
যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে একটি ফুটবল ম্যাচ শেষে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত চারজন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা শনিবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দা গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার স্থানীয় সময় গভীর রাতে ওয়াশিংটন কাউন্টির ছোট শহর লিল্যান্ডে। লিল্যান্ডের মেয়র জন লি আজ শনিবার স্থানীয় সময় সকালে টেলিফোনে দ্য গার্ডিয়ানকে জানান, আহতদের মধ্যে অন্তত ১২ জনকে আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
লি বলেন, লিল্যান্ডের প্রধান সড়কে স্থানীয় হাইস্কুলের ফুটবল ম্যাচ শেষে বিজয়ী দলের উদ্যাপনে ভিড় জমে। তখনই সেখানে হামলা চালানো হয়। লিল্যান্ড হাইস্কুলের দলটি চার্লস্টন হাইস্কুলের বিপক্ষে খেলেছিল।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজ্য সিনেটর ডেরিক সিমন্স জানান, খেলা শেষে আয়োজিত এক সমাবেশের সময়ই গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও জানান, গুরুতর আহত চারজনকে হেলিকপ্টারে করে ইউনিভার্সিটি অব মিসিসিপি মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সন্দেহভাজনের নাম প্রকাশ করা হয়নি বা তাঁর জীবিত থাকা কিংবা অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য মেলেনি।
স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মিসিসিপি ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ঘটনাটি তদন্ত করছে। লিল্যান্ড পুলিশ বিভাগের এক কর্মকর্তা দা গার্ডিয়ানকে জানান, তদন্ত এখনো চলছে এবং আপাতত আরও কোনো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়।
মেয়র জন লি বলেন, ‘আমি নিহতদের পরিবার ও চিকিৎসাধীন সকলের প্রতি সমবেদনা জানাতে চাই। আমাদের সবার জন্য প্রার্থনা করবেন।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৪১ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৪৪ মিনিট আগে