
৪৩ বছর আগে নিখোঁজ হওয়া এক ইসরায়েলি সেনার মরদেহ সিরিয়া থেকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে একটি যৌথ অভিযানে এই মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ রোববার (১১ মে) ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ‘সার্জেন্ট জভিকা ফেল্ডম্যানের মৃতদেহ সিরিয়ার কেন্দ্রস্থল থেকে উদ্ধার করে ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।’
এ বিষয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, ১৯৮২ সালে লেবাননের বেকা উপত্যকার সুলতান ইয়াকুবে ইসরায়েল ও সিরিয়ার সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় ফেল্ডম্যানসহ তিন ইসরায়েলি সেনা নিখোঁজ হন। সীমান্তের কাছে সংঘটিত ওই যুদ্ধে নিখোঁজ অন্য দুই সেনা হলেন জাকারিয়া বাউমেল ও ইহুদা কাটজ।
তবে ফেল্ডম্যানের মরদেহ কীভাবে সিরিয়ার কেন্দ্রস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, সে সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য প্রকাশ করেনি সেনাবাহিনী। তারা বলেছে, ‘এই উদ্ধার কার্যক্রম ছিল অত্যন্ত জটিল ও গোপনীয়। নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে এটি পরিচালিত হয়েছে।’
সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে—এটি ছিল চার দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা একটি দীর্ঘমেয়াদি গোয়েন্দা অভিযানের ফলাফল। মৃতদেহ উদ্ধার করার পর সেটিকে সেনাবাহিনীর জেনোমিক সেন্টারে শনাক্ত করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী ও সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই তথ্য ফেল্ডম্যানের পরিবারকে জানানো হয়। শুধু তাই নয়, ফেল্ডম্যানের মরদেহ খুঁজে পাওয়ার তথ্যটি নিখোঁজ অপর সার্জেন্ট ইহুদা কাটজের পরিবারকেও অবহিত করা হয়।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, নিখোঁজ তিন সেনাকে খুঁজে বের করতে বছরের পর বছর ধরে গোপন অভিযান পরিচালনা করেছেন তিনি। নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি ফেল্ডম্যান পরিবারকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তাদের ছেলেকে ঘরে ফেরানোর প্রচেষ্টা কখনো থামবে না। এখনো আমরা ইহুদা কাটজকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, ইসরায়েলে বেশির ভাগ ইহুদি পুরুষের জন্য সেনাবাহিনীতে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। ফলে দশকজুড়ে নিখোঁজ সেনাদের ঘটনাগুলো সেখানে গভীর আবেগ ও রাজনৈতিক গুরুত্ব বহন করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩১ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৫ মিনিট আগে