
সৌদি আরবের শীর্ষ ধর্মীয় পদে নতুন গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দেশটির প্রখ্যাত আলেম শেখ সালেহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান। বুধবার (২২ অক্টোবর) রাতে রাজকীয় এক আদেশে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘সৌদি প্রেস এজেন্সি’ (এসপিএ) জানিয়েছে, ছেলে ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পরামর্শ অনুযায়ী বাদশাহ সালমান এই নিয়োগ দিয়েছেন।
৯০ বছর বয়সী শেখ সালেহ আল-ফাওজান ১৯৩৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের আল-কাসিম প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন। অল্প বয়সে বাবাকে হারানোর পর এক স্থানীয় ইমামের কাছে কোরআন শিক্ষা শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি হয়ে ওঠেন রাজ্যের অন্যতম প্রভাবশালী আলেম। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ‘নূর আলা আল-দারব’ (অর্থাৎ আলোয় পথচলা) নামে একটি জনপ্রিয় রেডিও অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আলোচনায় অংশ নেন। তাঁর অসংখ্য বই, টেলিভিশন বক্তব্য ও ফতোয়া সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে।
তবে শেখ সালেহ অতীতে বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচিত হন। ২০১৭ সালে মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’ জানিয়েছিল, একবার একটি প্রশ্নের জবাবে শেখ সালেহ বলেছিলেন—‘শিয়া মুসলমানেরা শয়তানের ভাই।’ একই সঙ্গে তিনি শিয়াদের ‘মিথ্যাবাদী’ ও ‘অবিশ্বাসী’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। এই ধরনের মন্তব্য অবশ্য সৌদি আলেমদের মুখে প্রায় সময়ই শোনা যায়, বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের সময়।
২০০৩ সালে শেখ সালেহ এক ভাষণে বলেন, ‘দাসপ্রথা ইসলামের অংশ, এটি জিহাদের একটি অংশ এবং ইসলাম যত দিন থাকবে, জিহাদও তত দিন থাকবে।’ ২০১৬ সালে তিনি জনপ্রিয় মোবাইল গেম পোকেমন গো নিষিদ্ধ করে ফতোয়া দেন এবং এটিকে তিনি জুয়া হিসেবে আখ্যা দেন। তবে বর্তমানে সৌদি সরকার নিনটেন্ডো ও নিয়ান্টিক—এই দুই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছে, যারা ওই গেমটির মালিক।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) অ্যাসোসিয়েট প্রেস জানিয়েছে, শেখ সালেহ দায়িত্ব নিচ্ছেন সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল-শেখের মৃত্যুর পর। প্রয়াত মুফতি আল-শেখ গত প্রায় ২৫ বছর ধরে এই পদে ছিলেন। ঐতিহাসিকভাবে এই পদটি আল-শেখ পরিবারভুক্তদের হাতে ছিল—যারা অষ্টাদশ শতকের ধর্মীয় সংস্কারক শেখ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল-ওয়াহাবের বংশধর।
গ্র্যান্ড মুফতির পদ সুন্নি মুসলিম বিশ্বে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ধর্মীয় অবস্থানগুলোর একটি। মক্কা ও মদিনার দেশ হিসেবে সৌদি মুফতির ফতোয়া বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনাতেই যাবে না। এমন কড়া বার্তা দিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি। তিনি জানিয়েছেন, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
৯ মিনিট আগে
জীবিত আছেন ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ। এমনটাই দাবি করেছেন তাঁর এক ঘনিষ্ঠ উপদেষ্ট। গতকাল রোববার ইসরায়েলি ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছিল বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল।
৩১ মিনিট আগে
কুয়েতে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধবিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ–১৫ যুদ্ধবিমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বিষয়ে একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে বিমানটিকে এফ–১৬ বলেও ধারণা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে