
শাটডাউনের (অচলাবস্থা) পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হাজার হাজার সরকারি কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে হোয়াইট হাউস। আর এই সিদ্ধান্তের জন্য ডেমোক্র্যাটদেরই দায়ী করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তাঁর প্রশাসনের পক্ষ থেকে গতকাল শুক্রবার জানানো হয়েছে, ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট, স্বাস্থ্য সংস্থা, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সাইবার নিরাপত্তা ইউনিটে এরই মধ্যে কর্মী ছাঁটাই শুরু হয়েছে। তবে মোট কতজন কর্মী চাকরি হারাতে যাচ্ছেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
শাটডাউন বলতে বোঝায় সরকারের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া বা অচল হয়ে পড়া। কারণ, সরকার পরিচালনা করতে যে অর্থের প্রয়োজন পড়ে, তা অনুমোদন করছে না কংগ্রেস।
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের শুরুতে ট্রাম্পের সংকোচন অভিযানের অংশ হিসেবে প্রায় তিন লাখ ফেডারেল কর্মী চাকরিচ্যুত হওয়ার তালিকায় ছিলেন।
হোয়াইট হাউসে গতকাল এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প বলেন, ‘ওরা (ডেমোক্র্যাটরা) বিষয়টা শুরু করেছে।’
তিনি ছাঁটাইকে ‘ডেমোক্র্যাটকেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করেন।
ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল কংগ্রেসের দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা রাখলেও সরকারি তহবিল অনুমোদনের জন্য সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের ভোটের প্রয়োজন হয়।
ডেমোক্র্যাটরা স্বাস্থ্যবিমা ভর্তুকি বাড়ানোর দাবিতে অটল আছেন। তাঁদের যুক্তি, যদি এই ভর্তুকি নবায়ন করা না হয়, তাহলে ‘অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টের’ আওতায় থাকা প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ আমেরিকান নাগরিকের স্বাস্থ্য খরচ মারাত্মকভাবে বেড়ে যাবে।
শাটডাউন সংকট গতকাল দশম দিনে গড়ায়। ট্রাম্প এর মধ্যে একাধিকবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সরকারি কর্মীদের তিনি বরখাস্ত করবেন এবং তাঁর প্রশাসনের ছাঁটাই মূলত সেসব সংস্থাকে লক্ষ্য করে হবে, যেগুলো ডেমোক্র্যাটদের সমর্থনে চলে।
এ ছাড়া ট্রাম্প অন্তত ২৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অবকাঠামো তহবিল স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া ও ইলিনয়ে; যেগুলোতে ডেমোক্র্যাট ভোটার ও প্রশাসনের সমালোচকদের উপস্থিতি বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস আদালতে দাখিল করা নথিতে জানিয়েছে, সাতটি ফেডারেল সংস্থায় ৪ হাজার ২০০-এর বেশি কর্মীকে ছাঁটাইয়ের নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
এর মধ্যে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি ট্রেজারি বিভাগে এবং কমপক্ষে ১ হাজার ১০০ জন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগে চাকরি হারিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, দুই দেশ যুদ্ধ অবসান, ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনই নির্ধারিত হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি সত্ত্বেও যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি এখনো স্বাক্ষরের পথে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘বিচারবোধহীন’...
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৩ ঘণ্টা আগে