Ajker Patrika

হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা দিতে ‘প্রস্তুত নয়’ মার্কিন বাহিনী

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা দিতে ‘প্রস্তুত নয়’ মার্কিন বাহিনী
গতকাল ভারতের গুজরাট অভিমুখে যাত্রা করা থাইল্যান্ডের পতাকাবাহী একটি মালবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার হয়। ছবি: এএফপি

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ অব্যাহত থাকলেও সেখান দিয়ে তেলবাহী জাহাজগুলোকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী এখনো ‘প্রস্তুত নয়’। আজ বৃহস্পতিবার ট্রাম্প প্রশাসনের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন।

এর আগে গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, মার্কিন নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরে জাহাজগুলোকে পাহারা দেবে। কিন্তু বাণিজ্যমন্ত্রী রাইট আজ বৃহস্পতিবার বলেছেন, এখনই এমন পদক্ষেপ নেওয়া ‘সম্ভব নয়’। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত নই। আমাদের সব সামরিক সরঞ্জাম এখন ইরানের অবকাঠামো ধ্বংস করার কাজে নিয়োজিত। আমরা স্থায়ীভাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণের সক্ষমতা, রাস্তাঘাট তৈরি এবং পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনার সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতে চাই।’

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকি সত্ত্বেও ইরান বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি বন্ধ করে রেখেছে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দামের ব্যাপক ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। রাইট এই সংকটকে ‘দীর্ঘমেয়াদি লাভের জন্য স্বল্পমেয়াদি যন্ত্রণা’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি বাজারে হুমকি দেওয়ার সক্ষমতাকে ‘ধ্বংস’ করে দিচ্ছে।

এদিকে, আজ প্রথমবারের মতো ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া রেকর্ড করা ভাষণে নতুন সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, ‘হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে। আমার দেশের জনগণের ইচ্ছা হলো কার্যকর ও প্রতিরোধমূলক প্রতিরক্ষা চালিয়ে যাওয়া। হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার কৌশলটিও অব্যাহত রাখতে হবে।’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭০ ডলার। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর পর গত রোববার সর্বোচ্চ ১২০ ডলারে পৌঁছেছিল ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত