
ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সাময়িকী দ্য আটলান্টিকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব তাঁর প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করতে ইচ্ছুক এবং তিনি সেই আহ্বানে সাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।
আটলান্টিক ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা (ইরানের নতুন নেতৃত্ব) কথা বলতে চায় এবং আমি তাতে রাজি হয়েছি। সুতরাং, আমি তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসব।’
আলোচনায় সম্মত হলেও ইরানের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তাদের আরও আগেই এটি করা উচিত ছিল। তারা অনেক বেশি দেরি করে ফেলেছে।
তবে নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে এই আলোচনা ঠিক কবে বা কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে ট্রাম্প নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি।
এদিকে ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উত্তেজনা প্রশমনে ইরানও আলোচনার পথ খোলা রেখেছে। আজ রোববার ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদির সঙ্গে এক ফোনালাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ কথা জানান। ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস। শনিবার এক বিবৃতিতে দলটি এই হামলাকে ‘যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া পরিচালিত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্পষ্ট ভাষায় এর বিরোধিতা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তুলনামূলকভাবে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নৌযান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে এবং সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের নৌবাহিনীর সদরদপ্তরও অনেকাংশে ধ্বংস করে দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গত রাতে মার্কিন বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমানগুলো ২ হাজার পাউন্ড ওজনের শক্তিশালী বোমা নিয়ে ইরানের সুরক্ষিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে। আমেরিকার সংকল্প নিয়ে কোনো জাতিরই সন্দেহ করা উচিত নয়।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে