
নিজেদের সামরিক স্থাপনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার কথা স্বীকার করেছে দখলদার ইসরায়েল। আজ মঙ্গলবার (৮ জুলাই) এক ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র তাদের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
নাম গোপন রাখার শর্তে বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এই দখলদার বলেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ‘খুব কমই’ জায়গায় আঘাত হেনেছে। আর যেসব সামরিক অবকাঠামোতে আঘাত হেনেছে সেগুলো সক্রিয় রয়েছে।
তবে তিনি হামলার বিস্তারিত কোনো কিছু জানাননি। এছাড়া কোন কোন সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র পড়েছে সেগুলোও জানাননি তিনি।
গতকাল রোববার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ টেলিগ্রাফ ওরেগন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া স্যাটেলাইট ছবির বরাতে জানায়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র দখলদার ইসরায়েলের পাঁচটি সামরিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছে।
গত ১৩ জুন রাতে ইরানে প্রথম হামলা চালায় ইসরায়েল। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ বাধে। যা ১২দিন স্থায়ী ছিল। ইসরায়েল এতদিন বলে আসছিল, ইরান শুধুমাত্র বেসামরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া তারা বেসামরিকদের হতাহতের তথ্য দিয়েছে শুধু। ইরানের হামলায় কত সেনা নিহত বা আহত এবং সামরিকভাবে তারা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলোর কোনো তথ্যই প্রকাশ করেনি দখলদাররা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৯ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৭ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে