প্রখ্যাত ইসলামিক পণ্ডিত ড. জাকির নায়েক পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একটি অনুষ্ঠান চলাকালে মঞ্চ থেকে নেমে গেছেন। এতিমদের প্রতিষ্ঠান ‘পাকিস্তান সুইট হোম’ আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ডা. জাকির নায়েককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুষ্ঠানে ডা. জাকির নায়েক বক্তব্য রাখেন এবং দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। যা হোক, অনুষ্ঠান শেষে সুইট হোমের চেয়ারম্যান জামুরাদ খান মেয়েদের মঞ্চে ডাকেন তাদের উপহার দেওয়ার জন্য। এ সময় ডা. জাকির নায়েক মঞ্চ থেকে নেমে যান।
এর ব্যাখ্যা জাকির নায়েক বলেছেন, ওই মেয়েরা তাঁর কাছে গায়রে মাহরাম ছিল। এজন্য তিনি তাঁদের কাছে উপহার তুলে দিতে অপারগ ছিলেন। এই ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
এরপর ডা. জাকির নায়েক ছেলেদের হাতে উপহার তুলে দিতে মঞ্চের দিকে এগিয়ে যান। তিনি পরে জামুরাদ খানকে বলেন, তিনি মেয়েদের শারীরিকভাবে স্পর্শ করবেন না, কারণ তাঁরা গায়রে মাহরাম।
ডা. জাকির নায়েক গত ৩০ সেপ্টেম্বর একটি সংক্ষিপ্ত সফরের জন্য ইসলামাবাদে পৌঁছান। এরপর তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদান এবং সমাবেশে যোগদানের জন্য করাচি যান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৪৪ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে