
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ইরান তার সর্বোচ্চ নেতার নীতির পথ অনুসরণ করেই এগিয়ে যাবে এবং দেশের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখবে। বাংলাদেশ সময় রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যার পর এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
অজ্ঞাত স্থান থেকে দেওয়া এক ভাষণে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুদের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে কঠোর আঘাত হানতে থাকবে এবং দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
ভাষণে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান উল্লেখ করেন, ইরান তার কৌশলগত অবস্থান থেকে সরে আসবে না এবং দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সামরিক প্রতিক্রিয়া শুধু তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নয়, বরং এটি দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নীতির অংশ।
প্রেসিডেন্ট বলেন, বিপ্লবের নেতার শাহাদাত বহু বছরের আত্মত্যাগের পরিণতি এবং সেই আত্মত্যাগ ইরানের সংগ্রাম ও আদর্শকে আরও দৃঢ় করেছে। তিনি দাবি করেন, এই ত্যাগ দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছে এবং শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকে শক্তিশালী করেছে।
ভাষণের শেষে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, ইরান তার প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাব কঠোর ও সুনির্ধারিতভাবে দেওয়া হবে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস। শনিবার এক বিবৃতিতে দলটি এই হামলাকে ‘যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া পরিচালিত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্পষ্ট ভাষায় এর বিরোধিতা করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তুলনামূলকভাবে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নৌযান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে এবং সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের নৌবাহিনীর সদরদপ্তরও অনেকাংশে ধ্বংস করে দিয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
গত রাতে মার্কিন বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমানগুলো ২ হাজার পাউন্ড ওজনের শক্তিশালী বোমা নিয়ে ইরানের সুরক্ষিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে। আমেরিকার সংকল্প নিয়ে কোনো জাতিরই সন্দেহ করা উচিত নয়।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে