গেছে বাড়ি-ঘর।
তবুও প্রতিনিয়ত আমাদের খাবারের তালিকায় মাছ থাকে। মাছ আমাদের অন্যতম পছন্দের আমিষ।
মাছের রয়েছে নানা উপকারিতা। গবেষকদের মতে, ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ, যেমন স্যালমন, সার্ডিন ইত্যাদি সপ্তাহে দুই দিন খেলে মস্তিষ্কের ক্ষয় রোধ হয়। এ ছাড়া প্রতিদিন মাছ খেলে শরীরে কোলাজেন বাড়ে। ত্বক এবং চুল, দুটোর জন্যই ভালো কোলাজেন। মাছ রক্তে চিনির মাত্রা বজায় রাখে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে মাছ।
মাছ কেনা, কাটা, বাছা, ধোয়ার সময় কখনো শরীরে বা কাপড়ে মাছের রক্ত কিংবা পানি লেগে থাকে। এই রক্ত বা পানি কি নাপাক? এগুলো শরীরে, কাপড়ে লাগলে কী তা নাপাক হয়ে যাবে? এমন শরীর, কাপড় নিয়ে কি নামাজ আদায় বা কোরআন তিলাওয়াত করা যাবে?—এমন প্রশ্ন অনেকেরই মনে।
মাছের রক্ত বা পানি কি নাপাক
ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী—মাছের রক্ত বা পানি কোনোটিই নাপাক নয়। তাই মাছ কেনা, কাটা, বাছা, ধোয়ার সময় কাপড়ে বা শরীরে লাগলে তা নাপাক হবে না। এই শরীর, কাপড় নিয়ে নামাজ আদায় করা যাবে, কোরআন তিলাওয়াতও করা যাবে।
তথ্যসূত্র- বাদায়েউস সনায়ে ১/১৯৫, বাহরুর রায়েক: ১/২৪৭, রদ্দুল মুহতার: ১/৩২২, খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/৪৪, ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ১/৪৬
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
জীবন চলায় বিপদ বা সমস্যা কখনো বলে আসে না। যেকোনো মুহূর্তে মানুষ কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে। অনেক সময় আমরা দিশেহারা হয়ে পড়ি, ধৈর্য হারিয়ে ফেলি। কিন্তু ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—কীভাবে বিপদে ধৈর্য ধরে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হয়।
১ দিন আগে
ব্রিটিশ ভারতের প্রখ্যাত হানাফি আলেম, হাদিস বিশারদ ও আধ্যাত্মিক সাধক মাওলানা খলিল আহমাদ সাহারানপুরি (রহ.) ছিলেন দেওবন্দি আন্দোলনের প্রথম প্রজন্মের অন্যতম প্রাণপুরুষ। তাঁর জ্ঞান ও পাণ্ডিত্যের সুবাস আজও সমগ্র মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে আছে।
১ দিন আগে
শুকনো বালির রাজ্যে দিগন্তরেখা পর্যন্ত কেবল ধু-ধু প্রান্তর। ধূসর পাহাড় আর রুক্ষ পাথুরে মাটির বুক চিরে এঁকেবেঁকে চলে গেছে পথ। সেই পথে হেঁটে চলেছে একদল মুসাফির। তাঁরা প্রিয় নবী (সা.)-এর শহর মদিনার উদ্দেশ্যে হিজরত করছে। তাঁদের গোত্রের নাম আশআরি। তাঁদের নেতৃত্বে আছেন হজরত আবু মুসা আশআরি (রা.)।
১ দিন আগে