
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ যদি আরও কয়েক মাস স্থায়ী হয়, তবে মার্কিন অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর ক্রিস ওয়ালার এ কথা বলেছেন।
ওয়ালার জানান, মার্কিন অর্থনীতির দুই-তৃতীয়াংশ কর্মকাণ্ডই চলে সাধারণ ভোক্তাদের খরচের ওপর ভিত্তি করে। তিনি বলেন, ‘ভোক্তারা এখন তাদের গাড়ির গ্যাস ট্যাংকের দিকে তাকাচ্ছেন এবং জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম দেখছেন। তারা হিসাব করছেন যে অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের তুলনায় জ্বালানি খাতে কত বেশি অর্থ ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। এটি সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই পরিস্থিতি অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে তা এখনই বলছি না, তবে আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি দুর্বল করে দিতে পারে।’
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন অর্থনীতি চাঙা করতে ফেডারেল রিজার্ভকে সুদের হার কমানোর জন্য বারবার চাপ দিয়ে আসছেন। ওয়ালার জানান, তিনিও সুদের হার কমানোর পক্ষেই ছিলেন—বিশেষ করে গত ৬ মার্চ প্রকাশিত ফেব্রুয়ারির কর্মসংস্থান রিপোর্ট দেখার পর (ওই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ৯২ হাজার মানুষ কাজ হারিয়েছেন)।
তবে গত কয়েক দিনে পরিস্থিতির ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। ওয়ালার বলেন, ‘এখন হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেছে। এটি দেখে মনে হচ্ছে যে যুদ্ধটি দীর্ঘস্থায়ী হতে যাচ্ছে এবং তেলের দাম আরও অনেক দিন চড়া থাকবে। এর ফলে মুদ্রাস্ফীতি বা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ আমার আগের ধারণার চেয়েও অনেক বেড়ে গেছে।’
উল্লেখ্য, বর্তমানে ফেডারেল রিজার্ভের কর্মকর্তারা উচ্চ শুল্কের প্রভাব এবং দুর্বল হয়ে পড়া শ্রমবাজার পর্যবেক্ষণ করছেন। মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কায় তারা এ বছর এখন পর্যন্ত সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু ওয়ালারের এই বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী নীতি নির্ধারণী বৈঠকে সুদের হার কমানো বা না কমানো নিয়ে তীব্র বিতর্ক হতে পারে।

ইউরোপের দেশ চেক প্রজাতন্ত্রে ইসরায়েলের বৃহত্তম অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘এলবিট সিস্টেমস’-এর একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার ‘আর্থকোয়েক ফ্যাকশন’ নামক একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি....
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার প্রভাব এবার সরাসরি বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও সামরিক কৌশলে পড়তে শুরু করেছে। একদিকে ইরান হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, অন্যদিকে নিরাপত্তা শঙ্কার মুখে ইরাক থেকে সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করেছে ন্যাটো।
২ ঘণ্টা আগে
ইরান জানিয়েছে, তাদের উপকূল ঘেঁষে তৈরি এই নতুন করিডর দিয়ে কেবল তাদের বাছাই করা জাহাজগুলোই যাতায়াত করতে পারবে। ইনজামাম রশিদ বলেন, ‘ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, আইআরজিসির পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ এ পথে প্রবেশ করতে পারবে না।’
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার মেরিন ও নৌসেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে। আজ শুক্রবার তিন মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এ বিষয়টি এমন একসময়ে এল, যখন ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ তিন সপ্তাহ পার করতে যাচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে