Ajker Patrika

ইরানের মাটিতে জাহান্নামবাসীদের কোনো জায়গা নেই—মার্কিনি সেনাদের ইঙ্গিত করে লারিজানি

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
ইরানের মাটিতে জাহান্নামবাসীদের কোনো জায়গা নেই—মার্কিনি সেনাদের ইঙ্গিত করে লারিজানি
আলী লারিজানি। ছবি: প্রেস টিভি

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএনএসসি) সেক্রেটারি আলী লারিজানি বলেছেন, ইরানের পবিত্র ভূমিতে ‘জাহান্নামবাসীদের’ জন্য কোনো জায়গা নেই। তিনি অঙ্গীকার করেছেন, মার্কিন বাহিনী যদি বেপরোয়াভাবে ইরানের মাটিতে পা রাখে তবে তাঁর দেশ হাজার হাজার সেনাকে হত্যা ও বন্দি করবে।

ইরানি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভির খবরে বলা হয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার এক্সে শেয়ার করা এক পোস্টে লারিজানি বলেন, কিছু মার্কিন কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন যে—তারা ‘কয়েক হাজার সৈন্য নিয়ে স্থলপথে ইরানের ভূখণ্ডে প্রবেশের ইচ্ছা পোষণ করছে।’ দেশের নিরাপত্তা প্রধান জোর দিয়ে বলেন, ‘ইমাম খোমেনী এবং ইমাম খামেনির বীর সন্তানরা তোমাদের অপেক্ষায় আছে; তারা হাজার হাজার সেনাকে হত্যা ও বন্দি করে সেইসব দুর্নীতিবাজ মার্কিন কর্মকর্তাদের লজ্জিত করতে প্রস্তুত।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের পবিত্র ভূমি জাহান্নামবাসীদের থাকার জায়গা নয়।’ উল্লেখ্য, মার্কিন-ইসরায়েলি জোট ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক আগ্রাসন শুরু করার পাঁচ দিন পর তিনি এই মন্তব্য করলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস এর আগে খবর দিয়েছিল যে, ইরানের অভ্যন্তরে স্থল অভিযানে সশস্ত্র কুর্দি যোদ্ধাদের সমর্থন করার প্রস্তাবটি প্রথমে সিআইএ এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু উত্থাপন করেছিলেন এবং পরে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তা নিশ্চিত করে।

গত শনিবার ইরানের ওপর এই আগ্রাসন শুরু হয়, যার ফলে এখন পর্যন্ত ১২০০-এরও বেশি ইরানি নাগরিক শহীদ হয়েছেন। তাদের অধিকাংশ বেসামরিক নাগরিক এবং এর মধ্যে স্কুলগামী শিশুরাও রয়েছে।

এই বিনা উসকানিতে হামলায় ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং কিছু উচ্চপদস্থ সামরিক কমান্ডারও নিহত হয়েছেন। জবাবে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং ইরানের সেনাবাহিনী ওই অঞ্চলের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক সম্পদ এবং ইসরায়েলি দখলকৃত অঞ্চলের লক্ষ্যবস্তুগুলোতে একাধিক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ঘোষণা করে যে, ইরাকের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সদর দপ্তরগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে এবং সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত