
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প আজ মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) ১৯তম বার্ষিক আন্তর্জাতিক সাহসী নারী (আইডব্লিউওসি) পুরস্কার অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছেন। এই অনুষ্ঠানে বিশ্বজুড়ে আটজন অসাধারণ নারীর পাশাপাশি ম্যাডেলিন অলব্রাইট অনারারি গ্রুপ আইডব্লিউওসি পুরস্কারপ্রাপ্তদের সম্মান জানানো হবে।
এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি নারীদেরও সম্মাননা দেওয়া হবে। তবে, এই পুরস্কার নিয়ে অনেকে রাজনৈতিক বিতর্কের অবতারণা করেছেন। গতকাল সোমবার নিয়মিত ব্রিফিংয়ের সময় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে তাদের ২০২৪ সালের আন্দোলনের জন্য বাংলাদেশি মেয়েরা পুরস্কার পাচ্ছে, আপনার কোনো মন্তব্য আছে কি?’
ব্রুস বলেন, ‘আমি আপনার প্রশ্নের শেষ অংশের অর্থাৎ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সর্বশেষ যে গতিপ্রকৃতি, সে সম্পর্কে অনুমানমূলক কোনো কথা বলতে চাইছি না। তবে আমি এই সুযোগে বিষয়টি আবারও উল্লেখ করতে চাই যে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প আগামীকাল (আজ মঙ্গলবার) এখানে পররাষ্ট্র দপ্তরে ১৯তম বার্ষিক আন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কার অনুষ্ঠানের আয়োজন করছেন।’
এই সম্মাননার বিষয়ে ব্রুস বলেন, আইডব্লিউওসি পুরস্কার বিশ্বজুড়ে এমন নারীদের স্বীকৃতি দেয়, যারা শান্তি, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়নের জন্য ব্যতিক্রমী সাহস, শক্তি ও নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছেন। এই পুরস্কারপ্রাপ্তরা প্রায়শই তাঁদের প্রচেষ্টার ফলে বড় ধরনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখোমুখি হন।
২০০৭ সাল থেকে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ৯০টিরও বেশি দেশ থেকে ২০০ জনেরও বেশি নারীকে আইডব্লিউওসি পুরস্কারে সম্মানিত করেছে। মার্কিন কূটনৈতিক মিশনগুলো তাদের নিজ নিজ স্বাগতিক দেশ থেকে একজন সাহসী নারীকে মনোনীত করে এবং সিনিয়র বিভাগীয় কর্মকর্তারা চূড়ান্ত নির্বাচন এবং অনুমোদন করেন।
অনুষ্ঠানের পরে পুরস্কারপ্রাপ্তরা ওয়াশিংটন ডিসিতে আন্তর্জাতিক ভিজিটর লিডারশিপ প্রোগ্রাম এক্সচেঞ্জ এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে আরেকটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। সেখানে তাঁরা বিশ্বজুড়ে নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়নের জন্য তাঁদের কাজ আরও এগিয়ে নেওয়ার কৌশল নিয়ে আমেরিকান প্রতিপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩১ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে